Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ১১ জুন ২০২৬
অপুষ্টি

বাংলায় ক্রমশই কমছে অপুষ্টি, দাবি রাজ্য সরকারের

ইউনিসেফের দাবি, অপুষ্টির হার কমলেও চিন্তার কারণ অতিপুষ্টি।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ৩, ২০১৯, ১০:৪৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ৩, ২০১৯, ১০:৪৩

options
link
বাংলায় ক্রমশই কমছে অপুষ্টি, দাবি রাজ্য সরকারের zoom

স্টাফ রিপোর্টার: অপুষ্টির ভার কমছে এ রাজ্যে। ২০১১-র আগে এ রাজ্যের একশোটা বাচ্চার মধ্যে ৩৪ টি বাচ্চা অপুষ্টির শিকার ছিল। আর এখন? একশোজনের মধ্যে মাত্র আট জন অপুষ্টিতে ভুগছে। এমনটাই জানালেন রাজ্যের শিশু ও নারী কল্যাণ মন্ত্রী ডা. শশী পাঁজা। তাঁর পর্যবেক্ষণ, অপুষ্টিতে ভোগা শিশুদের কাছে পৌঁছানোর চেষ্টা করছে রাজ্য। অন্য রাজ্যের তুলনায় এখানে অপুষ্টির বিরুদ্ধে লড়াই অনেক বেশি জোরদার। কম ওজন বিশিষ্ট শিশুর সংখ্যা কমছে। সপ্তাহে একদিন সুপুষ্টি দিবস বা অন্নপ্রাশন দিবস পালিত হচ্ছে অঙ্গনওয়াড়িতে। কোনও পরিবারে অপুষ্টির শিকার হওয়া শিশু থাকলে তাদের একশো দিনের কাজে বেশি কাজ দেওয়া হচ্ছে। অঙ্গনওয়ারি থেকে বাড়িতে খাবার যাচ্ছে।
শুক্রবার ইউনিসেফের তরফে গ্লোবাল র্পোর্ট প্রকাশ করা হয়। এবারের থিম ‘খাদ্য ও পুষ্টি’। অপুষ্টির পাশাপাশি অতিপুষ্টির সমস্যার কথাও তুলে ধরা হয়েছে রিপোর্টে। একদল কম খাচ্ছে বা পুষ্টিকর খাবার পাচ্ছে না। আর অন্য দল জাঙ্ক ফুডে ডুবে আছে। এটা ঠিক, আগের থেকে অপুষ্টির হার কমেছে। এখন ‘আরলি চাইল্ডহুড ডেভেলপমেন্ট’ বা শিশুর বুদ্ধির বিকাশ অগ্রাধিকার পাচ্ছে। ইউনিসেফের স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ কনীনিকা মিত্র। জানালেন, শুধু বেঁচে থাকা নয়, বাচ্চার সার্বিক বিকাশের কথা মাথায় রেখে প্রকল্প গ্রহণ করছে কেন্দ্র। আগে বাচ্চাকে বাঁচিয়ে রাখাই ছিল সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। যেহেতু এখন শিশুমৃত্যুর হার কমেছে তাই এখন ‘ব্রেন ডেভেলপমেন্ট’ নিয়ে ভাবা হচ্ছে। কখন বাচ্চা হাঁটবে, কখন বাচ্চা কথা বলবে সবটাই উল্লেখ রয়েছে ‘মাদার অ্যান্ড চাইল্ড প্রোটেকশন কার্ড’-এ।

[আরও পড়ুন: অনুষ্ঠান করতে যাওয়ার সময় দুর্ঘটনা, গুরুতর জখম সারেগামাপা খ্যাত শিল্পী]

অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রগুলিকে আরও বেশি শিশুবান্ধব করা হচ্ছে। টিকাকরণের হারও অনেক বেড়েছে রাজ্যে। মন্ত্রী জানান, কন্যাশ্রীর দৌলতে দ্বিতীয় পর্যায়ের ড্রপ আউট কমছে। আঠারোর আগে বিয়ে দেওয়ার চেষ্টা হলে মেয়েরাই থানায় গিয়ে অভিযোগ দায়ের করে বিয়ে আটকাচ্ছে। তবে ভাবাচ্ছে অন্য একটা বিষয়, গ্রামেও স্থূল শিশুর সংখ্যা বাড়ছে। শিশুরা চানাচুর, চিপস খাচ্ছে। মেবাইলে গেমস খেলা বাড়ছে। অভিভাবকরা নিজেদের সুবিধার জন্য বাচ্চার হাতে মোবাইল হাতে ধরাচ্ছে। তার জেরে স্থূলতার সমস্যা।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement
ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.