Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Partharpratima

পাথরপ্রতিমা বিস্ফোরণে গ্রেপ্তার কারখানা মালিক চন্দ্রকান্ত, দেড়দিন পরও বেপাত্তা ভাই তুষার

মঙ্গলবার সকালে চন্দ্রকান্তকে আটক করেছিল পুলিশ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২, ২০২৫, ১০:৫১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২, ২০২৫, ১০:৫১

options
link
পাথরপ্রতিমা বিস্ফোরণে গ্রেপ্তার কারখানা মালিক চন্দ্রকান্ত, দেড়দিন পরও বেপাত্তা ভাই তুষার zoom

সুরজিৎ দেব, ডায়মন্ড হারবার: পাথরপ্রতিমা বিস্ফোরণ ও প্রাণহানির ঘটনায় গ্রেপ্তার কারখানা মালিক চন্দ্রকান্ত বণিক। মঙ্গলবার সকালে তাকে আটক করেছিল পুলিশ। দিনভর জেরার পর গভীর রাতে গ্রেপ্তার করা হয় তাকে। এখনও পলাতক ধৃতের ভাই তুষার বণিক। তাঁর খোঁজ চলছে।

দিন কয়েকের মধ্যে এলাকায় বাসন্তী পুজো রয়েছে। সেই উপলক্ষে সোমবার রাতে পাথরপ্রতিমার ঢোলাহাট থানা এলাকার বাসিন্দা চন্দ্রকান্ত বণিকের বাড়িতে বেআইনিভাবে বাজি তৈরি হচ্ছিল বলেই পুলিশ সূত্রে খবর। রাত ন’টা নাগাদ আচমকাই বাজির স্তূপে আগুন ধরে যায়। তা থেকেই বিপত্তি। জানা গিয়েছে, বাড়িতে একাধিক গ্যাস সিলিন্ডার রাখা ছিল। আগুনের তাপে সেগুলি ফাটতে শুরু করে। বিকট শব্দে কেঁপে ওঠে গোটা এলাকা। দাউদাউ করে জ্বলতে থাকে গোটা বাড়ি। বাজি তৈরির সময় বাড়ির শিশুরা ঘুমোচ্ছিল। মহিলারাও তাদের সঙ্গেই ছিল। আচমকা বিস্ফোরণ ঘটায় বাড়িতে থেকে কেউ বেরতে পারেননি। জীবন্ত অবস্থায় অগ্নিদগ্ধ হন পরিবারের অধিকাংশ সদস্যই। রাতেই শিশু-সহ ৭ জনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করে পুলিশ। একজনকে পাঠানো হয় হাসপাতালে। ভোররাতে মৃত্যু হয় আরও একজনের।

Advertisement

ঘটনার পর থেকেই বেপাত্তা ছিলেন কারখানার দুই মালিক চন্দ্রকান্ত বণিক ও তুষার বণিক। মঙ্গলবার সকালে চন্দ্রকান্তকে আটক করে পুলিশ। দিনভর জেরার পর তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে এখনও বেপাত্তা তার ভাই তুষার। তার খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ। উল্লেখ্য, বিস্ফোরণের পর থেকে কারখানার আদৌ লাইসেন্স ছিল কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছিল। মঙ্গলবার সাংবাদিক বৈঠক করে এডিজ, দক্ষিণবঙ্গ সুপ্রতিম স্পষ্ট জানান, ১০ বছর ধরে এই কারখানা চলছিল। তবে তার কোন ধরনের লাইসেন্স ছিল, তা তদন্তের ব্যাপার। তিনি এও জানান, বাড়ি বাড়িতে এত নজরদারি সম্ভব নয়, মানুষের ন্যূনতম সচেতনতাও তৈরি হয়নি। তবে এই ঘটনার পর থেকে বাজি তৈরির কারখানা নিয়ে সতর্কতামূলক পদক্ষেপ নিতে চলেছে পুলিশ।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.