Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ৮ জুন ২০২৬
Hooghly

আর্থিক অবস্থার অবনতির কারণ দেখিয়ে ফের কাজ বন্ধের নোটিস হুগলির জুটমিলে, কর্মহীন বহু

প্রতিবাদে সকালে জিটি রোড অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখান শ্রমিকরা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২১, ১৩:২৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২১, ১৩:২৬

options
link
আর্থিক অবস্থার অবনতির কারণ দেখিয়ে ফের কাজ বন্ধের নোটিস হুগলির জুটমিলে, কর্মহীন বহু zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সপ্তাহান্তে দুঃসংবাদ শ্রমিক মহলে। সাসপেনশন অফ ওয়ার্কের নোটিস পড়ল হুগলির (Hooghly) ওয়েলিংটন জুটমিলে। কাজ হারালেন অন্তত ২ হাজার শ্রমিক। রবিবার সকালে কাজে যোগ দিতে গিয়ে শ্রমিকরা দেখেন, রিষড়ার ওয়েলিংটন জুটমিলের গেটে সাসপেনশন অফ ওয়ার্কের (Suspension of work) নোটিস। দেখেই কার্যত মাথায় হাত পড়ে তাঁদের। প্রতিবাদে সকালেই জিটি রোড অবরোধ করেন শ্রমিকরা।

এর আগেও একাধিকবার হুগলির ওয়েলিংটন জুটমিলের কাজ থমকে গিয়েছে। তবে এবারের বিষয়টা একটু অন্য। আর্থিক পরিস্থিতির অবনতির কারণ দেখিয়ে এবার কাজ বন্ধের নোটিস দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনায় আবার রাজনৈতিক রংও লেগেছে। কংগ্রেস পরিচালিত আইএনটিইউসি-র (INTUC) অভিযোগ, রাজ্য সরকারের উদাসীনতায় প্রাচীন ওয়েলিংটন জুটমিলের আজ এই পরিস্থিতি। এ নিয়ে শ্রমদপ্তরের সঙ্গে একপ্রস্ত আলোচনার পরও সমস্যার জট কাটেনি বলে খবর। যার ফলে রবিবার সাসপেনশন অফ ওয়ার্কের নোটিস। শ্রমিকদের একাংশের আশঙ্কা, পরিস্থিতি যেমন, তাতে জুটমিল ফের নাও খুলতে পারে। সেক্ষেত্রে স্থায়ীভাবেই বন্ধ হয়ে যাবে রাজ্যের আরও একটি পাটকল।

Advertisement

[আরও পড়ুন: ঝাড়গ্রামে ৪ আসনে প্রার্থী হতে নাম জমা করলেন বিজেপির ১০০ জন! মাথায় হাত কর্মকর্তাদের]

করোনা ও লকডাউনের জেরে এমনিতেই ক্ষতির মুখে রাজ্যের শিল্পাঞ্চলগুলি।আনলক পর্বে সেই স্থবিরতা কাটলেও লাভের মুখ দেখা সেভাবে সম্ভব হয়নি। তার উপর রাজ্যের বিভিন্ন কলকারখানায় উৎপাদন নিয়ে শ্রমিক-মালিক অসন্তোষ লেগেই আছে। ফলে কোথাও কোথাও সাসপেনশন অফ ওয়ার্কের নোটিস দেখা খুব একটা বিরল ঘটনা নয় এ রাজ্যে। কিন্তু হুগলির ওয়েলিংটন জুটমিলে এবার যা হল, তাতে কার্যত অশনি সংকেত দেখছেন শ্রমিকরা। মিল কর্তৃপক্ষ যেভাবে আর্থিক পরিস্থিতির অবনতির কারণ সামনে এনেছেন, তাতে তাঁদের আশঙ্কা, চিরতরেই পাটকলটি বন্ধ হয়ে যেতে পারে। আর যদি সেটাই সত্যি হয়, তবে নিঃসন্দেহে আসন্ন বিধানসভা ভোটে এর প্রভাব পড়বে।

[আরও পড়ুন: ‘একুশে বাংলায় সরকার গড়বে তৃণমূলই!’, বিজেপির মঞ্চ থেকে বেফাঁস শাসকদলের প্রাক্তন সাংসদ]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.