Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ আষাঢ় ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ৮ জুলাই ২০২৬
Panitor locals demands opening of police outpost

নিরাপত্তার অভাব, ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের পানিতরের ‘বন্ধ’ পুলিশ ফাঁড়ি চালুর দাবি গ্রামবাসীর

পুলিশ ফাঁড়ি বন্ধ থাকার সুযোগে এলাকায় বাড়ছে অসামাজিক কাজ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ১৮, ২০২১, ১২:০৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ১৮, ২০২১, ১২:০৪

options
link
নিরাপত্তার অভাব, ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের পানিতরের ‘বন্ধ’ পুলিশ ফাঁড়ি চালুর দাবি গ্রামবাসীর zoom

গোবিন্দ রায়, বসিরহাট: পুলিশ নেই, তাই প্রায় ৬ বছর পরিত্যক্ত পুলিশ ফাঁড়ির তালা বন্ধ। তবুও প্রতিদিন সকাল হলেই ঝাড়ুদার ডলি মণ্ডল উঠোন, বারান্দা ঝাড়ু দিয়ে চলে যান। ভিতরে ঢুকতে পারেন না। ঝাঁটও পড়ে না পুলিশ ফাঁড়ির অন্দরে। দস্যু-ডাকাতদের হাত থেকে সুরক্ষায় স্বাধীনতার ১৫ বছরের মাথায় ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী পানিতরে (Panitor) চালু হয়েছিল পুলিশ ফাঁড়ি। প্রাথমিকভাবে ১২টি গ্রামের সুরক্ষা এই ফাঁড়ির হাতে থাকলেও পরে বাড়তে থাকে এলাকা। কিন্তু ৬ বছর আগে হঠাৎই অজ্ঞাত কারণে বন্ধ হয়ে যায় সীমান্তবর্তী বসিরহাটের অতি প্রাচীন এই পুলিশ ফাঁড়ি। সম্প্রতি সীমান্ত লাগোয়া গ্রামে গ্রামে বাড়ছে চুরি-ছিনতাই। তাই ৬ বছর আগে বন্ধ হয়ে যাওয়া পুলিশ ফাঁড়ি পুনরায় চালু করার দাবি গ্রামের মোড়ল-মাতব্বর থেকে সাধারণ মানুষের।

ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত লাগোয়া পানিতর গ্রাম। তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান থেকে ডাকাতদল পানিতর গ্রামে এসে ডাকাতি করে নিশ্চিন্তে ফিরে যেত অহরহ। পানিতরের মানুষ ডাকাতের অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে তৎকালীন রাজ্যের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কালিপদ মুখোপাধ্যায়ের শরণাপন্ন হন। তাঁরই প্রচেষ্টায় ১৯৬২ সালে পানিতর গ্রামে বিশ্বেশ্বর বিশ্বাসের বাড়িতে বিনা ভাড়ায় চালু হয় বসিরহাট থানার অধীন পুলিশ ফাঁড়িটি। যা সরকারি স্থায়ী পুলিশ ফাঁড়ি হিসাবে গেজেটে নথিভুক্ত হয়। প্রথমে ১জন এএসআই, ৬জন কনস্টেবল নিয়ে ফাঁড়ি চালু হলেও বছরখানেকের মধ্যেই ফাঁড়ির গুরুত্ব বুঝে ১জন এএসআইয়ের সঙ্গে কনস্টেবলের সংখ্যা বাড়িয়ে ১০ করা হয়, সেই সঙ্গে নিয়োগ হয় হাবিলদারও। সেভাবেই চলছিল কাজ।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

Panitor

[আরও পড়ুন: ‘বড্ড নোংরা’, ছাত্রীর অভিযোগ পেয়ে নিজে গিয়ে স্কুলের শৌচাগার সাফ করলেন মন্ত্রী]

কিন্তু ২০১৫ সালে আচমকাই বন্ধ হয়ে যায় ফাঁড়িটি। সেই থেকে আজও তালা বন্ধ হয়ে পড়ে আছে ১২টি গ্রামের সুরক্ষায় চালু হওয়া পুলিশ ফাঁড়ি। ভিতরে পড়ে নষ্ট হচ্ছে প্রয়োজনীয় নথি, আসবাবপত্র। ২০১৭ সালের সেপ্টেম্বরে পুনরায় ফাঁড়ি চালু করার আরজি নিয়ে গ্রামবাসীরা উত্তর ২৪ পরগনার জেলা পুলিশ সুপার, পরে ডিআইজির দ্বারস্থ হন। কিন্তু তাতে কোনও লাভ হয়নি। বর্তমানে মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে পুলিশ জেলা হয়েছে বসিরহাট। কিন্তু আজও চালু হয়নি ৬ বছর আগে বন্ধ হয়ে যাওয়া সেই ফাঁড়ি।

সম্প্রতি গ্রামে বাড়ছে চুরি-ছিনতাই এর মত ঘটনা তাই বন্ধ হয়ে যাওয়া পুলিশ ফাঁড়ি পুনরায় চালু করার দাবি জানাচ্ছেন গ্রামবাসীরা। অভিযোগ, সাহিত্যিক বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্মৃতি বিজড়িত পানিতর গ্রামে পরিত্যক্ত পুলিশ ফাঁড়ি বর্তমানে সমাজবিরোধীদের মুক্তাঞ্চল। মদ, গাঁজা, হেরোইনের নিরাপদ ঠেক পুলিশ ফাঁড়ির একটি অংশ, এমনই অভিযোগ পূর্ণচন্দ্র দাস-সহ গ্রামের মহিলাদের। নিরাপত্তার স্বার্থে ফের ফাঁড়ি চালুর দাবিতে তাঁরা সোচ্চার। গ্রামের পঞ্চায়েত প্রধান মালেকা বিবি, তাঁর স্বামী সমাজসেবী আমজাদ হোসেন মোল্লারাও চান, “পুনরায় চালু হোক পুলিশ ফাঁড়ি। তাতে বাড়বে গ্রামের নিরাপত্তা। মানুষ সুরক্ষায় থাকবে।” গত ১০ ডিসেম্বর বসিরহাট জেলা পুলিশ সুপারকেও লিখিতভাবে জানান তাঁরা। এ প্রসঙ্গে বসিরহাট পুলিশ জেলার পুলিশ সুপার জানান, “বিষয়টি দেখছি। এখনও পর্যন্ত কোনও পরিকল্পনা নেই।”

[আরও পড়ু: ট্রেনে ধূমপান করায় জরিমানা, অবাক কাণ্ড ঘটিয়ে মোক্ষম বদলা নিল যুবক!]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.