Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ১৪ আগস্ট ২০২৬
Zeenat

ছত্তিশগড়েও ঘুরে এসেছে জিনাত সঙ্গী! ঝাড়খণ্ড না বাংলা, নয়া ডেরা ঘিরে ধোঁয়াশা

জিনাত সঙ্গীর হাত ধরে খুলে গেল ৭০০ কিমি ব্যাঘ্র করিডর!

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৩১, ২০২৫, ০০:১৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৩১, ২০২৫, ০০:১৬

options
link
ছত্তিশগড়েও ঘুরে এসেছে জিনাত সঙ্গী! ঝাড়খণ্ড না বাংলা, নয়া ডেরা ঘিরে ধোঁয়াশা zoom
Advertisement

সুমিত বিশ্বাস, পুরুলিয়া: পালামৌ থেকে আগমন হলেও ছত্তিশগড়ও ঘুরে এসেছে জিনাত সঙ্গী! ছবি মিলেছে সেখানেও। ফলে জিনাত সঙ্গীর পদচারণায় তিন দশক আগের ৭০০ কিমি ব্যাঘ্র করিডর নতুন করে খুলে গেল। বলছে ঝাড়খণ্ডের পালামৌ ব্যাঘ্র প্রকল্প কর্তৃপক্ষ। পালামৌ টাইগার রিজার্ভের সহঅধিকর্তা প্রজেসকান্ত জেনা জানান, “বাংলায় পৌঁছে যাওয়া ওই বাঘটি পালামৌ টাইগার রিজার্ভ থেকেই গিয়েছে। তার এই পদচারণায় দীর্ঘদিন পর বাঘের পুরনো করিডর নতুন ভাবে খুলে গেল। এই বিস্তীর্ণ বাঘের পথ আমরা নজরদারিতে রাখছি।”

আর সেই নজরদারির কাজে অস্থায়ী শিবিরের পাশাপাশি এই করিডর জুড়ে বিপুলসংখ্যক ট্র্যাপ ক্যামেরা বসানো হবে বলেও ওই ব্যাঘ্র প্রকল্প কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা গিয়েছে। তবে এই জিনাত সঙ্গীকে কোন এলাকার বাঘ বলে চিহ্নিত করা হবে তা এখনও জানা যায়নি এনটিসিএ( ন্যাশনাল টাইগার কনজারভেশন অথরিটি)-র তরফে। দেখা যাচ্ছে, সর্বশেষ ২০২১-এর বাঘশুমারিতে জিনাত সঙ্গীর কোনও রেকর্ডই নেই! একই ভাবে ২০২৪ সালের মার্চ মাসে মধ্যপ্রদেশের সঞ্জয় ন্যাশনাল পার্কে একটি বাঘকে নতুনভাবে নথিভুক্ত করা হয়েছিল।
দেশের ব্যাঘ্র বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে কথা বলে জানা গিয়েছে, ২০২৪ সালের এপ্রিল মাসে ছত্তিশগড়ের বলরামপুর অর্থাৎ গুরু ঘাসিদাস ন্যাশনাল পার্ক এলাকাতে ট্র্যাপ ক্যামেরায় বন্দি হয়েছিল এই জিনাত সঙ্গী। তারপর অর্থাৎ ওই বছরের মে-জুন মাসে পালামৌতে ক্যামেরাবন্দি হয় সে।

Advertisement

২০২১-এর বাঘশুমারি অনুযায়ী ৬টি পুরুষ বাঘ এবং একটি বাঘিনী ছিল পালামৌ ব্যাঘ্র প্রকল্পে। যা মধ্যপ্রদেশ এবং ছত্তিশগড় থেকে সেখানে আসে বলে ওই ব্যাঘ্র প্রকল্প সূত্রে জানা গিয়েছে। অর্থাৎ মধ্যপ্রদেশের বান্ধবগড় টাইগার রিজার্ভ থেকে পালামৌ হয়ে একেবারে বাংলা- প্রায় ৭০০ কিলোমিটার একটি করিডর। যা জিনাত সঙ্গীর হাত ধরে ২০২৪-এর শেষে নতুনভাবে খুলে যায়।

আসলে মধ্যপ্রদেশে ব্যাপক হারে বাঘের সংখ্যা বাড়ছে। যারা চলে আসছে ছত্তিশগড়, ঝাড়খণ্ডে। সাধারণভাবে পাঁচ থেকে দশ কিমি ব্যাসার্ধ জুড়েই একটি বাঘের টেরিটরি থাকে। কিন্তু ভবঘুরে জিনাত সঙ্গীর পদচারণায় ৭০০ কিমি ব্যাঘ্র করিডর খুলে যাওয়ায় খুশি বাঘ বিশেষজ্ঞরা। তবে এই জিনাত সঙ্গীকে পালামৌ টাইগার রিজার্ভের সদস্য হিসাবে মানতে চাইছেন না তাঁরা। প্রায় একই কথা ছত্তিশগড়েরও। এদিকে বাংলায় কোনও সময় যদি বাঘটিকে বন্দি করতে হয় তাহলে তার গলায় রেডিও কলার পরানো হবে বলে অরণ্য ভবন সূত্রে জানা গিয়েছে। রাজ্যের মুখ্য বনপাল (পশ্চিম চক্র) সিঙ্গরম কুলানডাইভেল বলছেন, “ওই রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার সবসময় মানুষকে এড়িয়ে যাচ্ছে। কোন ক্ষতি করছে না। তাই তার আচরণ দেখে আমরা বাঘবন্দি অভিযান বন্ধ রেখেছি। কখনও যদি তাকে বন্দি করতে হয় তাহলে আমরা তার গলায় রেডিও কলার পরাব।” ঝাড়খণ্ড বনবিভাগ সূত্রে জানা গিয়েছে, জিনাত সঙ্গী হয়তো দলমা রেঞ্জ এলাকাতেই রয়েছে।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.