Advertisement
Advertisement
Pakistan

কালিম্পং থেকে গ্রেপ্তার পাক চর! বনগাঁ সীমান্তে আন্তর্জাতিক মোবাইল পাচারচক্রের পর্দা ফাঁস

ধৃত পাক চরের সঙ্গে রাওয়ালপিণ্ডির অফিসারদের যোগাযোগ ছিল, খবর এসটিএফ সূত্রে।

Pak agent arrested from Kalimpong by STF, WB Police | Sangbad Pratidin

ছবি: প্রতীকী

Published by: Sucheta Sengupta
  • Posted:September 24, 2022 2:22 pm
  • Updated:September 24, 2022 3:07 pm

সংবাদ প্রতিদিন ব্যুরো: পুজোর আগে বঙ্গে গ্রেপ্তার পাকিস্তানি (Pakistan) চর। কালিম্পং থেকে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে রাজ্য পুলিশের এসটিএফ (STF)। তাকে কলকাতায় নিয়ে আসা হয়েছে বলে খবর। এসটিএফ সূত্রে খবর, যুবকের নাম পীর মহম্মদ। তার সঙ্গে রাওয়ালপিণ্ডির পাকিস্তানি অফিসারদের সঙ্গে নিয়মিত যোগ ছিল তার। সূত্রের খবর, চর হিসেবে কাজ করত পীর মহম্মদ। কী কী তথ্য পাকিস্তানে পাচার করেছে ইতিমধ্যে, তার সঙ্গে আর কারা জড়িয়ে, পীর মহম্মদকে হেফাজতে নিয়ে বিস্তারিত জানতে চান আধিকারিকরা। উত্তরবঙ্গের সীমান্তে পাকিস্তানি চর ধরা পড়ার ঘটনায় উদ্বেগ বাড়ল কয়েকগুণ। 

STF সূত্রে খবর, নেপালে গিয়েছিল পীর মহম্মদ। সেখানে গিয়েই এসটিএফের নজরে পড়ে সে। গোপন অভিযান চালিয়ে অবশেষে মহম্মদকে জালে আনে এসটিএফ। জানা গিয়েছে, কালিম্পংয়ে সে লোন পাইয়ে দেওয়ার নাম করে প্রতারণা করত। গুপ্তচরবৃত্তির কাজ শুরু করেছিল। তার মোবাইল থেকে বেশ কিছু ছবি পাওয়া গিয়েছে, তা থেকেই চরবৃত্তির প্রমাণ মেলে বলে মনে করছে তদন্তকারীরা। 

Advertisement

[আরও পড়ুন: ডেঙ্গু মোকাবিলায় তৎপর রাজ্য, স্বাস্থ্যকর্মীদের ছুটি বাতিল পুজোয়!]

অন্যদিকে, পুজোর আগে ফের বড়সড় সাফল্য পেলেন বনগাঁ (Bongaon) জেলা পুলিশ। বনগাঁ সীমান্তে ধরা পড়ল আন্তর্জাতিক মোবাইল পাচার চক্র। পুলিশি অভিযানে উদ্ধার ৭২টি মোবাইল ফোন, বাংলাদেশি টাকা। আটক করা হয়েছে এক বাংলাদেশি যুবক-সহ দুজনকে। গোপালনগর থানার পুলিশের জালে আন্তর্জাতিক মোবাইল চোরা কারবার দলের দুই সদস্য উদ্ধার ৭২টি মোবাইল ফোন এবং ৫৭১০ বাংলাদেশি টাকা।

Advertisement

পুলিশ সূত্রে খবর, শুক্রবার রাতে গোপালনগর থানার ১৬ নম্বর গেট এলাকা থেকে আনোয়ার হোসেন (বাংলাদেশি)এবং ইমরান মণ্ডল নামে ২ যুবককে আটক করে বনগাঁ জেলা পুলিশ। অভিযুক্ত আনোয়ার হোসেন বাংলাদেশ থেকে পাসপোর্টে দিন কয়েক আগে ভারতে আসে।পুলিশের দাবি গোপন সূত্রে খবর পেয়ে অভিযান চালিয়ে ধৃতদের কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে প্রচুর পরিমাণে মোবাইল ফোন এবং বাংলাদেশি টাকা।

[আরও পড়ুন: প্রশাসনের সঙ্গে বৈঠকে মিলল সমাধান সূত্র, ৫ দিন পর আন্দোলন প্রত্যাহার কুড়মিদের]

জানা গিয়েছে, ধৃত ইমরান মণ্ডলের মেহেরপুর এলাকায় মোবাইলের দোকান আছে। বনগাঁ এলাকার বিভিন্ন জায়গা থেকে এই ইমরান মণ্ডল চোরাই মোবাইল সংগ্রহ করত। পুলিশের অনুমান এই ইমরান বাংলাদেশের আনোয়ার হোসেনের সহযোগিতায় চোরাই মোবাইল বাংলাদেশে পাচার করত। ধৃত দুই যুবককে গ্রেপ্তার করেছে গোপালনগর থানার পুলিশ ১৪ দিনের পুলিশি হেফাজতের আরজি জানিয়ে বনগাঁ মহকুমা আদালতে পাঠিয়েছে।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ