মাঠে কাজ করতে করতে বিস্কুট খেয়েছিলেন। তা খাওয়ার পরই গলায় অস্বস্তি শুরু হয় পূর্ব বর্ধমানের হাটশিমুল এলাকার বাসিন্দা প্রকাশ চৌধুরী। পরে পরীক্ষা করতেই ধরা পড়ে, তাঁর গলায় লোহার তার জাতীয় বস্তু আটকে রয়েছে। বড় বিপদের আশঙ্কা ছিল। তবে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসকদের দক্ষতায় শেষমেশ রক্ষা পেলেন তিনি। জটিল অস্ত্রোপচার করে সেই বস্তুটি প্রকাশবাবুর গলা থেকে সফলভাবে লোহার তারের টুকরো বের করলেন বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজের চিকিৎসকরা।
বছর সাতচল্লিশের প্রকাশ চৌধুরী বর্ধমান শহর লাগোয়া হাটশিমুল এলাকার বাসিন্দা। চিকিৎসকরা জানান, মাঠে কাজ করার সময় ‘লম্বু’ জাতীয় বিস্কুট খাওয়ার পর থেকেই তাঁর গলায় কিছু আটকে থাকার মতো অস্বস্তি শুরু হয়। প্রথমে বিষয়টিকে গুরুত্ব দেননি। ভেবেছিলেন, গলায় কিছু আটকে গেলে নিজে থেকেই বেরিয়ে যাবে। কিন্তু অস্বস্তি না কমায় চারদিন পর, মঙ্গলবার তিনি বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে যান ডাক্তার দেখাতে।
আরও পড়ুন:
ইএলটি বিভাগের চিকিৎসকরা প্রথমে এক্স-রে করেন। দেখা যায়, প্রকাশবাবুর গলার ভিতরে কিছু একটা আটকে রয়েছে। এরপর এন্ডোস্কোপি করে পরীক্ষা করা হয়, কিন্তু সেখানে কোনও তারের টুকরো দেখা যায়নি। তখন চিকিৎসকদের অনুমান হয়, বস্তুটি খাদ্যনালী ফুঁড়ে অন্য কোথাও সরে গিয়ে থাকতে পারে। এরপর বুধবার অস্ত্রোপচারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজের নাক-কান-গলা বিভাগের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ঋতম রায় জানান, অস্ত্রোপচারের সময় দেখা যায় বস্তুটি খাদ্যনালী ফুঁড়ে বেরিয়ে গিয়ে মেরুদণ্ডের হাড় (ভার্টিব্রা) ও খাদ্যনালীর মাঝখানে আটকে ছিল। অসংখ্য স্নায়ু ও গুরুত্বপূর্ণ শিরার মাঝখান থেকে অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে সেটি সফলভাবে বের করে আনা হয়েছে। বর্তমানে রোগীর শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল। বর্তমানে রোগী সুস্থ রয়েছেন। বড় বিপদ থেকে রক্ষা পাওয়ায় চিকিৎসকদের কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন তিনি।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
নতুন তৃণমূল আত্মপ্রকাশের পরদিনই সন্দীপনের বাড়িতে বিক্ষোভ, কাটমানি-তোলাবাজিতে সরব বিজেপি
-
আরজিকর কাণ্ড এবার বড়পর্দায়, পরিচালনায় শঙ্কুদেব পণ্ডা, ‘অভিশপ্ত’ আগস্টেই শুরু শুটিং
-
বিশ্বজয়ের ৩ মাসের মধ্যে অধিনায়কত্ব যাচ্ছে সূর্যকুমারের, নেতৃত্বের দৌড়ে আপাতত ৩
-
দিল্লির পর বিহার, বিধ্বংসী আগুন হাসপাতালে, ঝলসে মৃত অন্তত ৪
-
কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা প্রত্যাহার হুমায়ুনের, অধীর, নওশাদের উদাহরণ তুলে আদালতে যাচ্ছেন এজেইউপি নেতা