BREAKING NEWS

১২ আশ্বিন  ১৪২৭  বুধবার ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

পাড়ায় কারও আচরণ সন্দেহজনক মনে হলে জানান পুলিশকে, পরামর্শ পার্থর

Published by: Sangbad Pratidin Digital |    Posted: December 11, 2017 3:38 am|    Updated: September 20, 2019 12:43 pm

An Images

পলাশ পাত্র, তেহট্ট: রাজ্যে যাতে জঙ্গিরা অনুপ্রবেশ করতে না পারে, এই বিষয়ে দলীয় কর্মীদের সতর্ক থাকার নির্দেশ দিলেন রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। নদিয়ার তেহট্ট মহকুমায় প্রায় আট কিলোমিটার এলাকা অরক্ষিত। সেদিকে বিশেষ নজর দেওয়ার কথা বলে গেলেন তৃণমূল কংগ্রেসের এই শীর্ষ নেতা।

প্রসঙ্গত, রাজ্যের সীমান্ত নিরাপত্তা নিয়ে ক’দিন আগেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিং জরুরি বৈঠক করেন। তারই পরিপ্রেক্ষিতে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের এই বক্তব্য যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। এক প্রশ্নের উত্তরে পার্থবাবু বলেন, ‘রাজ্য প্রশাসন এই বিষয়ে সতর্ক। প্রয়োজনে কেন্দ্রের সাহায্য নিয়ে সীমান্তবর্তী এলাকাগুলিতে আরও বেশি সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। এই নিয়ে দলীয় বৈঠকেও আমরা আলোচনা করেছি।’

[রাজস্থানের ঘটনা এখানে হলে বিজেপি নেতাকে পুড়িয়ে মারতাম: অনুব্রত]

সীমান্তবর্তী এলাকা যেখানে এখনও কড়া পাহারার ব্যবস্থা নেই সেখানে জঙ্গি কার্যকলাপ রুখতে সরকার আরও বেশি নজর দেবে বলে আশ্বাস দেন পার্থবাবু। বলেন, ‘মুখ্যমন্ত্রী রোজ প্রচার করছেন। প্রশাসন প্রচার করছে। এলাকায় যদি নতুন লোক আসে, আগন্তুক আসে, তাদের দেখে যদি সন্দেহজনক মনে হয়, তাহলে পুলিশকে খবর দিন।’ এই সতর্কতা দলের ক্ষেত্রেও থাকবে বলে জানান তিনি। কদিন আগে এক জনসভায় কাঁটাতারহীন এলাকায় জমি সমস্যা মেটাতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিংকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জমির মালিকদের কাছ থেকে সরাসরি জমি কেনার জন্য প্রস্তাব দেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তাতে সম্মতিও দেন বলে সূত্রের খবর। ঘটনা প্রসঙ্গে নদিয়া জেলাশাসক সুমিত গুপ্তা বলেন, ‘জমি কেনার একটা প্রক্রিয়া চলছেই।’

[সরকার পাঠাচ্ছে খাদ্যসামগ্রী, কোন চক্র উধাও করছে রেশনের চাল-গম?]

গোয়েন্দা ও বিএসএফ সূত্র জানাচ্ছে, মায়ানামার হয়ে বাংলাদেশ দিয়ে ভারতে রোহিঙ্গা বা জেএমবি-র মতো জঙ্গিরা অনুপ্রবেশ করতে পারে। প্রসঙ্গত, কয়েক বছর আগে করিমপুর থানার বারবাকপুরে থাকত বর্ধমান বিস্ফোরণ-কাণ্ডে নিহত জঙ্গি শাকিল গাজী। নদিয়ার হোগলবেড়িয়া থানার পদ্মা নদীর ধারে কাছারিপাড়া, চেচানিয়া, মধুগারি, বাউসমারি নিয়ে প্রায় ছয় কিলোমিটার এলাকা কাটাতারহীন। এছাড়া মুরুটিয়া থানার শিকারপুর, কুঠির পাড়াতেও প্রায় পৌনে দুই কিলোমিটার এলাকা অরক্ষিত। গত কয়েকদিন ধরে সীমান্ত এলাকায় বিএসএফের রুটিন তল্লাশি অভিযান চলছে। নজরদারি তীব্র করা হয়েছে হয়েছে পুলিশ ও প্রশাসনের পক্ষ থেকেও। রবিবারের দলীয় বৈঠকে মন্ত্রী উজ্জ্বল বিশ্বাস সীমান্ত নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। বলেন, ‘সীমান্তে একটা সমস্যা রয়েছে। কাটাতারহীন এলাকায় উস্কানিমূলক প্রচার চলছে। যাতে সীমান্ত সমস্যা বাড়ছে। আমরা দলীয় ভাবে নজর রাখছি।’

[ঘিতে মিশছে রাসায়নিক-চর্বি, কীভাবে ভেজাল ধরবেন?]

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement