জ্যোতি চক্রবর্তী, বনগাঁ: পঞ্চায়েত ভোটের (Panchayat Election) আগের দিন গুলিবিদ্ধ হয়ে মৃত্যুর ঘটনায় ব্যাপক আতঙ্ক ছড়াল বনগাঁ থানাক ধর্মপুর গ্রামে। আহত আরেক ব্যক্তি। তবে এই ঘটনার সঙ্গে রাজনৈতিক যোগ রয়েছে কি না, তা নিশ্চিত করে বলতে পারছেন না এলাকার বাসিন্দারা। কিন্তু শুক্রবার সাতসকালে রাস্তার পাশে মৃতদেহ ও তার অদূরে এক আহত ব্যক্তিকে পড়ে থাকতে দেখে আতঙ্কিত স্থানীয়রা। বলছেন, ওই এলাকা শান্তিপূর্ণ। কখনও কোনও রাজনৈতিক অশান্তি ঘটেনি। সেই পরিবেশে কে বা কারা এই জায়গায় এসে গুলি (Shootout) চালিয়ে খুনোখুনিতে লিপ্ত হল, তা নিয়ে চিন্তায় গ্রামবাসীরা।
বনগাঁ (Bongaon) থানার কালুপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের ধর্মপুর গ্রাম। সেখানেই সাতসকালে গুলির শব্দ পেয়ে চমকে ওঠেন স্থানীয় বাসিন্দারা। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানাচ্ছেন, কালোপুর খেদাই তলা রোডের পাশ থেকে একজনের গুলিবিদ্ধ দেহ উদ্ধার হয়। পাশে পড়েছিল একটি বাইক। তার অদূরে আরেকজনকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায়। তাঁকে উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে ভরতি করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।
[আরও পড়ুন: প্রয়াত মিঠুন চক্রবর্তীর মা শান্তিরানি দেবী]
নিহতের নাম বিশ্বনাথ। বর্তমানে হাবড়ায় (Habra) থাকতেন তিনি। কোনও রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত কি না, তা এখনও জানা যায়নি। আর আহত প্রতাপ মণ্ডলের বাড়ি মধ্যবকচরা এলাকায়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানাচ্ছেন, নিহত বা আহত কিংবা যাঁরা তাঁদের উদ্ধার করেছে, তাঁদের কেউই চেনা নয়। সম্ভবত বাইরে থেকে এসে এখানে এমন গোলাগুলি চলেছে। তাঁদের কারও কারও হাতে বন্দুক ছিল বলেও জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছন তৃণমূলের (TMC) জেলা সভাপতি বিশ্বজিৎ দাস। তিনি বলেন, ”এর সঙ্গে বিজেপির অনেকে যুক্ত। বিজেপি কথায় কথায় সিবিআই তদন্তের দাবি করে, ওদের এটাও সিবিআই তদন্ত দাবি করা উচিত।”
[আরও পড়ুন: আমেরিকায় নিহত খলিস্তানি নেতা পান্নুন! সোশ্যাল মিডিয়ায় জোর গুঞ্জন]
সর্বশেষ খবর
-
অনুশীলন সমিতি থেকে হিন্দুস্তান রিপাবলিকান আর্মির সদস্য! ফিরে দেখা ঝাড়গ্রামের বিস্মৃতপ্রায় বিপ্লবীকে
-
‘তোমার ইমেজটাই নষ্ট করে দেব’, বচ্চনবধূ ঐশ্বর্যকে ‘হুঁশিয়ারি’ বলি পরিচালকের!
-
নজরে ‘চিকেনস নেক’, নিরাপত্তার বজ্রআঁটুনি খতিয়ে দেখতে স্বাধীনতা দিবসের পরেই শিলিগুড়িতে শাহ!
-
সমাবর্তনে প্রধান বিচারপতিকে আমন্ত্রণের বিরোধিতার ‘শাস্তি’, প্রতিবাদীরা পাবে না ‘আইনজীবী’ স্বীকৃতি!
-
ভবিষ্যতের ভুল আগেই এড়ানো সম্ভব, শৈশবেই দেওয়া হোক আর্থিক শিক্ষার পাঠ