Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ আষাঢ় ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ৭ জুলাই ২০২৬

বাড়ল লাইসেন্স ফি, বার-রেস্তরাঁয় খাবারের দাম বৃদ্ধির আশঙ্কা

লাইসেন্স ফি একধাক্কায় দশগুণ বাড়িয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য সরকার।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৭, ২০১৯, ১৪:৪২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৭, ২০১৯, ১৪:৪২

options
link
বাড়ল লাইসেন্স ফি, বার-রেস্তরাঁয় খাবারের দাম বৃদ্ধির আশঙ্কা zoom

স্টাফ রিপোর্টার: বার কিংবা রেস্তরাঁয় সপ্তাহান্তে যাওয়ার অভ্যাস রয়েছে? তাহলে এবার গ্যাঁটের কড়ি এবার একটু বেশি খরচ করতে হতে পারে আপনাকে। কারণ একধাক্কায় রাজ্যের বার কাম রেস্তরাঁয় খাবারের দাম অনেকটাই বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হল। কারণ, কলকাতা-সহ সাতটি কর্পোরেশন এলাকায় এই সমস্ত রেস্তরাঁগুলি লাইসেন্স ফি একধাক্কায় দশগুণ বাড়িয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিল রাজ্য সরকার। এতদিন কলকাতার মতো নগরনিগমে মাত্র ৫০ হাজার টাকা বাৎসরিক লাইসেন্স ফি ছিল। এবার তা বেড়ে পাঁচ লক্ষ হল।

[সত্যি সে দৃষ্টিহীন? মাধ্যমিক পরীক্ষা চলাকালীন প্রমাণ চাইলেন শিক্ষক]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

এখানেই শেষ নয়, পুরসভা এলাকায় রেস্তরাঁ কাম বার-এর এতদিন ৪০ হাজার টাকা লাইসেন্স ফি ছিল। সেটা বৃদ্ধি পেয়ে বাৎসরিক দু’লক্ষ টাকা হল। গ্রামীণ এলাকায় যেখানে এই ধরনের রেস্তরাঁগুলিতে ২০ হাজার টাকা দিতে হত, সেখানে লাইসেন্স ফি বাৎসরিক ৬০ হাজার টাকা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য সরকার। স্বভাবতই জিএসটি, লাইসেন্স ফি এবং অন্যান্য খরচ অনেকটাই বেড়ে যাওয়ায় খাবার এবং পরিষেবার জন্য মূল্য অনেকটাই বেড়ে যাবে বলে মনে করছেন ক্রেতারা।

[সাউথ সিটির বহুতল থেকে ফের মরণঝাঁপ, ঘটনাস্থলেই মৃত্যু মহিলার]

কারণ এই লাইসেন্স ফি-এর খরচ তোলার জন্য কাস্টমারদের উপর বর্ধিত মূল্য চাপিয়ে দিতে পারেন মালিকরা। সম্প্রতি বিয়ারের মূল্য অনেকটাই বাড়িয়েছে রাজ্য সরকার। যার জেরে মদের দোকানদার, বিয়ার সরবরাহকারীদের মধ্যে বেশ কয়েকদিন ধরেই টানাপোড়েন চলছে। পরিস্থিতির জেরে রাজ্যে বিয়ার সংকট দেখা দিয়েছে। এমন অবস্থায় বার কাম রেস্তরাঁগুলির খাবারের দাম যদি বেড়ে যায়, তাহলে মধ্যবিত্তের সপ্তাহশেষের বিনোদনে ভাটার টান আসতে পারে। হালফিলের ব্যস্ত দুনিয়ায় অনেকেই উইকএন্ডের সময়টি বার কিংবা রেস্তরাঁয় কাটাতে পছন্দ করেন। এই সিদ্ধান্তের ফলে এমন মানুষজন অসুবিধায় পড়তে পারেন। আবার অন্যদিকে বিক্রি কম হওয়ার কারণে রেস্তরাঁর মালিকরাও ঘাটতির সম্মুখীন হতে পারেন।

[মাদক পাচারে মুম্বই যোগ, পার্ক স্ট্রিট থেকে ধৃত ৩ পাচারকারী]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.