জমি নিয়ে বিবাদের জের! কাকার বুকে ছুরি চালিয়ে দিলেন ভাইপো। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় ওই ব্যক্তির। রবিবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর দিনাজপুরের (North Dinajpur) গোয়ালপোখর (১) এর সাহাপুর (২) পঞ্চায়েতের শ্রীপুর বাজার এলাকায়। খবর পেয়েই ঘটনাস্থলেই ছুটে যায় পুলিশ। ইতিমধ্যে এই ঘটনায় অভিযুক্ত ভাইপো-সহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। কীভাবে এই ঘটনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। শুধু তাই নয়, জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে ধৃত তিনজনকেও। যদিও পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, জমি বিবাদ নিয়ে রবিবার রাতে বাড়ির উঠোনেই দুই ভাইয়ের বিবাদ চলছিল। সেই সময়েই এই ঘটনা ঘটে।
জানা গিয়েছে, নিহত ওই ব্যক্তির নাম সুজিত রায়। শ্রীপুর বাজার এলাকার বাসিন্দা। ধৃত অধীর রায় এবং তাঁর দুই ছেলে অপূর্ব রায় এবং অভয় রায়। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, রবিবার রাতে শ্রীপুর বাজার এলাকায় দুই ভাইয়ের পরিবারের বসবাস। দীর্ঘদিনের বাসিন্দা হলেও সম্পত্তি নিয়ে বিবাদ দীর্ঘদিনের। স্থানীয়দের দাবি, প্রায় তিন শতক জমির দখল ঘিরে পরস্পর দুই ভাই কমল রায় এবং অধীর রায়ের মধ্যে বিবাদ বচসা চলছিল। সোমবার পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। দুজনের মধ্যে বচসা মারাত্মক আকার নেয় বলে দাবি। এই আবহে হঠাৎ করেই বড় ভাই অধীর রায়ের ছেলে অপূর্ব রায় কাকা সুজিত রায়ের পেটে সজোরে ধারালো অস্ত্র ঢুকিয়ে দেন বলে অভিযোগ। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় সুজিতের। যা নিয়ে তীব্র চাঞ্চল্য তৈরি হয়।
আরও পড়ুন:
জানা যায়, ঘটনার পরেই অভিযুক্তেরা বাড়ি থেকে পালিয়ে যান। ঘটনার খবর পেয়ে রাতেই পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে বাজার এলাকা থেকে দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ইসলামপুর মহকুমা হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর ব্যবস্থা করে। অন্যদিকে অভিযুক্তদের খোঁজে তল্লাশি শুরু করে পুলিশ। যদিও ঘটনার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই অভিযুক্ত ভাইপো-সহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। ইসলামপুর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ডেন্ডুপ শেরপা বলেন, “খুনের অভিযোগে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।”
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
স্বমেজাজে কিম! মার্কিন সামরিক মহড়ার পরই ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ল পিয়ংইয়ং, রেগে আগুন দক্ষিণ কোরিয়া
-
পশ্চিম সিকিমে ফের ভূমিধস, অবরুদ্ধ রিম্বি-খেচুপরি সড়ক, আতঙ্কে স্থানীয়রা
-
২০ বছরের সশস্ত্র সংগ্রামে ইতি! স্বামী মদনের ডাকে বাংলায় আত্মসমর্পণের পথে মাওবাদী জবাও
-
‘পালালেও লুকোতে পারবে না’, কাশ্মীরে সেনা অভিযানে খতম জইশ জঙ্গি, উদ্ধার অত্যাধুনিক M4 রাইফেল
-
প্রদীপকে সরিয়ে মিতা! জেলা সভাপতি বদল হতেই অশান্তির ‘কালো মেঘ’ প্রদেশ কংগ্রেসে