Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
Narendra Modi

‘তোষণের জন্য দুর্গাপুজোয় বাধা দেওয়া হয়’, হুগলির সভা থেকে পুরনো অস্ত্রে শান মোদির

'আর নয় অন্যায়, বাংলা আসল পরিবর্তন চায়', হুঙ্কার মোদির।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২১, ১৬:৫৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২১, ১৬:৫৬

options
link
‘তোষণের জন্য দুর্গাপুজোয় বাধা দেওয়া হয়’, হুগলির সভা থেকে পুরনো অস্ত্রে শান মোদির zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ‘সবকা বিকাশে’র বদলে তোষণের রাজনীতি চলছে বাংলায়। হুগলির সভা থেকে ফের পুরনো অস্ত্রে শান দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। অভিযোগ করলেন, বাংলায় দেশভক্তির পরিবর্তে ভোটব্যাংকের রাজনীতি চলছে। এই তোষণের জন্যই বাঁধা দেওয়া হয় দুর্গাপুজোয়। বঙ্কিমচন্দ্রের স্মৃতি বিজড়িত ‘বন্দে মাতরম’ ভবনের সংরক্ষণ করা হয় না।

বস্তুত, বাংলায় মমতা সরকারের বিরুদ্ধে বিজেপির মূল অস্ত্র যে মুসলিম তোষণ, তা এতদিনে গেরুয়া শিবিরের নেতাদের হাবেভাবে স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে। এর আগে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah) এসেও অভিযোগ করে গিয়েছেন, রাজ্যে ‘তুষ্টিকরণের’ রাজনীতির জন্য দুর্গাপুজোয় বাধা দেওয়া হয়। সোমবার হুগলির সভা থেকে প্রধানমন্ত্রীর কণ্ঠে সেই অভিযোগের প্রতিধ্বনি হল। তিনি বলে দিলেন, “বাংলায় দেশভক্তির পরিবর্তে ভোটব্যাংকের রাজনীতি চলছে। সবকা বিকাশের বদলে তোষণের রাজনীতি চলছে।” প্রধানমন্ত্রী বললেন, “এখানে বন্দে মাতরম ভবনের সঠিকভাবে সংরক্ষণ করা হয়নি। আর এর পিছনে আছে গভীর রাজনীতি, তুষ্টিকরণ। বাংলায় মা দুর্গার পুজো করলে বাধা দেওয়া হয়। মা দুর্গার বিসর্জনে বাধা দেওয়া হয়। ভোট ব্যাংকের জন্য নিজের সংস্কৃতিকে বিসর্জন দেওয়া, এই মানুষগুলোকে কেউ ক্ষমা করবে না। আমাদের সরকার এলে আপনারা আপনাদের রীতিনীতি নির্ভয়ে পালন করতে পারবেন। কেউ আপনাদের বাধা দিতে পারবে না।”

Advertisement

[আরও পড়ুন: তৃণমূল, বিজেপি সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পেলে জোটই সরকার গড়বে, প্রত্যয়ী বার্তা সূর্যকান্তর]

ডানলপ ময়দানের সভা থেকে মোদির ঘোষণা, “আমি আপনাদের আশ্বস্ত করছি, আমরা এমন এক সোনার বাংলা উপহার দিতে চাই, যেখানে সবার বিকাশ হবে, কারও তুষ্টিকরণ হবে না। এমন সোনার বাংলা, যা তোলাবাজি মুক্ত হবে, যে বাংলার প্রকৃত উন্নয়ন হবে। আমরা আসল পরিবর্তন চাই।” প্রত্যয়ী প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা করেছেন, “বাংলার মানুষ পরিবর্তন করার ব্যপারে মনস্থির করে ফেলেছেন। আমি নিশ্চিত, আমরা বাংলার কৃষক-শ্রমিক এবং এখানকার যুবকদের উজ্বল ভবিষ্যৎ দিতে পারব।” 

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.