স্টাফ রিপোর্টার: সুন্দরবনের জঙ্গলে জলদস্যু ও পুলিশের ধুন্ধুমার লড়াই। ঘন জঙ্গলে রাতভর দু’পক্ষের মধ্যে চলে গুলি বিনিময়। অবশেষে পুলিশি অভিযানের কাছে হার মানে জলদস্যুরা। পুলিশের জালে ধরা পড়ে জলদস্যুর একটি দল। খারাপ আবহাওয়ার সুযোগ নিয়ে পালিয়ে যায় এক জলদস্যু। তবে ওই দলের বাকি চারজনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। দুষ্কৃতীদের থেকে উদ্ধার হয়েছে বিপুল পরিমাণ আগ্নেয়াস্ত্র। ধৃত জলদস্যুরা বাংলাদেশি বলে জানাচ্ছে পুলিশ। উদ্ধার হয়েছে বাংলাদেশের একটি বোটও।
[দুই নাবালিকাকে পর্ন ভিডিও দেখানোয় যুবককে নগ্ন করে পেটাল জনতা]
গত কয়েকদিন যাবৎ সুন্দরবনের বেনিফিলির জঙ্গলে বাংলাদেশি কয়েক জন দূষ্কৃতী জড়ো হচ্ছে বলে খবর পায় পুলিশ। মঙ্গলবার সকালে এই খবর পাওয়া ইস্তক অভিযানের প্রস্তুতি শুরু করে দেয় পুলিশ। এই জলদস্যু দলের বিরুদ্ধে অভিযানে নামতে একটি বিশেষ দল তৈরি করেন বারুইপুর জেলা পুলিশ সুপার অরিজিৎ সিনহা। শুক্রবার রাতে সেই দল সুন্দরবনের বেনিফিলির জঙ্গলে অভিযান চালায়। পুলিশ সূত্রে খবর, জঙ্গলের ভিতরে ঘাঁটি গেড়েছিল এই জলদস্যুরা। পুলিশ সেখানে পৌঁছতেই তাদের লক্ষ্য করে এলোপাথাড়ি গুলি ছুড়তে শুরু করে দস্যুরা। পাল্টা গুলি চালায় পুলিশও। কয়েক ঘণ্টা রুদ্ধশ্বাস সড়াইয়ের পর হার মানে জলদস্যুরা। গ্রেপ্তার হয় ওই চার বাংলাদেশি। ধৃতদের নাম ইস্রাফিল গাজি, সইদুল গাজি, জিয়াউর রহমান গাজি ও মোমিন গাজি। এরা সকলেই বাংলাদেশের শ্যামনগর থানার ভেটখালির বাসিন্দার। ধৃতদের থেকে মোট সাতটি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার হয়েছে। যার মধ্যে পাঁচটি দো’নলা বন্দুক ও দুটি ওয়ান শটার পিস্তল। এছাড়া ১৪ রাউন্ড গুলি পাওয়া গিয়েছে ধৃতদের থেকে। পুলিশ সূত্রে খবর, অক্টোবর মাসে মাতলা নদীর সংলগ্ন হামলামারির জঙ্গল থেকে পাঁচ জন জলদসু্যর একটি দল ধরা পড়েছিল। উদ্ধার হয়েছিল একটি নৌকা ও বেশ কিছু আগ্নেয়াস্ত্র। তাদের জেরা করে এই দলটির সন্ধান পেয়েছে পুলিশ। জেলা পুলিশ সুপার অরিজিৎ সিনহা বলেন, “বেনিফিলির জঙ্গল থেকে ধৃত এই দলটি বহু অপহরণের ঘটনার সঙ্গে যুক্ত। জাহাজ লুট করার পাশাপাশি কারগো জাহাজের নাবিকদের অপহরণ করে মুক্তিপণ আদায় করত তারা। গ্রেফতারির পর অপরাধের কথা স্বীকার করেছে এই দুষ্কৃতীরা।” পুলিশ সুপার আরও জানান, “শুক্রবার রাতে অভিযান চলাকালীন এক দস্যু নদীতে ঝাঁপ দিয়ে পালিয়ে যায়। তার খোঁজে তল্লাশি চলছে।”
[কালিয়াচকে ধর্মীয় জলসায় গুলি চালানোর জের, ২ দুষ্কৃতীকে পিটিয়ে মারল জনতা]
পুলিশের এই অভিযানে বিশেষ দলের সঙ্গে ছিলেন কুলতলি ও মইপীঠ থানার পুলিশও। আজ শনিবার এই চার জলদস্যুকে বারুইপুর মহকুমা আদালতে পেশ করে নিজেদের হেফাজতে নেওয়ার আবেদন জানায় পুলিশ।
সর্বশেষ খবর
-
‘বাংলায় সব সম্পদ আছে’, শিল্পপতিদের বিনিয়োগের আহ্বান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর
-
বৈভবের অভিষেকেও এল না জয়, ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে সিরিজে পিছিয়ে পড়ল ভারত
-
রাস্তা তৈরিতে এবার ব্যবহার হবে ‘ম্যাস্টিক অ্যাসফল্ট’! বড় উদ্যোগ সিকিম সরকারের
-
ভাড়াবাড়িতে ভাগ্নের সঙ্গে লিভ ইন! ‘খুন’ করে ট্রেন লাইনে ঝাঁপ মামির, জোড়া দেহ উদ্ধার বসিরহাটে
-
ম্যাচ জিতে মেসি জড়িয়ে ধরতেই চুমু সাংবাদিক সোফির! শুরু সম্পর্ক নিয়ে গুঞ্জন