BREAKING NEWS

৪ আশ্বিন  ১৪২৭  সোমবার ২১ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

জেলায় জেলায় হ্যাচারি, কমছে মাছের দাম

Published by: Sangbad Pratidin Digital |    Posted: June 16, 2016 3:23 pm|    Updated: June 16, 2016 3:23 pm

An Images

স্টাফ রিপোর্টার: রুই-কাতলার পাশাপাশি পুঁটি, চিংড়ি, বেলে, মৌরলার মতো ছোট মাছের জোগান বিপুল পরিমাণ বৃদ্ধির জন্যও জেলায় জেলায় সরকারি হ্যাচারি চালু করছে রাজ্য সরকার৷ একই সঙ্গে ৮০টি মৎস্য সমবায়ের মাধ্যমেও বড় মাছ চাষের জোগান বাড়িয়ে খুচরো বাজারে দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে মৎস্য দফতর৷ বুধবার সল্টলেকের নলবন ফুড পার্কে মৎস্য সংরক্ষণের আধুনিকতম পরিষেবার উদ্বোধনে একথা জানিয়েছেন রাজ্যের মৎস্যমন্ত্রী চন্দ্রনাথ সিংহ৷
ছোট মাছের চাষ বৃদ্ধিতে জোর দেওয়া প্রসঙ্গে মৎস্যমন্ত্রী বলেন,“হৃদরোগী থেকে ডায়াবেটিস আক্রান্ত সবাইকে চিকিৎসকরা এখন ছোট মাছ খেতে বলছেন৷ তাই বাজারেও ছোট মাছের চাহিদা বাড়ছে৷” দফতরের উদ্যোগে আট টনের ক্ষমতাসম্পন্ন -২০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ফ্রিজ এবং গোলতলা ও নলবন ফিশারিজ এলাকায় দু’টি হাইমাস্ট আলোর উদ্বোধন করেন পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম৷ গত পাঁচ বছরে রাজ্যে মৎস্য উৎপাদন প্রায় দ্বিগুন বেড়েছে বলে উল্লেখ করে পুরমন্ত্রী জানান, “নগরোন্নয়নের স্বার্থে জলাভূমি সংরক্ষণে মৎস্য দফতর উল্লেখযোগ্য ভূমিকা নিচ্ছে৷ আর ‘মাছে-ভাতে বাঙালি’-র জীবনে মুখ্যমন্ত্রীর অনুপ্রেরণায় আরও বেশি করে মাছ জোগান দেওয়ার যে সাফল্য এই দফতর পেয়েছে তা ঈর্ষণীয়৷” মৎস্য দফতরের ভেড়িগুলি সৌন্দর্যায়নে এবং পরিবেশ রক্ষায় পুর ও নগরোন্নয়ন দফতর যে সাহায্য করবে তাও এদিন উল্লেখ করেন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম৷
সল্টলেকের নলবনে আপাতত -২০ ডিগ্রির মৎস্য সংরক্ষণ ফ্রিজ চালু হলেও শীঘ্রই ডায়মন্ডহারবার ও দিঘাতেও এই পরিষেবা চালু হবে বলে জানান মন্ত্রী চন্দ্রনাথ সিংহ৷ সেই ফ্রিজগুলির আয়তন হবে দশ টন৷ বাজারে মাছের দাম বৃ‌দ্ধি নিয়ে বলেন, “গরমে খাল-বিল শুকিয়ে যাওয়া এবং দেরিতে কালবৈশাখী আসায় এবার মাছের জোগান একটু কম৷ তবে শীঘ্রই মাছের দাম কমে যাবে৷ দফতরের তরফে নজরদারি করা হচ্ছে৷” এদিন অনুষ্ঠানে আসা প্রাণিসম্পদ বিকাশ মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ বলেন, “নলবনের মতো বড় ভেড়িগুলিতে মাছের পাশাপাশি হাঁস চাষের জন্য আমার দফতর থেকে প্রস্তাব দেব৷ এতে করে ডিম ও মাংস দুইয়েরই জোগান বাড়বে৷” একইসঙ্গে বেনফিশের বিভিন্ন কাউন্টারে মাছের পাশাপাশি প্রাণিসম্পদ দফতরের মাংস ও অন্যান্য পণ্য রাখারও প্রস্তাব দেন স্বপন দেবনাথ৷ হাঁস চাষ হলে জলাধারে যে বড় মাছের উৎপাদনও দ্রূত হবে তাও উল্লেখ করেন তিনি৷
পরে মন্ত্রী চন্দ্রনাথ জানান, “দু’টি প্রস্তাবই গ্রহণযোগ্য এবং জনস্বার্থে খুবই জরুরি৷ প্রস্তাব এলে মুখ্যমন্ত্রীর অনুমতি নিয়ে একসঙ্গে কাজ করব৷” মৎস্য দফতরের শীর্ষ আধিকারিকরা ছাড়াও সভায় ছিলেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী আশিস মুখোপাধ্যায়, পূর্ব মেদিনীপুর জেলাপরিষদের মৎস্য কর্মাধ্যক্ষ দেবব্রত দাস প্রমুখ৷

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement