Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৫ ভাদ্র ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Durga Puja

উচ্চতা ৬ ফুট ৭ ইঞ্চি! পুজোর আগে ‘দৈত্যাকার’ যুবকের পোশাক কিনতে নাজেহাল বাবা-মা

'ঈশ্বরের দান, মানিয়ে তো নিতেই হবে', বলছেন অঙ্কন।

রমণী বিশ্বাস
রমণী বিশ্বাস

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ৮, ২০২৬, ১৬:২৮

link
রমণী বিশ্বাস
রমণী বিশ্বাস

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ৮, ২০২৬, ১৬:২৮

options
link
উচ্চতা ৬ ফুট ৭ ইঞ্চি! পুজোর আগে ‘দৈত্যাকার’ যুবকের পোশাক কিনতে নাজেহাল বাবা-মা zoom
নদিয়ার বাসিন্দা অঙ্কন দাস। নিজস্ব ছবি
Advertisement

উচ্চতা ৬ ফুট ৭ ইঞ্চি! নদিয়ার তেহট্ট থানার বেতাই সিভিলগঞ্জ এলাকার ইতিহাস অনার্সের ছাত্র অঙ্কন দাসের এই উচ্চতাই এখন চরম চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে তাঁর পরিবারের কাছে। পুজোর আগে ‘দৈত্যাকার’ ছেলের পোশাক কিনতে কার্যত কালঘাম ছুটছে দাস পরিবারের।

​সামনেই বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব দুর্গাপূজা। অন্যান্য সব পরিবারের মতো অঙ্কনের পরিবারেও কেনাকাটা শুরু হয়ে গিয়েছে। কিন্তু তেহট্ট মহকুমার এক বাজার থেকে অন্য বাজারে চষে বেড়িয়েও মিলছে না অঙ্কনের মাপে রেডিমেড পোশাক। ​লম্বা হওয়ার বিড়ম্বনা নিয়ে অঙ্কন বলেন, “অতিরিক্ত লম্বা হওয়ার সুবিধার চেয়ে অসুবিধাই বেশি। বাড়িতে এ-ঘর থেকে ও-ঘর যেতে গেলে মাথা নিচু করে ঢুকতে হয়। আর যানবাহনে যাতায়াতের কথা তো ছেড়েই দিলাম! বাসে সামনের সিটে হাঁটু আটকে যায়, সোজা হয়ে দাঁড়ানোর উপায় নেই। গেটের পাদানিতে ঝুলতে ঝুলতে যেতে হয়। ট্রেনের স্লিপার ক্লাসে রাতে শুলে প্রায় দুই ফুট পা বাইরে বেরিয়ে থাকে। নিজের তো কষ্ট হয়ই, অন্য যাত্রীদেরও সমস্যা হয়। সুবিধা বলতে শুধু একটাই-বাড়ির গাছের আম-জাম হাত বাড়িয়েই পেড়ে নিতে পারি! কী আর করা যাবে, ঈশ্বরের দান, মানিয়ে তো নিতেই হবে।”

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement
বাবা-মায়ের সঙ্গে অঙ্কন।


অঙ্কনের বাবা অলোক কুমার দাস ও মা তিথি দাস জানান, “এলাকায় আমাদের ছেলের মতো এত দীর্ঘদেহী আর কেউ আছে বলে মনে হয় না। গত কয়েক বছর ধরে ওর মাপে পোশাক খুঁজতে গিয়ে আমাদের নাভিশ্বাস উঠছে।” ​মধ্যবিত্ত এই পরিবারের পক্ষে ছেলের জন্য পোশাক বানিয়ে নেওয়াও এক বড় চ্যালেঞ্জ। দর্জির কাছে গেলে কাপড়ের ‘ডবল সিট’ কিনতে হচ্ছে, তার উপর আকাশছোঁয়া মজুরি। অলোকবাবুর কথায়, অনলাইন শপিংয়ের যুগে এখন দক্ষ দর্জির সংখ্যা এমনিতেই কম, আর যাঁরা আছেন তাঁদের কাছেও পুজোর আগে ব্যাপক ব্যস্ত। ফলে অর্ডার দিলেও পুজোর আগে পোশাক হাতে পাওয়া নিয়ে ঘোর অনিশ্চয়তা রয়েছে।

​তবে এই তীব্র উদ্বেগের মাঝে আশার আলো দেখাচ্ছেন স্থানীয় পোশাক ব্যবসায়ী গণপতি হীরা। তিনি আশ্বাস দিয়েছেন, অঙ্কনের সঠিক মাপ নিয়ে কারখানা থেকে বিশেষ অর্ডারে পুজোর আগেই পোশাক আনিয়ে দেবেন। গণপতিবাবু জানান, “এর আগেও আমি ছেলেটির জন্য বাইরে থেকে বিশেষ মাপের পোশাক আনিয়ে দিয়েছি। আশা করছি এবারও সময়মতো ওর পছন্দের পোশাক এনে দিতে পারব।”

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.