Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
Purulia

সত্যি বাঘই দেখেছেন তো বৃদ্ধ? চিড়িয়াখানায় নিয়ে গিয়ে হায়না ও মেছো বিড়াল চেনাল বন দপ্তর!

রবিবার সকালে গোলাপাড়ার অদূরে জঙ্গল ও ঝোপঝাড় ঘেরা পাহাড়ের মাঝে কালো পিচ রাস্তার ধারে ৫০ ফুট দূরত্বে বাঘ দেখার দাবি করেন বদনচন্দ্র মান্ডি।

Advertisement
সুমিত বিশ্বাস
সুমিত বিশ্বাস

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২৭, ২০২৬, ১৪:২৫

link
সুমিত বিশ্বাস
সুমিত বিশ্বাস

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২৭, ২০২৬, ১৪:২৫

options
link
সত্যি বাঘই দেখেছেন তো বৃদ্ধ? চিড়িয়াখানায় নিয়ে গিয়ে হায়না ও মেছো বিড়াল চেনাল বন দপ্তর! zoom
ফাইল ছবি।

মাত্র ৫০ ফুট দূরত্বে জঙ্গলঘেরা পথে বাঘের মুখোমুখি হওয়ার দাবি করা বৃদ্ধকে চিড়িয়াখানায় নিয়ে গেল বন দপ্তর। সোমবার দুপুরে মানবাজার ২ রেঞ্জের গোলাপাড়া গ্রামের সগেডি টোলার বাসিন্দা বছর ৬৫-র বদনচন্দ্র মান্ডিকে পুরুলিয়া (Purulia) শহরের উপকণ্ঠে সুরুলিয়া মিনি চিড়িয়াখানায় নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তাঁকে ডোরাকাটা হায়না ও মেছো বিড়াল দেখানো হয়। বন দপ্তরের দাবি, সেখানে ৩০ ফুট দূরত্বে ওই দুই বন্যপ্রাণদের ঠিক করে দেখতে পারেননি বলে দাবি করেন ওই বৃদ্ধ। ফলে রবিবার সকালে ঠিক কি দেখেছেন তিনি সেই নিয়ে ধোঁয়াশা রয়েছে বলে বন দপ্তরের দাবি।

রবিবার সকালে গোলাপাড়ার অদূরে জঙ্গল ও ঝোপঝাড় ঘেরা পাহাড়ের মাঝে কালো পিচ রাস্তার ধারে ৫০ ফুট দূরত্বে বাঘ দেখার দাবি করেন বদনচন্দ্র মান্ডি। ওই রাতেই পাশের গ্রাম চেকুয়াতে একটি অজানা বন্যপ্রাণ দেখার দাবি করেন গ্রামবাসীরা। পরে সেখানেও বনকর্মীরা পৌঁছন। সেখানে মাটিতে বেশ কয়েকটি পায়ের ছাপ পাওয়া যায়।

Advertisement

তবে বন দপ্তরে দাবি, ওই পায়ের ছাপ ৮ সেন্টিমিটার চওড়া। ফলে সেটি নেকড়ে বা হায়না হতে পারে। যদিও বুড়িবাঁধ অঞ্চলে বাঘের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর একটা চাপা আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। বসানো হয়েছে বেশ কয়েকটি ট্র্যাপ ক্যামেরা। সকাল থেকে জঙ্গলের সরু রাস্তা ও জঙ্গলঘেরা জলাশয়গুলিতে তল্লাশি চালানো হয়। তবে এদিন কোনও পায়ের ছাপ খুঁজে পাওয়া যায়নি। ধরা পড়েনি কোনও বন্যপ্রাণের ছবিও।

Old man sees tiger on the road in Purulia
ঘটনাস্থলে বনদপ্তরের কর্মীরা।

কংসাবতী দক্ষিণ বন বিভাগের ডিএফও পূরবী মাহাতো বলেন, “ওই ব্যক্তিকে চিড়িয়াখানায় নিয়ে যাওয়ার পর তিনি জানান দূরের জিনিস ঠিকভাবে দেখতে পাননি। ফলে ঠিক কি দেখেছেন সেই বিষয়টি নিশ্চিত নয়। তবুও আমরা নজরদারি চালানোর পাশাপশি ক্যামেরা ট্র্যাপ বসানো থাকবে। সেখানে ছবি এলে আমরা খুশি হব।” তবে গুজবে যেন কেউ কান না দেন বা অহেতুক যেন কেউ আতঙ্কিত না হন, তার জন্য তিনি গ্রামবাসীদের কাছে অনুরোধ জানিয়েছেন।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.