Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ১২ জুন ২০২৬
এনআরসি

নেই আধার কার্ড, NRC আতঙ্কে ফের মৃত্যু মহিলার

রাজ্যে এনআরসি আতঙ্কে মৃতের সংখ্যা ১১।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৫, ২০১৯, ১৬:১০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৫, ২০১৯, ১৬:১০

options
link
নেই আধার কার্ড, NRC আতঙ্কে ফের মৃত্যু মহিলার zoom
প্রতীকী ছবি।

নবেন্দু ঘোষ, বসিরহাট: এনআরসি আতঙ্কে আরও একজনের মৃত্যু হল রাজ্যে। ফের ঘটনাস্থল উত্তর ২৪ পরগনার বসিরহাটের হিঞ্জলগঞ্জ। নথিতে ভুল থাকায় কয়েকদিন ধরেই আতঙ্কে ভুগছিলেন ওই মহিলা। একাধিকবার প্রশাসনের দপ্তরেও যোগাযোগ করেন। পরে মঙ্গলবার দুপুরে আচমকা অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। বুধবার সকালে হাসপাতালে মৃত্যু হয় তাঁর। একের পর এক এই ঘটনায় শোকের ছায়া এলাকায়।

আরও পড়ুন: ‘আপনি ধর্মান্ধ, আপনার ধর্ম বাম-বাদ’, উর্মিমালা বসুকে তোপ বাবুলের

বসিরহাটের হিঞ্জলগঞ্জের কাঁটাখালির বাসিন্দা তসলিমা বিবি। স্বামী ও তিন সন্তানের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে ওই এলাকায় বাস ওই মহিলার। জানা গিয়েছে, ভোটার কার্ড-সহ অন্যান্য নথি থাকলেও তসলিমা বিবি, তাঁর স্বামী ও ১ ছেলের আধার কার্ড নেই। ফলে বাংলায় এনআরসি হবে এই খবর চাউর হতেই অন্যান্যদের মতোই আতঙ্কিত হয়ে পড়েন ওই মহিলাও। শেষ কয়েকদিনে আধার কার্ডের জন্য বিডিও, পঞ্চায়েত অফিস-সহ বিভিন্ন প্রশাসনিক দপ্তরে যান। কিন্তু তাতেও কার্যত কোনও লাভ হয়নি। স্বাভাবিকভাবেই প্রবল আতঙ্কে ভুগছিলেন তসলিমা। এনআরসি হলে কী হবে, তা ভেবে প্রতিবেশীদের কাছে আতঙ্ক প্রকাশও করেন। পরে সোমবার দুপুরে আচমকাই অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। তড়িঘড়ি তাঁকে উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে সেখান থেকে তাঁকে বসিরহাট হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। বুধবার দুপুরে সেখানেই মৃত্যু হয় তসলিমা বিবির। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, হৃদরোগে আক্রান্ত হয়েই মৃত্যু হয়েছে তাঁর।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement
NRC
মৃত তসলিমা বিবি

মৃতের পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ, এনআরসি আতঙ্কে অতিরিক্ত চিন্তাভাবনা করার ফলেই হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে তসলিমা বিবির। প্রসঙ্গত, শেষ কয়েকদিনে বসিরহাট এলাকায় এনআরসি আতঙ্কে মৃত্যু হয়েছে ৪ জনের। জলপাইগুড়িতে মৃত্যু হয়েছে ৩ জনের। কোচবিহার, বালুরঘাট, দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও মুর্শিদাবাদে মোট মৃতের সংখ্যা ৪। ক্রমাগত রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে মূলত সীমান্তবর্তী এলাকায় থাবা বসাচ্ছে এনআরসি আতঙ্ক। প্রায় প্রতিদিনই নাগরিকপঞ্জি হলে কী হবে সেই আতঙ্কেই মৃত্যুর খবর প্রকাশ্যে আসছে। কিন্তু এর শেষ কোথায়? উঠছে প্রশ্ন।

আরও পড়ুন: ‘আপনি ধর্মান্ধ, আপনার ধর্ম বাম-বাদ’, উর্মিমালা বসুকে তোপ বাবুলের

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.