নিজস্ব সংবাদদাতা, বনগাঁ: প্রশাসনের কড়া নজরদারি সত্ত্বেও সীমান্তে বেআইনি পাচার অব্যাহত। বেআইনি পাচারের সময় বনগাঁ থেকে ৪ পাচারকারীকে গ্রেপ্তার করে বনগাঁ থানার পুলিশ। তাদের থেকে উদ্ধার করা হয়েছে ১০ টি গরু ও প্রায় ১০০ টি রামছাগল। পুলিশ সূত্রে খবর, ধৃতরা সকলেই ভারতের নাগরিক।
[পুরুলিয়ায় ‘রামভক্ত’দের পালটা তৃণমূলের ‘সংকটমোচন হনুমান দল’]
বরাবরই সীমান্ত থেকে চোরাচালানের রমরমা। ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত থেকে গরু পাচারের সময় প্রায়ই পুলিশের জালে ধরা পড়ে চোরা চালানকারীরা। বিষয়টি রুখতে কড়া পদক্ষেপ নিয়েছে প্রশাসন। তা সত্ত্বেও সম্পূর্ণভাবে আটকানো যাচ্ছে না পাচার। ফের পুলিশের জালে ৪ পাচারাকারী। সুত্রের খবর, শনিবার রাতে বনগাঁর সাতভাই কালীতলা এলাকা থেকে ট্রাক নিয়ে সীমান্তের দিকে যাচ্ছিলেন কয়েকজন যুবক। গোপন সূ্ত্রের খবরের ভিত্তিতে ট্রাকটিতে তল্লাশি চালায় বনগাঁ থানার পুলিশ। সেই ট্রাক থেকেই মিলেছে ১০টি গরু ও প্রায় একশোটি রামছাগল। ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে কুতুবুদ্দিন মণ্ডল, লিয়াকত মোল্লা, পিন্টু সাউ ও ইব্রাহিমকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। জিজ্ঞাসাবাদে জানা গিয়েছে, ধৃতদের মধ্যে একজন দেগঙ্গা, একজন বেলেঘাটা ও অপর দু’জন গোপালপুরের বাসিন্দা। বাইরে থেকে আনা রামছাগলগুলিকে বনগাঁর জোড়া ব্রিজ এলাকা হয়ে বাংলাদেশে পাচার করা হত বলে জানা গিয়েছে।
[গুলি-ধারালো অস্ত্রের কোপে ক্যানিংয়ে খুন তৃণমূল নেতা, কাঠগড়ায় বিজেপি]
প্রশ্ন উঠেছে তবে কি বাংলাদেশে পাচারের নতুন পণ্য রামছাগল? বর্তমানে কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের দমনপীড়ন নীতির কারণে সীমান্ত থেকে অবাধ গরু পাচারে বেশ কিছুটা ভাঁটা পড়েছে। যার প্রভাব পড়েছে সীমান্তের কালোবাজারি অর্থনীতির উপরেও।
সর্বশেষ খবর
-
লন্ডনে জোড়া ধর্ষণ কাণ্ডে পুলিশের জালে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ক্রিকেটার, শেষ কেরিয়ারও!
-
চার নয়, দু’সপ্তাহ সময় দিলেন স্পিকার! সাংসদ পদ ইস্যুতে আরও চাপে সুদীপ-কাকলিরা
-
ভিক্ষাপাত্র দমাতে পারেনি পড়াশুনোর অদম্য জেদ, স্টেশনেই বাড়ছে ‘দুর্গার বিদ্যাসাগর’
-
গাঁজার পর এবার মদ খেয়ে চালকের আসনে! ধরা পড়তেই সাসপেন্ড এয়ার ইন্ডিয়ার পাইলট
-
দলগত সরকারি নিয়োগে পক্ষপাতিত্বের শঙ্কা, কীভাবে গড়ব মুখোশহীন সমাজ?