Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Sikkim Tunnel Collapse

‘বহুবার বলেছিলাম, যাস না’, সিকিমে ভয়াবহ ধসে ছেলেকে হারিয়ে শোকে পাথর মা

গত সোমবার সিকিমের নামচি জেলার সামারদুং এলাকার তিস্তা জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের নির্মীয়মাণ টানেলে ভয়াবহ ধস নামে।

স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: জুলাই ২৩, ২০২৬, ১৭:৪১

link
স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: জুলাই ২৩, ২০২৬, ১৭:৪১

options
link
‘বহুবার বলেছিলাম, যাস না’, সিকিমে ভয়াবহ ধসে ছেলেকে হারিয়ে শোকে পাথর মা zoom
ছেলেকে হারিয়ে শোকে বিহ্বল মা।
Advertisement

ছেলে কাজে গিয়েছে, বাড়ি ফিরে আসবে। হয়তো পরিবারের সবার জন্য নিয়ে আসবে উপহার। এই আশাতেই দিন কাটছিল ওদের। কিন্তু উপহার তো দূরের কথা, ছেলের হাসিমুখটাই যে আর দেখা হবে না, তা বোধহয় কল্পনাও করেননি মা। এখন শূন্য চোখে শুধুই পথ চেয়ে থাকা, ছেলের দেহের জন্য। শুধু একটাই আফসোস, বাড়ির ছোট ছেলে যদি একটু কথাটা শুনত! চোখের জল মুছতে মুছতে মা পার্বতী সাওতাল বলছেন, “বহুবার বলেছিলাম, সিকিমে যাস না বাবা, অন্য কোথাও যা। তবুও আমার কথা শুনল না। শেষ পর্যন্ত সিকিমেই চলে গেল।”

গত সোমবার সিকিমের নামচি জেলার সামারদুং এলাকার তিস্তা জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের নির্মীয়মাণ টানেলে ভয়াবহ ধস নামে। প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে, মিথেন গ্যাস লিক করার পরই সুড়ঙ্গের ভিতরে বিস্ফোরণ ঘটে। 

নাগরাকাটা ব্লকের সুখানী বস্তির বাসিন্দা পার্বতী সাওতাল। ছেলের মৃত্যু সংবাদ শোনার পর থেকেই শোকে বিহ্বল তিনি। ভুলেছেন নাওয়া-খাওয়া। পার্বতী জানান, বেশ কয়েকদিন ধরেই বন্ধুদের সঙ্গে সিকিমে যাওয়ার পরিকল্পনা করছিলেন অর্জুন। বিষয়টি জানার পর থেকেই তিনি ছেলেকে বারবার নিরস্ত করার চেষ্টা করেন। পার্বতী সাওতালের কথায়, “আমি বলেছিলাম, অন্য কোথাও যা, কিন্তু সিকিমে যাস না। সেখানে মাঝেমধ্যেই ধস নামে, রাস্তা বন্ধ হয়ে যায়। তাই ও সিকিমে যাক, আমি কখনই চাইনি। কিন্তু আমার কোনও কথাই শুনল না। শেষে আমার ছেলেটাই চলে গেল।” তবে টানেলের কাজের সঙ্গে অর্জুন কীভাবে যুক্ত হলেন তা কিছুই পরিবারের সদস্যরা জানেন না বলেই জানিয়েছেন। 

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

গত সোমবার সিকিমের নামচি জেলার সামারদুং এলাকার তিস্তা জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের নির্মীয়মাণ টানেলে ভয়াবহ ধস (Sikkim Tunnel Collapse) নামে। প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে, মিথেন গ্যাস লিক করার পরই সুড়ঙ্গের ভিতরে বিস্ফোরণ ঘটে। ধসে নেমে সুরঙ্গের মুখ বন্ধ হয়ে যায়। আটকে পড়েন একাধিক শ্রমিক। শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী, সিকিমে নির্মীয়মাণ সুড়ঙ্গ দুর্ঘটনায় মৃত শ্রমিকদের মধ্যে ১১ জনই বাংলার। মৃতদের মধ্যে রয়েছেন মেটেলির ছয়জন এবং নাগরাকাটার তিনজন। নাগরাকাটার তিনজনই আর্থিকভাবে অসচ্ছল পরিবারের সদস্য ছিলেন। ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে এলাকায়।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.