Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ আষাঢ় ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ৮ জুলাই ২০২৬

প্রধান বিচারপতির বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাবে সরগরম দিল্লি, ক্ষুব্ধ সোলি সোরাবজি

বিরোধীদের পাশেই থাকছেন মমতা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৫, ২০১৯, ১৫:২১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৫, ২০১৯, ১৫:২১

options
link
প্রধান বিচারপতির বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাবে সরগরম দিল্লি, ক্ষুব্ধ সোলি সোরাবজি zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি দীপক মিশ্রকে সরাতে উঠেপড়ে লাগল বিরোধীরা। মূল উদ্যোক্তা কংগ্রেস। যার পিছনে রয়েছে বেশ কয়েকটি প্রথম সারির বিরোধী দল। প্রধান বিচারপতির বিরুদ্ধে রাজ্যসভায় অনাস্থা প্রস্তাব আনা হবে। অন্তত পঞ্চাশ জন সাংসদের স্বাক্ষর দরকার। গোটা বিষয়টির প্রস্তুতি এখন শেষ পর্যায়ে বলে খবর। যদিও ঘটনায় ক্ষুব্ধ প্রবীণ আইনজীবী তথা দেশের প্রাক্তন অ্যাটর্নি জেনারেল সোলি সোরাবজি। তাঁর মতে ‘অত্যন্ত অবিবেচক’ সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিরোধীরা। ভারতে আগে কখনও কোনও প্রধান বিচারপতির বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব আনা হয়নি।

[জটিল অস্ত্রোপচারের পর আপাতত স্থিতিশীল আসানসোলের জখম ডিসি]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

মঙ্গলবার এনসিপি নেতা মজিদ মেমন জানান, “প্রধান বিচারপতিকে সরানোর দাবিতে একটি খসড়া প্রস্তাবে সই করেছে একাধিক বিরোধী দল।” রাজ্যসভায় বিরোধীরা সংখ্যাগরিষ্ঠ। প্রস্তাব পেশ করতে সমস্যা হওয়ার কথা নয়। গুলাম নবি আজাদ ও আনন্দ শর্মা বিভিন্ন বিরোধী দলের নেতার সঙ্গে কথা বলেন। বুধবার সমাজবাদী পার্টিও ওই প্রস্তাব সমর্থন করেছে। দলের নেতা ঘনশ্যাম তিওয়ারি বলেন, “বিচারবিভাগের স্বাধীনতার জন্য ওই প্রস্তাব সমর্থন করছে সপা। এনসিপি, ডিএমকে, বামেরাও খসড়া প্রস্তাবে সই করেছে। কয়েকদিনের মধ্যেই প্রস্তাব জমা পড়বে।”

উল্লেখ্য, গত ১১ জানুয়ারি সুপ্রিম কোর্টের চার প্রবীণ বিচারপতি জে চেলামেশ্বর, রঞ্জন গগৈ, এম বি লোকুর ও কুরিয়েন জোসেফ একসঙ্গে সাংবাদিক সম্মেলন করে প্রধান বিচারপতির বিরুদ্ধে কার্যত বিদ্রোহ করে বসেন। তাঁদের অভি‌যোগ ছিল, সিনিয়রিটি না দেখে বহু গুরুত্বপূর্ণ মামলা পছন্দসই অন্য বিচারপতিদের বেঞ্চে দিয়ে দেওয়া হচ্ছে। ক্ষমতার অপব্যবহার করছেন প্রধান বিচারপতি। সদ্য অবসর নেওয়া বিচারপতি অমিতাভ রায়ও পরে এই ধরনের অভিযোগ তুলেছিলেন। সেই সময় প্রধান বিচারপতিকে বরখাস্ত করার দাবি তোলে কংগ্রেস। ওই দাবির পর সিপিএম নেতা সীতারাম ইয়েচুরি, এনসিপি নেতা তারিক আনোয়ার ও জেডি (ইউ) নেতা শরদ ‌যাদবের সঙ্গে দেখা করেন। তখন থেকেই প্রস্তুতি শুরু হয় বলে মনে করা হচ্ছে।

[বারবার বলা সত্ত্বেও দেওয়া হয়নি অক্সিজেন, রোগীর মৃত্যু কালনা হাসপাতালে]

যদিও বিরোধী দলগুলির সিদ্ধান্ত নিয়ে পালটা প্রশ্ন তুলেছেন প্রাক্তন অ্যাটর্নি জেনারেল সোলি সোরাবজি। তাঁর যুক্তি, এই পদক্ষেপ আদতে বিচার বিভাগের নিরপেক্ষতা ও স্বাধীনতা নিয়ে সাধারণ মানুষের মনে প্রশ্ন তুলে দেবে। তাঁরা আস্থা হারাবেন। সংবাদ সংস্থা এএনআই-কে তিনি বলেন, “অত্যন্ত অবিবেচক সিদ্ধান্ত। ওঁকে ইমপিচ করার কোনও যুক্তি নেই। অত্যন্ত গুরুতর শৃঙ্খলাভঙ্গ, অকর্মণ্যতার অভিযোগ না থাকলে অনাস্থা আনা যায় না। যেগুলি প্রধান বিচারপতির ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে না। বিচারবিভাগের স্বাতন্ত্র্য ও নিরপেক্ষতার উপর সাধারণ মানুষের আস্থা উঠে যাবে। আমি সম্পূর্ণভাবে এই পদক্ষেপের বিরোধী।”

এদিকে বিরোধী দলগুলির সিদ্ধান্তকে সমর্থন করা হবে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সাংবাদিকদের মমতা জানান, বিজেপি বিরোধী দলগুলি যা সিদ্ধান্ত নেবে তাতেই সায় দেবে তৃণমূল। বিক্ষুব্ধ বিচারপতিদের অভিযোগ অবশ্যই খতিয়ে দেখার মতো। রাজ্যসভায় তৃণমূলের সাংসদ সংখ্যা ১৩। ফলে মমতা পাশে থাকে অনেকটাই শক্তি বেড়েছে বিরোধী শিবিরের। মোড়কে, প্রধান বিচারপতির ইমপিচমেন্ট নিয়ে দিল্লিতে চলছে জটিল সমীকরণ।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.