Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৯ আগস্ট ২০২৬
Howrah

বার্ন স্ট্যান্ডার্ডের জমিতে ১০০ কোটির হাসপাতাল, মোদির শিলান্যাসের পরই কাজ শুরু রেলের

কারখানার ভিতর ৫ একর ফাঁকা জমি রয়েছে। সেখানেই অত্যাধুনিক হাসপাতালটি তৈরি হবে।

অরিজিৎ গুপ্ত
অরিজিৎ গুপ্ত

শেষ আপডেট: জুন ২৪, ২০২৬, ১৯:০৭

link
অরিজিৎ গুপ্ত
অরিজিৎ গুপ্ত

শেষ আপডেট: জুন ২৪, ২০২৬, ১৯:০৭

options
link
বার্ন স্ট্যান্ডার্ডের জমিতে ১০০ কোটির হাসপাতাল, মোদির শিলান্যাসের পরই কাজ শুরু রেলের zoom
এমনই হাসপাতালটি দেখতে হবে।
Advertisement

গত ২০ জুন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি রাজ্যে এসে হুগলি থেকে হাওড়ায় একটি নতুন রেল হাসপাতালের শিলান্যাস করেছিলেন। প্রধানমন্ত্রীর শিলান্যাসের পরই হাওড়া ময়দানে ওই ডিভিশনাল রেল হাসপাতালের কাজ শুরু হয়েছে। এই হাসপাতালটি মূলত অর্থোপেডিক হাসপাতাল হবে। আগামী এক বছরের মধ্যে এই হাসপাতাল তৈরির কাজ সম্পন্ন হবে বলে রেলের তরফে জানানো হয়েছে। এই নতুন রেল হাসপাতালে রেলের কর্মীদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষও চিকিৎসা করাতে পারবেন বলে জানা গিয়েছে। ৩০০ শয্যার এই হাসপাতলে থাকবে সব রকম অত্যধুনিক চিকিৎসা ব্যবস্থা।

হাসপাতালের বিল্ডিংটি হবে তিন তলার। এটি একটি মাল্টিস্পেশালিটি হাসপাতাল হবে। এই হাসপাতালে এমআরআই, সিটি স্ক্যানের মতো পরিষেবা পাওয়া যাবে।

এই হাসপাতালটি তৈরি হচ্ছে হাওড়ায় গঙ্গার ধারে রেলের ওয়াগন তৈরির বন্ধ কারখানা বার্ন স্ট্যান্ডার্ডের জমিতে। এই কারখানার ভিতর ৫ একর ফাঁকা জমি রয়েছে। সেখানেই অত্যাধুনিক হাসপাতালটি তৈরি হবে। এই হাসপাতাল তৈরিতে রেলের তরফে বিনিয়োগ করা হচ্ছে প্রায় ১০০ কোটি টাকা। এই হাসপাতালের বিল্ডিংটি হবে তিন তলার। এটি একটি মাল্টিস্পেশালিটি হাসপাতাল হবে। এই হাসপাতালে এমআরআই, সিটি স্ক্যানের মতো পরিষেবা পাওয়া যাবে। এই হাসপাতাল তৈরি হলে বহু মানুষ উপকৃত হবেন। 

Advertisement

এই প্রসঙ্গে হাওড়ার ডিআরএম বিশাল কাপুর জানালেন, ‘‘একদিকে যেমন এই হাসপাতালে রেলের কর্মীরা চিকিৎসা পাবেন, তেমনই অপরদিকে সাধারণ মানুষও ধীরে ধীরে এই হাসপাতাল থেকে চিকিৎসা পরিষেবা পাবেন। বিশেষত যাঁদের আয়ুস্মান কার্ড থাকবে সেইসমস্ত সাধারণ মানুষ এই হাসপাতাল থেকে চিকিৎসা পরিষেবা পাবেন।” আগামী এক বছরের মধ্যেই এই হাসপাতালের কাজ শেষ হয়ে যাবে বলে জানিয়েছেন ডিআরএম। শুধু তাই নয়, কাজ শেষ হলেই তা চালু করে দেওয়া হবে বলেও জানিয়েছেন বিশাল কাপুর।

প্রসঙ্গত, হাওড়া ময়দানে বর্তমানে রেলের যে অর্থোপেডিক হাসপাতাল রয়েছে সেই হাসপাতালটি বন্ধ করে নতুন হাসপাতাল চালু করা হচ্ছে। ১৯৫০ সালে তৈরি হওয়া পুরোনো অর্থোপেডিক হাসপাতালটিতে পরিকাঠামোগত অভাবের জন্যই বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে। রেলের অর্থোপেডিকের পুরোনো হাসপাতালটিতে শয্যা সংখ্যা ছিলো ১৭৯। নতুন হাসপাতালে শয্যা সংখ্যা বেড়ে প্রায় দ্বিগুন ৩০০ করা হচ্ছে। 

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.