Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ১৩ আগস্ট ২০২৬
covid-19

‘পুজো আসছে বলে করোনাকে অবহেলা করা যাবে না’, প্রশাসনিক সভা থেকে বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর

সভা থেকে আশাকর্মীদের কাজের প্রশংসা করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২০, ১৫:০৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২০, ১৫:০৮

options
link
‘পুজো আসছে বলে করোনাকে অবহেলা করা যাবে না’, প্রশাসনিক সভা থেকে বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: দুর্গাপুজোর হাতে গোনা আর মাত্র কয়েকটা দিন বাকি। তাই করোনা কালেও পুজো নিয়ে মেতে উঠেছে রাজ্যবাসী। তবে সকলের মনে কমবেশি করোনা সংক্রমণের ভয় থাকছেই। আর প্রশসানের লক্ষ্য করোনাকে বেড়ি পরিয়ে সুস্থভাবে পুজো উদযাপন করা। সেই কারণেই প্রশাসনিক বৈঠক থেকে মুখ্যমন্ত্রী সাফ জানালেন, “পুজো আসছে বলে করোনাকে অবহেলা করা যাবে না।”  

৬ মাস পর গতকাল অর্থাৎ ২৮ সেপ্টেম্বর উত্তরবঙ্গে গিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। মঙ্গলবার আলিপুরদুয়ার  ও জলপাইগুড়ি, এই দুই জেলার আধিকারিকদের নিয়ে প্রশাসনিক বৈঠক করেন তিনি। সেখানেই করোনা (Coronavirus) পরিস্থিতি নিয়ে সকলকে সতর্ক করেন মুখ্যমন্ত্রী। মুখ্যসচিব রাজীব সিনহা জানান, “আলিপুরদুয়ারের পরিস্থিতি অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে। পজিটিভিটি রেট সামান্য বেড়েছে। তবে সংক্রমণকে আয়ত্তে রাখা গিয়েছে।” মৃত্যুর হার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “ডেথ রেট অনেকটাই কম। প্রোটোকল মানলে ডেথ রেট আরও কমানো যাবে।” পাশাপাশি, প্লাজমা থেরাপি করার পরামর্শও দেন তিনি। 

Advertisement

[আরও পড়ুন:মিষ্টি বিক্রির ক্ষেত্রে ‘বেস্ট বিফোর’ লেখার সিদ্ধান্ত তুলে নিন, চিঠিতে আরজি মোদি-মমতাকে]

করোনা প্রসঙ্গে আলোচনা করতে গিয়ে জেলার প্রশাসনিক আধিকারিকদের উদ্দেশ্য করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “পুজো আসছে, কিন্তু সেই কারণে কোনওভাবেই করোনাকে অবহেলা করা যাবে না। পরিস্থিতির উপর সর্বদা নজর রাখতে হবে।” এরপরই তিনি বলেন, আলিপুরদুয়ার ও জলপাইগুড়িতে যে সমস্ত এলাকা এখনও গ্রিন জোন রয়েছে। সেখানে যাতে কোনওভাবে সংক্রমণ না প্রবেশ করতে পারে সেদিকে নজর রাখতে হবে। এদিনের বৈঠক থেকে স্বাস্থ্যকর্মী ও আশাকর্মীদের ভূয়সী প্রশংসা করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বলেন, “সংক্রমণ বাড়লেও ওদের অক্লান্ত পরিশ্রমের কারণেই পরিস্থিতি অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হয়েছে।” উল্লেখ্য রাজ্যজুড়ে করোনা সংক্রমিতের সংখ্যা হু হু করে বেড়ে চলেছে। প্রতিদিন বাংলায় ৩ হাজারের বেশি মানুষ নতুন করে আক্রান্ত হচ্ছেন মানুষ। পাল্লা দিয়ে বাড়ছে সুস্থতার হার। যা খানিকটা ভরসা দিচ্ছে সাধারণ মানুষকে।

[আরও পড়ুন: এবার কয়লা উৎপাদনে আঘাত হানল করোনা, লক্ষ্যমাত্রা থেকে পিছিয়ে ইসিএল]

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.