Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ১০ আগস্ট ২০২৬

পঞ্চায়েতে জয়, রাতারাতি নীল-সাদা অফিস গেরুয়া-সবুজ!

ক্ষমতার হাতবদলে বাঁকুড়ায় বিতর্ক তুঙ্গে।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৮, ২০১৮, ১৩:১৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৮, ২০১৮, ১৩:১৫

options
link
পঞ্চায়েতে জয়, রাতারাতি নীল-সাদা অফিস গেরুয়া-সবুজ! zoom
ছবিতে নীল-সাদা পঞ্চায়েত অফিস বদলে গেল গেরুয়া-সবুজে, ছবি: সাধন মণ্ডল।
Advertisement

দেবব্রত দাস, রাইপুর: পঞ্চায়েতে ক্ষমতার হাতবদল হয়েছে। তেরঙ্গা ছেড়ে গেরুয়া। রাজনীতির ক্ষমতার রং বদলের সঙ্গে সঙ্গে গোটা পঞ্চায়েত অফিসেরও ভোল বদল। নীল-সাদা পঞ্চায়েত অফিস এখন গেরুয়া সবুজ রংয়ের। বাঁকুড়ার জঙ্গলমহল রাইপুর ব্লকের মণ্ডলকুলি গ্রাম পঞ্চায়েত অফিসের এই রং বদল ঘিরে বির্তক দানা বেঁধেছে। ক্ষমতা দখল করে বিজেপি নেতৃত্ব গায়ের জোরে মণ্ডলকুলি গ্রাম পঞ্চায়েত অফিসের রং গেরুয়া করে দিয়েছে। এমনই অভিযোগ তুলে সরব হয়েছে তৃণমূল। বিজেপি-র জেলা নেতৃত্ব অবশ্য বিষয়টি স্থানীয় নেতৃত্বের উপরে চাপিয়ে দায় এড়িয়ে গিয়েছে।

সদ্য সমাপ্ত পঞ্চায়েত নির্বাচনে জঙ্গলমহলের মণ্ডলকুলি ও ঢেকো গ্রাম এবার শাসকদলের  হাতছাড়া হয়েছে। মণ্ডলকুলি গ্রাম পঞ্চায়েতে গতবার তৃণমূল ক্ষমতায় ছিল। কিন্তু এবার পঞ্চায়েতের ১৫টি আসনের মধ্যে বিজেপি ১৩টি আসন পেয়েছে। তৃণমূল পেয়েছে মাত্র দু’টি আসন। নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে বিজেপি পঞ্চায়েতের বোর্ড গঠন করেছে। প্রধান নির্বাচিত হয়েছেন বিজেপি-র বন্দনা মণ্ডল। তৃণমূলের অভিযোগ, পঞ্চায়েতে ক্ষমতায় আসার সঙ্গে সঙ্গে বিজেপি-র লোকেরা পঞ্চায়েত অফিসের রং পালটে দিয়েছেন। নীল-সাদা রং মুছে দিয়ে অফিসের রং করা হয়েছে গেরুয়া সবুজ। রাইপুর ব্লক যুব তৃণমূল সভাপতি রাজকুমার সিংহের অভিযোগ, ‘সামান্য একটা পঞ্চায়েতে ক্ষমতা পেয়েই বিজেপি-র লোকজন রাতারাতি সরকারি অফিসের রং বদলে ফেলেছে। একেবারে ফ্যাসিস্ট কায়দায়। কোনওরকম টেন্ডার ছাড়াই এক ঠিকাদারকে দিয়ে ওই পঞ্চায়েত অফিসের রং বদল করা হয়েছে। এটা পুরোপুরি বেআইনি কাজ।’ রাজকুমারবাবু জানান, বিষয়টি প্রশাসনের নজরে আনা হয়েছে।

Advertisement

[সংরক্ষিত বনাঞ্চলে বার ডান্সারের উদ্দাম নাচ, উড়ল টাকা]

এদিকে মণ্ডলকুলি পঞ্চায়েতের প্রধান বিজেপি নেত্রী বন্দনা মণ্ডল অবশ্য রং বিতর্কের দায় চাপিয়েছেন দলের স্থানীয় নেতৃত্বের উপরেই। বন্দনাদেবী বলেন, ‘আমি নতুন। পঞ্চায়েত অফিসের রং করার ব্যাপারে কিছু বলিনি। দেওয়ালের রং ফিকে হয়ে গিয়েছিল। তাই নতুন করে রং করা হয়েছে। অফিসের রং গেরুয়া সবুজ করার বিষয়টি স্থানীয় নেতারাই ঠিক করেছেন। আমি এই ব্যাপারে হস্তক্ষেপ করিনি। তবে নিয়ম মেনে ঠিকাদারকে দিয়ে রং করানো হয়েছে।’ বিজেপির বাঁকুড়া জেলা সভাপতি বিবেকানন্দ পাত্র অবশ্য দাবি করেন, ‘পঞ্চায়েত অফিসের রং নীল-সাদা করাটা বাধ্যতামূলক নয়। এ ব্যাপারে সরকারি নির্দেশিকা নেই। অনেক পঞ্চায়েত অফিসের রং ভিন্নরকমের রয়েছে। রাজনীতির স্বার্থেই তৃণমূল বিষয়টি নিয়ে জলঘোলা করার চেষ্টা করছে। একটা পঞ্চায়েত অফিসের রং বদলে রাজনীতির কোনও বিষয় নেই।’ রাইপুরের বিডিও সঞ্জীব দাস বলেন, ‘মণ্ডলকুলি পঞ্চায়েত অফিসের রং বদল নিয়ে আমাকে জানানো হয়েছিল। কিন্তু এ ব্যাপারে কোনও সরকারি নির্দেশ না থাকায় অফিসের রং বদল নিয়ে কিছু করা যাবে না।’

[ভিন ধর্মে বিয়ে, বর ও তাঁর পরিবারকে খুনের হুমকি কনের পরিবারের]

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.