দিব্যেন্দু মজুমদার, হুগলি: উত্তরপাড়া ব্যাংক ডাকাতির ঘটনায় পুলিশের জালে আরও ১ অভিযুক্ত। ধৃত উমেশ পাসোয়ানের থেকে উদ্ধার হয়েছে বেশ কিছু অস্ত্র ও নগদ টাকা। তবে পুলিশের দাবি, ধৃত উমেশ পেশাদার ডাকাত নয়, টানা লকডাউনে আর্থিক অনটনের কারণেই ডাকাতির ঘটনায় জড়িয়েছিল সে।
ঘটনার সূত্রপাত ৫ জুন। এদিন দুপুরে উত্তরপাড়ার একটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকে হামলা চালায় একদল দুষ্কৃতী। সেই সময় ব্যাংকে টাকার হিসাব মেলানোর কাজ চলছিল। ব্যাংক আধিকারিকদের আগ্নেয়াস্ত্র দেখিয়ে টাকা লুঠপাট চালায় অভিযুক্তরা। মোট ১৭ লক্ষ ২৮ হাজার ৩৪০ টাকা নিয়ে তারা বেড়িয়ে যায় ব্যাংক থেকে। ব্যাংক থেকে ২০০ মিটার দূরে কয়েক নোটের বান্ডিল তাদের কাছ থেকে পড়ে যায়। তা দেখেই স্থানীয়রা চিৎকার শুরু করে। কিন্তু তাতে আততায়ীরা কান দেয়নি। বাইকে চেপে মুহূর্তে ঘটনাস্থল ছাড়ে তারা। এরপরই কন্ট্রোল রুমে ফোন যায়। অভিযুক্তদের খোঁজে ব্যান্ডেল, বালি, বালিখাল, ডানকুনি, পেয়ারাপুরে নাকা তল্লাশি শুরু হয়।

[আরও পড়ুন: মেলেনি কোয়ারেন্টাইন সেন্টারে জায়গা, গোয়াল ঘরেই বাস গুজরাট ফেরত রাজ্যের ৩ পরিযায়ী শ্রমিকের]
তদন্তে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ডাকাতির মূল চক্রী প্রীতম-সহ ৪ জনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। সেই সময়ই জানা গিয়েছিল, একাধিক ডাকাতির ঘটনায় জড়িত প্রীতম লকডাউনে সাইকেল চালিয়ে বিহার থেকে বাংলায় ফিরেছিলেন। তারপরই ছক কষে ডাকাতির। এরপরই ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করে খোঁজ মেলে উমেশের। তবে তথ্য বলছে, কোনওরকম অপরাধমূলক কাজের রেকর্ড নেই তার। নেহাত পেটের দায়েই ডাকাতির ছকে সাহায্য করেছিল সে।
[আরও পড়ুন:‘সুশান্তের বায়না মেটাতে রাত ১১টায় বন্ধুর জিম খুলিয়েছিলাম’, পর্দার ‘মাহি’র বিদায়ে শোকাতুর খড়গপুরবাসী]
সর্বশেষ খবর
-
ব্লাড ব্যাঙ্ক থেকে রক্ত বিক্রি! এক সপ্তাহে তদন্ত শেষের নির্দেশ হাই কোর্টের
-
শোভনের হাতে পায়েস মুখ, সোহিনীর সাধভক্ষণে কী ছিল মেনুতে?
-
অন্নপূর্ণার আবেদন ‘আন্ডার প্রসেস’, বাতিল হবে না তো? জেনে নিন এই সময়ে কী করণীয়
-
যাত্রী স্বাচ্ছন্দ্যই মূল, ঢেলে সাজানো হচ্ছে শিয়ালদহ-বহরমপুর ডিভিশন
-
সোশাল মিডিয়ার ‘পরীক্ষা’য় কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের রিপোর্ট কার্ড, ‘ফ্রেন্ডস’ ভিডিও ডিলিটেও ফার্স্ট বয় মোদি!