Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৫ ভাদ্র ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
North Bengal

৬৬ গ্রাম হবে ‘ভাইব্রান্ট ভিলেজ’, দক্ষিণ দিনাজপুরে সীমান্ত এলাকার উন্নয়নে বড় পরিকল্পনা

জানা গিয়েছে, দক্ষিণ দিনাজপুর জেলায় ৩৫২ কিলোমিটার ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী এলাকার মধ্যে এই ‘ভাইব্রান্ট’ গ্রামগুলি গড়ে তোলা হবে।

স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: জুলাই ২৫, ২০২৬, ১৫:৫৫

link
স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: জুলাই ২৫, ২০২৬, ১৫:৫৫

options
link
৬৬ গ্রাম হবে ‘ভাইব্রান্ট ভিলেজ’, দক্ষিণ দিনাজপুরে সীমান্ত এলাকার উন্নয়নে বড় পরিকল্পনা zoom
ফাইল ছবি।
Advertisement

কেন্দ্রীয় সরকারের তৎপরতায় সীমান্তবর্তী দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার ৬৬টি গ্রামকে ‘ভাইব্রান্ট ভিলেজ’ হিসেবে গড়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। দ্রুত পরিকল্পনা বাস্তবায়নের রূপরেখা তৈরি করছে জেলা প্রশাসন। এই গ্রামগুলির সার্বিক পরিকাঠামো ও আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে জোর দেওয়া হয়েছে।

দক্ষিণ দিনাজপুরের জেলা শাসক বালা সুব্রমনিয়াম টি বলেন, ”চারটি প্রধান ব্যবস্থা তো থাকছেই, এছাড়া ওই গ্রামগুলিতে আর্থ সামাজিক দিকগুলি কীভাবে বাড়ানো যাবে তার জন্য স্কিম তৈরি করা হচ্ছে। স্থানীয় মানুষজনকে সেই স্কিমের আওতায় আনা হবে।” 

বালুরঘাটের বিধায়ক বিদ্যুৎ কুমার রায় বলেন, ”তপনের বিধায়ক বুধরাই টুডুর উপস্থিতিতে জেলা শাসক, বিডিও-সহ প্রসাশনের কর্তাদের নিয়ে আমরা ব্লক ও জেলাস্তরে ইতিমধ্যে বৈঠক করেছি। সীমান্ত গ্রামগুলির আর্থ সামাজিক ও পরিকাঠামো উন্নয়ন আমাদের লক্ষ্য।”

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

জানা গিয়েছে, দক্ষিণ দিনাজপুর জেলায় ৩৫২ কিলোমিটার ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী এলাকার মধ্যে এই ‘ভাইব্রান্ট’ গ্রামগুলি গড়ে তোলা হবে। একেকটি গ্রামের জন্য বরাদ্দ হচ্ছে তিন কোটি টাকা। রাস্তা, বিদ্যুৎ, টেলিকম এবং ইন্টারনেট পরিষেবা আবশ্যিক থাকছে এই ‘ভাইব্রান্ট’ গ্রামে। এছাড়া শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি, পশুপালন-সহ সরকারি প্রকল্পগুলি সুবিধা একশো শতাংশ বাস্তবায়ন করা হবে। জেলার বংশীহারী এবং কুশমন্ডি ব্লক বাদ থাকছে এই প্রকল্পে। বাকি থাকা বালুরঘাট, হিলি, তপন, কুমারগঞ্জ, গঙ্গারামপুর সীমান্তের মধ্যে চিহ্নিত হয়েছে এই গ্রাম। তবে বালুরঘাট ব্লকে এই গ্রামের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি থাকছে। এনিয়ে জেলা প্রশাসন ও ব্লক প্রশাসনিক স্তরে বৈঠক হয়েছে।

দক্ষিণ দিনাজপুরের জেলা শাসক বালা সুব্রমনিয়াম টি বলেন, “চারটি প্রধান ব্যবস্থা তো থাকছেই, এছাড়া ওই গ্রামগুলিতে আর্থ সামাজিক দিকগুলি কীভাবে বাড়ানো যাবে তার জন্য স্কিম তৈরি করা হচ্ছে। স্থানীয় মানুষজনকে সেই স্কিমের আওতায় আনা হবে। আগে সীমান্ত উন্নয়নে বিএডিপি ফান্ডে ছিল। এখন নতুন উদ্যোগে আরও শক্তিশালীভাবে হবে সীমান্ত এলাকার গ্রামীন উন্নয়ন।”

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.