Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৭ আষাঢ় ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৩ জুলাই ২০২৬

নামের মিলে প্যান কার্ডে নম্বরও এক, এখন এর ঋণ মেটাচ্ছেন অপরজন

গেরো আর কাকে বলে!

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২৬, ২০১৭, ১৫:০৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২৬, ২০১৭, ১৫:০৬

options
link
নামের মিলে প্যান কার্ডে নম্বরও এক, এখন এর ঋণ মেটাচ্ছেন অপরজন zoom

সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, দুর্গাপুর: নামে সত্যিই অনেক কিছু এসে যায়৷ এই কথাটাই রূঢ় বাস্তব হিসাবে ঠেকছে দুর্গাপুরের  এক বাসিন্দার।ত্রিপুরার এক ব্যক্তির সঙ্গে নাম মিলে যাওয়ায় বিপাকে দুর্গাপুরের ভদ্রলোক৷ দু’জনেরই এক নাম৷ বাবার নামও এক৷ অদ্ভুতভাবে জন্ম তারিখও অভিন্ন৷ স্বাভাবিকভাবেই প্যান নম্বরও একই রয়েছে৷ একইরকম প্যান নম্বর নিয়ে এখন চূড়ান্ত ভোগান্তিতে দুর্গাপুরের ওই ব্যবসায়ী ও ত্রিপুরার এক চাকুরিজীবী৷

[প্রাক্তন অধ্যাপিকার রহস্যমৃত্যু, দুর্লভ বস্তু হাতাতেই কি খুন?]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

দুর্গাপুরের মামরাবাজারের রেডিমেড কাপড়ের ব্যবসায়ী তপন সূত্রধর৷ ২০১০ সালে প্যান কার্ড তৈরি করেছিলেন তপনবাবু৷ দুই বছর পর নামের মাঝে ‘কুমার’ যোগ করতে গিয়েই বিপত্তির সূত্রপাত৷ ত্রিপুরার এক ব্যাঙ্ককর্মীর সঙ্গে হুবহু মিলে যায় দুর্গাপুরের তপনবাবুর প্যান কার্ডের নম্বর৷ নিজের নাম, বাবার নাম, জন্ম তারিখ-সব এক৷ প্যান কার্ডের একই নম্বর হয়ে যাওয়ায় আয়কর রিটার্ন জমা দিতে গিয়ে দুই ব্যক্তিই সমস্যায় পড়ছেন৷ তবে সমস্যা বেশি দুর্গাপুরের ব্যবসায়ীর ক্ষেত্রে৷ প্রতিবছর  তাঁর নামে রিটার্ন জমা করছেন ত্রিপুরার চাকুরিজীবী তপন সূত্রধর৷ আবার দুর্গাপুরের ব্যবসায়ী তপনবাবুর নামে প্রায় বারো লক্ষ টাকার ঋণের বোঝা এসে পড়েছে তাঁর ঘাড়েই৷ ঋণ নিচ্ছেন ত্রিপুরার তপন আর তার দায় বহন করতে হচ্ছে দুর্গাপুরের তপনকে৷ তাই ব্যবসার প্রয়োজনে ঋণ চেয়েও আর পাচ্ছেন না দুর্গাপুরের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী তপন কুমার সূত্রধর৷ ২০১৫-১৬ অর্থ বছর থেকে এই প্যান নম্বরের জটিলতার জেরে আয়কর রিটার্নও করতে পারছেন না দুর্গাপুরের তপনবাবু৷ চলতি বছর আয়কর রিটার্নের নিয়মের সরলীকরণের ফলে এবার রিটার্ন জমা করতে পেরেছেন দুর্গাপুরের তপনকুমার সূত্রধর৷ তবে এর দায় কার? আয়কর দপ্তরের নাকি যে এজেন্সি প্যান কার্ড তৈরি করে তাদের? কেন্দ্রীয় ও রাজ্য সরকারের বিভিন্ন বিভাগে সমস্যার সমাধানের আবেদন করে চিঠিও দিয়েছেন দুর্গাপুরের তপনবাবু৷ কোনও সুরাহা হয়নি৷

DGP-PAN-CONTRO.jpg-2

[মানুষের অধিকার ফিরিয়ে দিচ্ছে, আধারের হয়েই ব্যাটিং প্রধানমন্ত্রীর]

আয়কর দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, যার প্যান কার্ড আগে হয়েছে, তারটাই ঠিক৷ অন্য কার্ডটি আয়কর দপ্তরের কাছে জমা দিয়ে দিতে হবে৷ ত্রিপুরার ব্যাঙ্কের চাকুরি তপনকুমার সূত্রধর প্রথম প্যান কার্ড হাতে পান৷ তাই তাঁর প্যান কার্ডটি ব্যবহার করা যেতে পারে৷ দুর্গাপুরের তপনকুমার সূত্রধর যেহেতু ‘কুমার’ নাম ঢোকাতে গিয়ে পরে একই নম্বরের প্যান কার্ড হাতে পেয়েছেন, তাই তাঁকে সেটি জমা দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। দুর্গাপুরের তপনকুমার সূত্রধর জানান, “দীর্ঘদিন ধরে হেনস্তার শিকার হচ্ছি৷ বিভিন্ন জায়গায় জানিয়েও কিছু হয়নি৷ ঋণের আবেদন করেও পাচ্ছি না৷ ত্রিপুরার ভদ্রলোক ঋণ নেওয়ার ফলে একই প্যান নম্বর হওয়ায় তা আমার খাতেই দেখাচ্ছে। প্যান পরিবর্তনের কথা বলে এখন আমি তাও করতে রাজি৷”

ছবি: উদয়ন গুহরায়

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.