Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬

রাজনৈতিক স্বার্থে সেনার ব্যবহার লজ্জাজনক, তোপ পার্থর

এর উত্তর জানতে চেয়ে মুখ্যসচিব কেন্দ্রকে চিঠি দিয়েছে বলেও জানান তিনি।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২৯, ২০১৯, ১২:৩৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২৯, ২০১৯, ১২:৩৪

options
link
রাজনৈতিক স্বার্থে সেনার ব্যবহার লজ্জাজনক, তোপ পার্থর zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: রাজ্যে সেনা মোতায়েনের প্রতিবাদে সরব হয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পাল্টা তোপ দেগে কেন্দ্রর তরফে জানানো হয়েছিল, সেনাকে অপমান করে সংকীর্ণ রাজনীতি করছেন মুখ্যমন্ত্রী। এদিন নবান্ন থেকে তার জাবাব দিলেন মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। জানালেন, রাজনৈতিক স্বার্থে মোদি সরকার যেভাবে সেনাবাহিনীর ব্যবহার করছে তা লজ্জাজনক।

রাজ্যের বিভিন্ন টোলপ্লাজায় সেনা মোতায়েন নিয়ে বৃহস্পতিবারই কেন্দ্রের বিরুদ্ধে তোপ দাগেন মমতা। এমনকী রাতভর তিনি নবান্নেই ছিলেন। রাজ্যের প্রধান সচিবালয়ের পাশে সেনার অবস্থান কোনওভাবেই বরদাস্ত করেননি তিনি। তাঁর অভিযোগ ছিল, রাজ্যকে অন্ধকারে রেখেই এই কাজ করা হচ্ছে। এবং তার কোনও যুক্তিগ্রাহ্য ব্যাখ্যা দেওয়া হচ্ছে না। শুক্রবার এ প্রসঙ্গ উঠে আসে সংসদেও। তখনই কেন্দ্রের তরফে সেনার রুটিন চেক আপ নিয়ে সংকীর্ণ রাজনীতির অভিযোগ তোলা হয়। এদিন কেন্দ্রর এই দাবি নস্যাৎ করেছেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়। তাঁর দাবি, এভাবে সেনা মোতায়েন করা অসংবিধানিক। মোদি সরকার রাজনৈতিক স্বার্থে এই কাজ করছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। যে সেনা দেশের জন্য প্রাণ দেয় তাঁদেরকে এমন কাজে ব্যবহার করা অনুচিত বলেও মনে করেন তিনি। এদিন সাংবাদিক সম্মেলনে তাঁর প্রশ্ন, রাজ্যে কী এমন পরিস্থিতি হল যে, সেনা মোতায়েন করতে হল। কেনই বা তা জানানো হল না রাজ্যকে। এর উত্তর জানতে চেয়ে মুখ্যসচিব কেন্দ্রকে চিঠি দিয়েছে বলেও জানান তিনি।

Advertisement

আজও রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় সেনা মোতায়েন রয়েছে। তবে সেনার তরফে বারবার করে জানানো হচ্ছে, রুটিনমাফিক এই চেক আপ অন্যান্য রাজ্যেও চলছে। এ রাজ্যেও চলবে। তবে এ নিয়ে রাজ্য-কেন্দ্র সংঘাত এখন চরমে তা বলাই বাহুল্য।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.