৩ শ্রাবণ  ১৪২৬  শুক্রবার ১৯ জুলাই ২০১৯ 

Menu Logo বিলেতে বিশ্বযুদ্ধ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

অরিজিৎ গুপ্ত, হাওড়া: পুরনির্বাচনের দাবিতে হাওড়া কর্পোরেশন দখল অভিযান কর্মসূচি বিজেপি যুব মোর্চার৷ আর সেই কর্মসূচিকে কেন্দ্র করেই ধুন্ধুমার পরিস্থিতি পুরসভা চত্বরে৷ অভিযোগ, পুলিশের গার্ডরেল, ব্যারিকেড ভেঙে পুরসভার দিকে এগিয়ে তা দখলের চেষ্টা করেন বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা৷ তাঁদের সঙ্গে পুলিশের খণ্ডযুদ্ধ বেঁধে যায়৷ উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এলাকার পরিস্থিতি৷ তা সামাল দিতে জলকামান ব্যবহার এবং লাঠিচার্জ করতে বাধ্য হন পুলিশ কর্মীরা৷ ঘটনায় আহত হন বিজেপির বেশ কয়েকজন কর্মী-সমর্থক৷

[ আরও পড়ুন: এখনও নিখোঁজ জাদুকর, ম্যানড্রেকের খোঁজে গঙ্গাবক্ষে চলছে তল্লাশি ]

বিজেপির দাবি, বেশ কয়েক মাস আগে হাওড়া কর্পোরেশনের পুরবোর্ডের মেয়াদ শেষ হয়ে গেলেও, সেখানে নির্বাচন করাচ্ছে না রাজ্য সরকার৷ প্রথমে প্রশাসক বসিয়ে এবং তারপর বোর্ড অফ অ্যাডমিনিস্ট্রেটর তৈরি করে পুরসভার কাজ পরিচালনা করা হচ্ছে৷ এতে বহু ক্ষেত্রে ব্যাহত হচ্ছে পরিষেবা৷ প্রয়োজন অনুযায়ী পরিষেবা পাচ্ছেন না সাধারণ মানুষ৷ নিকাশি, রাস্তার অবস্থা বেহাল৷ওয়ার্ডে কাউন্সিলর না থাকায়, মিলছে না প্রয়োজনীয় সার্টিফিকেটও৷

তাই সোমবার পূর্বঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী পুরসভা দখল অভিযান করেন যুব মোর্চার কর্মীরা৷ তাঁদের অভিযোগ, শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভে হামলা করেছে পুলিশ৷ লাঠিচার্জ করা হয়েছে৷ জল কামান ব্যবহার করা হয়েছে৷ এতে আহত হয়েছেন তাঁদের বহু কর্মী-সমর্থক৷ অন্যদিকে শাসকদলের অভিযোগ, কর্পোরেশন দখল কর্মসূচির মাধ্যমে আসলে আইনশৃঙ্খলা বিঘ্নিত করার চেষ্টা করেছে বিজেপি৷ জানা গিয়েছে, বিজেপির এই কর্মসূচিকে ঘিরে সোমবার দুপুরে রণক্ষেত্র হয়ে ওঠে হাওড়া কর্পোরেশন চত্বর৷ পুরসভার গেট ভেঙে ভিতরে ঢোকার চেষ্টা করেন বিজেপি কর্মীরা৷ গার্ডরেল ও ব্যারিকেডের মাধ্যমে প্রথমে তাঁদের বাধা দিতে চেষ্টা করে পুলিশ৷ কিন্তু তাতেও পরিস্থিতির মোকাবিলা করা যায়নি৷ অবশেষে জলকামান ব্যবহারের নির্দেশ দেন আধিকারিকরা৷ চলে লাঠিচার্জ৷ এখনও এলাকার পরিস্থিতি বেশ থমথমে রয়েছে বলেই সূত্রের খবর৷

[ আরও পড়ুন: রমে অন্তর্দ্বন্দ্ব, বনগাঁর পুরপ্রধানকে পদত্যাগের নির্দেশ তৃণমূলের ]

প্রসঙ্গত, ৬৬ ওয়ার্ড বিশিষ্ট হাওড়া কর্পোরেশনে ৬২টি ছিল তৃণমূলের দখলে৷ দু’টি করে ওয়ার্ড ছিল বিজেপি ও সিপিএমের দখলে৷ কয়েকমাস আগেই মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়েছে হাওড়া কর্পোরেশনের৷ কিন্তু নির্বাচনের রাস্তায় না হেঁটে, পুরসভার কাজ পরিচালনার জন্য সেখানে প্রশাসক নিয়োগ করে রাজ্য সরকার৷ পুর প্রশাসক হিসাবে বসানো হয় ওই কর্পোরেশনেরই কমিশনার বিজিন কৃষ্ণকে৷ এর কয়েকমাস পর পুর প্রশাসককে সরিয়ে বোর্ড অফ অ্যাডমিনিস্ট্রেটর তৈরি করে রাজ্য৷ যার মাথায় বসানো হয় সেই পুর কমিশনারকে৷ সদস্য করা হয় রাজ্যের তিন মন্ত্রী, অরূপ রায়, রাজীব বিশ্বাস ও লক্ষ্মীরতন শুক্লাকে৷ এই বোর্ডই এখন কর্পোরেশনের কাজকর্ম দেখভাল করছে৷

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং