Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Baruipur

তৎপর পুলিশ, তিন মাসের মধ্যেই খোয়া যাওয়া আড়াই কোটি ফিরে পেলে বারুইপুরের প্রৌঢ়

ঘটনাকে বড় সাফল্য বলে মনে করছেন পুলিশ আধিকারিকরা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২, ২০২৫, ২০:১৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২, ২০২৫, ২০:১৩

options
link
তৎপর পুলিশ, তিন মাসের মধ্যেই খোয়া যাওয়া আড়াই কোটি ফিরে পেলে বারুইপুরের প্রৌঢ় zoom
টাকা ফিরে পেলেন ওই প্রৌঢ়। নিজস্ব চিত্র

দেবব্রত মণ্ডল, বারুইপুর: ভুয়ো অনলাইন সংস্থায় বিনিয়োগ করে  আড়াই কোটি টাকা খুইয়েছিলেন এক ব্যক্তি। প্রতারণাচক্রের শিকার হয়েছেন বুঝতে পেতে পুলিশের দ্বারস্থ হয়েছিলেন। সেই তদন্তে নেমে সাফল্য পেলেন তদন্তকারীরা। শুধু তাই নয়, পুলিশি তৎপরতায় সব টাকা উদ্ধার হয়েছে। ওই ব্যক্তির কাছে ওই টাকা ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে। ঘটনাকে বড় সাফল্য বলে মনে করছেন পুলিশ আধিকারিকরা।

ভুয়ো অনলাইন সংস্থায় বিনিয়োগ করে ২ কোটি ৫৫ লাখ ৪২৭ টাকা খুইয়েছিলেন। প্রতারিত হয়েছেন বুঝে বারুইপুর সাইবার ক্রাইম থানায় অভিযোগ করেছিলেন নরেন্দ্রপুরের বাসিন্দা অমিতকুমার কুণ্ডু। তার দুই মাসের মাথায় খোয়া যাওয়া সব টাকা ফিরিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করল বারুইপুর পুলিশ জেলা। বুধবার সাংবাদিক বৈঠক করে পুলিস সুপার পলাশচন্দ্র ঢালি এই কথা জানিয়েছেন। তিনি বলেন, “৩১ জানুয়ারি এই নিয়ে আমরা অভিযোগ পেয়েছিলাম। তারপর বিভিন্ন প্রযুক্তি ও সূত্র মারফত খোঁজ করে মূল মাস্টারমাইন্ডকে চিহ্নিত করা হয়। প্রতারিত ব্যক্তি তাঁর খোয়া যাওয়া সব টাকা ফিরে পেয়েছেন।” এই টাকা উদ্ধার পুলিশ জেলার ইতিহাসে রেকর্ড বলে দাবি পদস্থ কর্তাদের।

Advertisement

জানা গিয়েছে, গত বছর সেপ্টেম্বর মাসে অনলাইনে একটি ইনভেসমেন্ট ওয়েবসাইটের খোঁজ পেয়েছিলেন। সেখানে ধাপে ধাপে টাকা বিনিয়োগ করতে শুরু করেছিলেন অমিতবাবু। গত পাঁচ মাস ধরে টাকা জমা করা হয় ওই সংস্থায়। ওই ওয়েবসাইটের দেওয়া নিয়ম অনুযায়ী, চড়া সুদে বিপুল পরিমাণ টাকা ফেরত পাওয়ার কথা ছিল তাঁর। কিন্তু সেটা না হওয়ায় প্রথমে সন্দেহ হয়েছিল অমিতবাবুর। এরপর তিনি বিনিয়োগ করা সব টাকা তোলার চেষ্টা করেন। কিন্তু সেই টাকা তিনি তুলতে পারেননি। সংস্থার থেকে কিছু বলাও হছিল না।

এরপরই সাইবার ক্রাইম থানার দ্বারস্থ হন তিনি। ঘটনার তদন্তে নেমে প্রথমে ৫৫ লক্ষ টাকা উদ্ধার করে পুলিশ৷ পরবর্তীকালে পর্যায়ক্রমে তদন্ত চালিয়ে আহমেদাবাদে একটি প্রতারণা চক্রের হদিশ পান তদন্তকারী অফিসাররা। জানা যায়, ওই প্রতারণা সংস্থার মাথায় রয়েছেন কে পিন নামে এক ব্যক্তি। সেই মতো ওই রাজ্যে হানা দেন বারুইপুরের সাইবার ক্রাইম থানার অফিসাররা। কিন্তু সেখানে গিয়ে তাঁরা জানতে পারেন, ওই মূল অভিযুক্ত পুনের একটি প্রতারণার ঘটনায় গ্রেপ্তার হয়েছে। এরপর পুণে পুলিশের সাহায্য নেওয়া হয়। ধৃতকে জিজ্ঞাসাবাদ করে টাকা উদ্ধার করে। সেই বাকি টাকা অমিতকুমার কুণ্ডুকে ফিরিয়ে দেওয়া হয়। টাকা ফিরে পেয়ে খুশি ওই ব্যক্তি।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.