অর্ণব আইচ: ধীরে ধীরে জট খুলছে ইছাপুর অস্ত্র পাচার কাণ্ডের। একের পর এক জালে পড়ছে পাচারকারীরা। বৃহস্পতিবার আসানসোলের কুলটি থেকে গ্রেপ্তার করা হয় গণেশ পাসওয়ান ওরফে ‘ভগবানজি’। ধৃতের বাড়ি বিহারের গাজিপুর শহরে। বিহারের অস্ত্র মাফিয়া অজয়কুমার পাণ্ডে ওরফে গুড্ডু পণ্ডিতের শাগরেদ হয়ে কাজ করত গণেশ। শুক্রবার তাকে ব্যাঙ্কশাল আদালতে তোলা হবে।
[ইছাপুর থেকে পাচার বিহারে, অস্ত্রের খোঁজে পড়শি রাজ্যে পাড়ি দিচ্ছে এসটিএফ]
পুলিশ সূত্রে খবর, পণ্ডিতের হয়ে ইছাপুর থেকে অস্ত্রের যন্ত্রাংশ পাচার করত গণেশ। এছাড়াও নির্দেশ মাফিক বিভিন্ন অসাধু চক্রের কাছে সেগুলি পৌঁছেও দিত সে। আগেই কলকাতা পুলিশের এসটিএফ-এর হাতে ধরা পড়েছে বিহারের দুই অস্ত্র মাফিয়া গুড্ডু ও জয়শঙ্কর পাণ্ডে-সহ বেশ কয়েকজন। তাদের জেরা করেই গণেশের খোঁজ মেলে। ইছাপুর অস্ত্র পাচারে বিহারের যোগ আগেই স্পষ্ট হয়েছিল। এখান থেকেই অস্ত্রের অংশ পাচার হয়ে যেত বিহারে। তারপর তা তুলে দেওয়া হত মাওবাদীদের হাতে। পাচারকারীদের জাল ছড়িয়েছিল ছত্তিশগড়েও।
উল্লেখ্য, অজয়কুমার পাণ্ডে ওরফে গুড্ডু পণ্ডিত নিজেই ইছাপুরের অস্ত্র পাঠাত ছত্তিশগড়ে। অস্ত্র পাচারের কাজে গুড্ডু অন্তত চারটি দল তৈরি করেছিল। এই দলের সদস্যদের খুঁজতে কলকাতা পুলিশের স্পেশ্যাল টাস্ক ফোর্স (এসটিএফ)-এর একটি টিম বিহার যায়। গোয়েন্দাদের কাছে খবর, ইছাপুর রাইফেল ফ্যাক্টরির ‘স্ক্র্যাপ ডিভিশন’-এর গুদামের ভিতরেও আস্ত অস্ত্র তৈরি করা হত। জড়িত ছিল কারখানার কর্মীদের কয়েকজন। ২০০৮ থেকে ২০১১ পর্যন্ত এই রাজ্যে কিষেণজি ও তাঁর মাওবাদী সঙ্গীদেরও অস্ত্র পাচার করা হয়েছে ইছাপুর থেকেই। অস্ত্রের টুকরো জুড়ে তৈরি করা হত এসএলআর, কার্বাইন, ইনসাস, একে ৪৭ ও ৫৭-এর মতো মারাত্মক অস্ত্র।
[পাঁচিল টপকে কীভাবে পাচার হত আগ্নেয়াস্ত্র, ইছাপুরে গোয়েন্দাদের দেখাবে ধৃতরা]
সর্বশেষ খবর
-
মাঝরাস্তায় ট্যাঙ্কার থেকে ইথানল চুরি! বর্ধমানে সক্রিয় বড়সড় চক্র, সতর্ক পুলিশও
-
পকেটের চাপে অভিভাবকত্বে ব্রেক! বাংলায় কমছে প্রজনন হার, সমীক্ষার ফলাফলে উদ্বেগ
-
আগামী মাসে নদিয়া সফরে মুখ্যমন্ত্রী, প্রশাসনিক বৈঠকের পাশাপাশি থাকবেন সরকারি অনুষ্ঠানেও!
-
একমাসে দ্বিতীয়বার! ফের বঙ্গে আসছেন শাহ, আগামী সপ্তাহে একগুচ্ছ কর্মসূচি
-
চলবে সেতু রক্ষণাবেক্ষণের কাজ, ফের ১৬ ঘণ্টা বন্ধ বিদ্যাসাগর সেতু, জেনে নিন বিকল্প পথ