Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৭ আষাঢ় ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ১৩ জুলাই ২০২৬

গরম করতেই পোড়া গন্ধ, এবার প্লাস্টিক দুধের আতঙ্ক বালুরঘাটে

গোয়ালার কাছ থেকেই কেনা হয়েছিল দুধ। তারপর...

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২৬, ২০১৮, ১২:৩৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২৬, ২০১৮, ১২:৩৬

options
link
গরম করতেই পোড়া গন্ধ, এবার প্লাস্টিক দুধের আতঙ্ক বালুরঘাটে zoom

রাজা দাস, বালুরঘাট: প্লাস্টিক ডিম, প্লাস্টিক চালের পর এবার প্লাস্টিক দুধ। বাজারে নয়া আতঙ্ক হয়ে দাঁড়িয়েছে এই প্লাস্টিক দুধ। যার নমুনা সম্প্রতি পেলেন বালুরঘাট পুরসভার প্রাচ্য ভারতী এলাকায় বাসিন্দা আদিত্যশংকর রায়।

রোজকার মত গোয়ালার কাছ থেকে লিটার খানেক দুধ নিয়েছিলেন বালুরঘাট পুরসভার প্রাচ্য ভারতী এলাকায় বাসিন্দা আদিত্যশংকর রায়ের পরিবার। গরম করতে গিয়েই ধীরে ধীরে জমাট বেঁধে রাবারের মতো হয়ে যায় দুধ। সন্দেহ হওয়ায় তা আগুনে ধরেন তাঁরা। আগুনের সংস্পর্শে আসতে না আসতেই তা গলতে গলতে প্লাস্টিক পোড়ার মতো দুর্গন্ধ বেরতে থাকে। জানাজানি হতেই ছুটে আসেন উৎসাহী পড়শিরা। নিমেষে ছড়িয়ে পরে প্লাস্টিক দুধের আতঙ্ক।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[মালদহে মর্মান্তিক দুর্ঘটনা, গাড়ি-ডাম্পারের সংঘর্ষে ৫ জনের মৃত্যু]

তবে এই প্রথম নয়, মাস চারেক আগে একবার এমন আতঙ্ক ছড়িয়েছিল বালুরঘাট শহরেই। সেবার জেলা স্বাস্থ্য দপ্তরের এক কর্মী বালুরঘাট বড় বাজারের দুধ পট্টি থেকে কিনে এনে  একই ঘটনার শিকার হয়েছিলেন। তবে প্যাকেট দুধ নয়, খোলা বাজারের দুধে ভেজাল হওয়ার আশঙ্কা ছিল সবমহলে। এর আগেই অবশ্য নড়েচড়ে বসেছিল জেলা খাদ্য সুরক্ষা দপ্তর। এমন দুধের নমুনা সংগ্রহ করে ল্যাবে পাঠানো হয়েছিল। প্লাস্টিক বা ওই জাতীয় কিছু না মিললেও ভেজাল হিসেবে চিহ্নিত হয় ওই দুধের নমুনা। ইউরিয়া ও স্টার্চ মেশানোর বিষয় সামনে আসে। জরিমানা করা হয়েছিলো দুধ বিক্রেতাকে। তবে এবার আদিত্য শংকর বাবুর বাড়ির দুধটি আসলে কী? তা জানার চেষ্টা করছে বালুরঘাট পুরসভার সংশ্লিষ্ট বিভাগ।

[মায়ের কাপড় নিয়ে খেলতে খেলতে গলায় ফাঁস, মৃত্যু শিশুকন্যা]

জানা গিয়েছে, বালুরঘাট বড় বাজারে রয়েছে একটি দুধ পট্টি। বাড়ি বাড়ি থেকে সংগ্রহ করা ড্রামে ভরতি করে দুধ আসে এই পট্টিতে। সকাল থেকে গোয়ালা ও ব্যবসায়ীরা ওই বাজারের পাশাপাশি বাড়ি বাড়ি দুধ বিক্রয় করেন। এইরকম একজন গোয়ালার কাছ থেকেই লিটার খানেক দুধ নিয়েছিলেন পেশায় সরকারি কর্মচারী আদিত্যশংকর রায়। পরিবারের সদস্য অরুণা রায় জানান, দুধ নষ্ট হয়ে গেলে ছানা হয়। এক্ষেত্রে পুরো উলটো। দুধ গরম করতেই তা দানা দানা হয়ে  যায়। যত লম্বা করা হয়,  ততই লম্বাটে হয়ে বাড়তে থাকে। এতেই প্লাস্টিক দুধের আতঙ্ক ছড়ায় তাদের মধ্যে। বিষয়টি বালুরঘাট পুরসভায় জানায় রায় পরিবার। পাশাপাশি জেলা খাদ্য সুরক্ষা দপ্তরের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেন তাঁরা। বালুরঘাট পুরসভার চেয়ারম্যান রাজেন শীল জানান, বিষয়টি তাদের কানে এসেছে। খাদ্য সুরক্ষা দপ্তরের এক্তিয়ারভুক্ত হলেও  তাঁরা খতিয়ে দেখবেন।

[জোড়া ঘূর্ণাবর্তের জেরে ছন্দে ফিরেছে বর্ষা, বৃষ্টি চলবে আরও ৩ দিন]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.