Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Panchayat Poll

জ্যোতি বসুর স্মৃতিকে সামনে রেখে কর্মীদের মনোবল বাড়ানোর উদ্যোগ, সিপিএমের প্রচারে এবার ‘ইয়ং ব্রিগেড’

প্রচারের তালিকায় নতুনদের সঙ্গে থাকছেন বিমান বসুরাও।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২৩, ২০২৩, ১২:৫১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২৩, ২০২৩, ১২:৫১

options
link
জ্যোতি বসুর স্মৃতিকে সামনে রেখে কর্মীদের মনোবল বাড়ানোর উদ্যোগ, সিপিএমের প্রচারে এবার ‘ইয়ং ব্রিগেড’ zoom

রূপায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়: শুধু প্রার্থীই নন, পঞ্চায়েত ভোটের প্রচারেও সিপিএম সামনে রাখছে বা প্রাধান্য দিচ্ছে পার্টির ‘ইয়ং ব্রিগেড’-কে। পার্টিতে বৃদ্ধতন্ত্রের অবসান ঘটিয়ে নবীন প্রজন্মকে দায়িত্ব দেওয়ার প্রক্রিয়া আগেই শুরু হয়েছিল। মানুষও দেখতে চায় নতুন মুখ, প্রত্যাখ্যাতদের নয়। তাই পঞ্চায়েত ভোটেও গ্রামবাংলার ভোটারদের কাছে দলের কথা বলতে প্রচারে নামানো হচ্ছে তরুণ নেতাদের। পঞ্চায়েত নির্বাচনের প্রচার চলতি সপ্তাহ থেকে পুরোদমে শুরু করে দিচ্ছে আলিমুদ্দিন। প্রচারে ১০০ জনের বক্তা তালিকা তৈরি করা হয়েছে। যেখানে সিংহভাগই রয়েছেন ছাত্র-যুব থেকে আসা তরুণ প্রজন্মের নেতারা।

তালিকায় রয়েছেন মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায়, সৃজন ভট্টাচার্য, ময়ূখ বিশ্বাস, প্রতীক-উর-রহমান, দীপ্সিতা ধর থেকে সায়নদীপ মিত্র, কৌস্তভ চট্টোপাধ্যায়ের মতো তরুণ ব্রিগেড। আবার আভাস রায়চৌধুরী, কনীনিকা ঘোষ, মধুজা সেনরায়ও। সিপিএম রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম, সুজন চক্রবর্তীদের নেতৃত্বে প্রচার করবে এই টিম। সিপিএম রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম জানান, ‘‘বাড়ি বাড়ি প্রচার, বৈঠক, সভা। আবার অঞ্চলভিত্তিক প্রচার হবে।’’ সিপিএম রাজ্য সম্পাদকের কথায়, ‘‘আমরা পঞ্চায়েত ভোটেও ৫০ শতাংশ প্রার্থী তরুণ প্রজন্ম থেকে করেছি।’’

Advertisement

[আরও পড়ুন: তৃণমূল নেতা খুনে ফুঁসছে আদ্রা, রাস্তায় টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ, আতঙ্কে কাঁটা স্থানীয়রা]

পঞ্চায়েতের প্রচারে তরুণ ব্রিগেডকে প্রাধান্য দিলেও বিমান বসু, সূর্যকান্ত মিশ্রদের মতো প্রবীণ ও বর্ষীয়ান নেতারাও সভা-সমাবেশ করছেন। গত রাজ্য সম্মেলনেই নতুন প্রজন্মের উপর লাল ঝান্ডা এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। রাজ্য কমিটিতে এক ঝাঁক তরুণ মুখ নিয়ে আসা হয়েছে। ২০১১-র বিধানসভা ভোটে ক্ষমতা হারানোর পর একের পর এক নির্বাচনে ভরাডুবি চলছিল সিপিএমের। ২০১৯-এর লোকসভা, ২০২১-এর বিধানসভা ভোটেও ছিল ভরাডুবি। গত বিধানসভা ভোটে বামেদের প্রাপ্ত আসন শূন্য। আর এরপরই ঘুরে দাঁড়াতে তরুণ প্রজন্মকে সামনে নিয়ে এসেছে সিপিএম। সিপিএম নেতৃত্বের দাবি, পঞ্চায়েত নির্বাচনে গ্রামেগঞ্জে মানুষের সাড়া মিলছে। পার্টির সভা-সমাবেশে যথেষ্ট ভিড় হচ্ছে। এবার ত্রিস্তর পঞ্চায়েত ভোটে মোট ৬৪ হাজার ১৫৭টি আসনের মধ্যে সিপিএম একা ৩৬ হাজার ২৫৭ আসনে প্রার্থী দিয়েছে। বামফ্রন্টের অন্য দলগুলির প্রার্থীসংখ্যা যোগ করলে সংখ্যাটা বাড়বে। পাশাপাশি জোটসঙ্গী কংগ্রেসের প্রার্থী মিলিয়ে সংখ্যাটা আরও বেশি।

প্রয়াত প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী জ্যোতি বসুর স্মৃতি উসকে দিয়ে দলের কর্মী-সমর্থকদের পঞ্চায়েত ভোটে বাড়তি উৎসাহ ও মনোবল বাড়ানোর চেষ্টা করছে সিপিএম। ৮ জুলাই পঞ্চায়েত ভোট। ওইদিন জ্যোতি বসুর জন্মদিন। জ্যোতিবাবুর আমলেই ত্রিস্তর পঞ্চায়েত চালু হয়েছিল। তিনি বলেছিলেন, ‘সরকার মহাকরণ থেকে নয়, চলবে গ্রাম থেকে’–জ্যোতি বসুর এই বক্তব্যকে তুলে ধরে এবার পঞ্চায়েত ভোটে সিপিএম ডাক দিয়েছে, ‘বাম পথে গ্রাম’।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.