ভারী বৃষ্টির জেরে ফের একবার দুর্যোগের কবলে সিকিম। মঙ্গলবার রাতে নতুন করে নেমেছে ভূমিধস (Sikkim Landslide)। যার জেরে একাধিক রাস্তা অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছে। এর ফলে পশ্চিম সিকিমের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। যার ফলে বিপাকে পড়েছেন পর্যটকরা। ধস নামায় রাতে বেশকিছু গাড়ি মাঝ রাস্তায় আটকে পড়ে বলেও জানা গিয়েছে। সিকিম পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ভূমিধস ও দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার জন্য রাজ্যের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা অবরুদ্ধ হয়েছে। রাস্তাগুলো হল সিংতাম–দিকচু, রোরথাং–রংপো, রাভাংলা–ইয়াংয়াং, গিয়ালশিং–লেগশিপ এবং সোপাকা–চিওয়াভঞ্জাং সড়ক। তবে ১০ নম্বর জাতীয় সড়ক স্বাভাবিক রয়েছে। ভূমিধসে রাস্তা অবরুদ্ধ হওয়ায় পর্যটক ও যাত্রীদের বিকল্প পথে যাতায়াতের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
জানা গিয়েছে, পশ্চিম সিকিমের গেইজিংয়ে প্রবল বৃষ্টিপাতের জেরে গেইজিং-লেগশিপ সড়কের একাধিক জায়গায় ভূমিধস নেমেছে। এর ফলে যান চলাচল ব্যাহত হয়েছে। জেলা সদরের সঙ্গে সড়ক পথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়েছে। কেন্দ্রীয় আবহাওয়া দপ্তরের সিকিম কেন্দ্র সূত্রে জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার সন্ধ্যা থেকে গেইজিংয়ে ৯৫.২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে।
আরও পড়ুন:
গেইজিংয়ের জেলাশাসক তেনজিং দেনজংপা জানান, মঙ্গলবার রাত ন’টার দিকে ভূমিধসের খবর পাওয়া যায়। সবচেয়ে বড় ভূমিধস নেমেছে গেইজিং শহর থেকে প্রায় দু’কিলোমিটার দূরে ওমচুং এলাকার একটি সরকারি স্কুলের কাছে। ওই এলাকার কাছে একটি পাহাড়ি ঝোরা রয়েছে। আগেও সেখানে পাহাড়ের ঢাল থেকে কাদা ও মাটি রাস্তায় নেমে আসার ঘটনা ঘটেছে। তবে এবার ভূমিধসের সময় বড় বড় পাথরের চাঁই গড়িয়ে নেমেছে। গেইজিং-লেগশিপ সড়কের নয় মাইল এবং অন্য এলাকাতেও পথ অবরুদ্ধ হয়েছে। রাতে চার মাইল খোলার জল রাস্তা ভাসিয়ে দেয়। গুইয়া খোলার কাছে ইয়াংগাং-সিংটাম সড়ক অবরুদ্ধ হয়েছে। প্রশাসনের তরফে যাত্রীদের বিকল্প পথ ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। ভূমিধসে গেইজিং হাসপাতালের সংযোগকারী রাস্তাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
নামচি জেলার ইয়াংগ্যাংয়ের রোপওয়ে এলাকার কাছে ভালেধুঙ্গায় বড় ধরনের ভূমিধসের খবর মিলেছে। গেইজিং জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, গিয়ালশিং-লেগশিপ রুটে অন্তত তিনটি স্থানে ভূমিধস নেমেছে। তার মধ্যে রয়েছে ওমচুং-এর কাছে বড় ধস, প্রধান ধসপ্রবণ এলাকার নিচে আরও একটি এবং লেগশিপের কাছে তৃতীয় ধস নেমেছে। গিয়ালশিং-লেগশিপ সড়কটি জেলা সদরের সঙ্গে সিকিমের অন্যান্য অংশের যোগাযোগের প্রধান মাধ্যম। যাত্রী পরিবহন, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য সরবরাহ ও জরুরি পরিষেবার জন্য এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। স্বভাবতই ভোগান্তি বেড়েছে।
সর্বশেষ খবর
-
শূন্য কাটিয়ে এবার নজর সংখ্যালঘু ভোটে, আত্মবিশ্লেষণে আগস্টেই বিশেষ অধিবেশন সিপিএমের
-
মাওবাদীকে আইনি সহায়তা নয়! আইনজীবী না পেয়ে আদালতে নিজেই সওয়াল অর্জুন মুণ্ডার
-
পিছিয়ে গেল কলকাতা! জন্মদিনে আত্মপ্রকাশ বিশ্বের বৃহত্তম মেসি-মূর্তির
-
চা শ্রমিকদের লক্ষ লক্ষ টাকার ‘প্রতারণা’ তৃণমূল নেতার, অভিযোগ দায়ের হতেই পলাতক
-
জেনেভায় শান্তিচুক্তির সময় আসিম মুনিরকে হত্যার ছক মোসাদের, বিস্ফোরক দাবি সাংবাদিকের