Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ আষাঢ় ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ৭ জুলাই ২০২৬

নদিয়ার এই গ্রামের বাসিন্দাদের কীর্তি জানলে আপনিও গর্বিত হবেন

এমন অভ্যেস গোটা দেশের কাছেই দৃষ্টান্তমূলক।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৬, ২০১৯, ১৪:২১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৬, ২০১৯, ১৪:২১

options
link
নদিয়ার এই গ্রামের বাসিন্দাদের কীর্তি জানলে আপনিও গর্বিত হবেন zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সিনেমা হলে ছবি শুরুর আগে জাতীয় সংগীতের জন্য ৫২ সেকেন্ড দাঁড়াতে অনেকেই বিরক্তি বোধ করেন। যা নিয়ে এখনও তর্ক-বিতর্ক চলছে। কিন্তু জানেন কি, এ রাজ্যেই এমন একটি গ্রাম আছে যেখানকার বাসিন্দারা প্রতিদিন জাতীয় সংগীতের জন্য উঠে দাঁড়ান নিয়ম করে?

সপ্তাহের ছুটির দিন বাদ দিয়ে প্রতিদিন সকাল ১০টা ৫০ মিনিটে সব কাজ ছেড়ে ৫২ সেকেন্ডের জন্য উঠে দাঁড়ান নদিয়ার অভয়নগর গ্রামের বাসিন্দারা। কিন্তু কেন? আসলে অভয়নগর গ্রামের একটি প্রাথমিক স্কুলে ঠিক ওই সময়ই লাউডস্পিকারে বেজে ওঠে জন-গণ-মন। আর তখনই পথচারী হোক কিংবা বাইকে সওয়ার যাত্রী কিংবা গেরস্থালির কাজে ব্যস্ত মহিলা, প্রত্যেকে নিজেদের হাতের কাজ ছেড়ে উঠে দাঁড়ান। বর্তমানে বিষয়টি একপ্রকার অভ্যেসেই পরিণত হয়েছে সেই এলাকার বাসিন্দাদের। যাতে বিন্দুমাত্র বিরক্তি বোধ করেন না কেউ।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[অব্যাহত মূর্তি ভাঙার রাজনীতি, কাটোয়ায় নেহরুর মূর্তিতে কালি]

ওই প্রাথমিক স্কুলের প্রধান শিক্ষক সফিকুল ইসলাম বলছেন, “এভাবেই স্কুলের পড়ুয়াদের এবং এলাকার মানুষদের মধ্যে দেশাত্মবোধকে ছড়িয়ে দিতে চাই আমরা। স্থানীয়দের আমরা অনুরোধ জানাই, ৫২ সেকেন্ডের জন্য অন্য কাজ ছেড়ে তাঁরাও যেন ছাত্রছাত্রীদের সঙ্গে জাতীয় সংগীতে গলা মেলায়। এমন প্রস্তাবে রাজি হয়ে গিয়েছিলেন সকলেই। তারপর থেকে নিয়মিত চলছে এটি।” স্কুলটির থেকে ১০০ ফুট দূরে লাউডস্পিকারটি লাগানো রয়েছে। যার শব্দ গোটা গ্রামেই ছড়িয়ে পড়ে। ২৬ বছরের চম্পা বিবি বলছেন, “আগে দুই মেয়েকে স্কুলে ছেড়ে দিয়ে বাড়ি ফিরে আসতাম। কিন্তু মেয়েরা এখন বলে জাতীয় সংগীত হয়ে গেলে ফিরতে। তারপর থেকে ওই সময় জন-গণ-মন গাওয়া অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। স্কুলের এমন উদ্যোগ সত্যিই প্রশংসনীয়।” নরসিনা বিবি আবার বলছেন, “ওই সময়ে আমি সাধারণত রান্না ঘরে থাকি। জাতীয় সংগীত শুরু হলে উঠে দাঁড়াই।”

আরও কয়েকটি লাউডস্পিকার লাগানোর চেষ্টা করছেন প্রধান শিক্ষক। যাতে জাতীয় সংগীত আরও দূর পর্যন্ত ছড়িয়ে দেওয়া যায়। তেহট্ট গ্রাম পঞ্চায়েতের এক সদস্য জানাচ্ছেন, গ্রামের অধিকাংশ মানুষই শিক্ষার আলো পাননি। তা সত্ত্বেও তাঁরা যেভাবে বিষয়টিতে সাড়া দিয়েছেন, তা গোটা দেশের কাছেই দৃষ্টান্তমূলক।

[লক্ষাধিক টাকা মুক্তিপণ চেয়ে অপহরণ, জয়নগরে ধৃত ৩]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.