Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৭ আষাঢ় ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ২৩ জুন ২০২৬
Bankura

পঞ্চায়েতের গাছ বিক্রির টাকা পার্টি ফান্ডে জমা! বাঁকুড়ায় তৃণমূল নেতাকে কান ধরে ‘ওঠবস’

রাজ্যে পালাবদলের পরে দুর্নীতি ইস্যুতে বিদ্ধ তৃণমূল কংগ্রেস। বিভিন্ন জায়গায় সাধারণ মানুষের ক্ষোভ, জনরোষের মুখেও পড়তে দেখা যাচ্ছে  তৃণমূলের নেতাদের!

Advertisement
অসিত রজক
অসিত রজক

শেষ আপডেট: জুন ২৩, ২০২৬, ১৬:৫২

link
অসিত রজক
অসিত রজক

শেষ আপডেট: জুন ২৩, ২০২৬, ১৬:৫২

options
link
পঞ্চায়েতের গাছ বিক্রির টাকা পার্টি ফান্ডে জমা! বাঁকুড়ায় তৃণমূল নেতাকে কান ধরে ‘ওঠবস’ zoom
বাঁকুড়ায় তৃণমূল নেতাকে কান ধরে 'ওঠবস'

রাজ্যে পালাবদলের পরে দুর্নীতি ইস্যুতে বিদ্ধ তৃণমূল কংগ্রেস। বিভিন্ন জায়গায় সাধারণ মানুষের ক্ষোভ, জনরোষের মুখেও পড়তে দেখা যাচ্ছে  তৃণমূলের নেতাদের! অভিযুক্তদের লক্ষ্য করে ডিম ছোড়া থেকে মারধরও চলছে। এবার সেই ঘটনা দেখা গেল বাঁকুড়ার জয়পুরে। ময়নাপুরে প্রকাশ্যে জনতার কাঠগড়ায় তৃণমূলের এক অঞ্চল সভাপতি! পঞ্চায়েতের গাছ বিক্রির টাকা পার্টি ফান্ডে জমা করা থেকে শুরু করে আবাস যোজনার উপভোক্তাদের কাছ থেকে অর্থ আদায়ের অভিযোগ তাঁর বিরুদ্ধে। ক্ষুব্ধ গ্রামবাসীদের সামনে কান ধরে ‘ওঠবস’ করতে দেখা গেল তাঁকে। সেই ভিডিও ইতিমধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে রাজনৈতিক মহলে তীব্র আলোড়ন ফেলেছে। যদিও সেই ভিডিওর সত্যতা যাচাই করেনি সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল।

ভাইরাল ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, গ্রামবাসীদের প্রশ্নের মুখে হাতজোড় করে দাঁড়িয়ে রয়েছেন তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতি। অভিযোগের জবাবে তিনি স্বীকার করছেন, দিঘপাড় এলাকার গাছ বিক্রির ৮৯ হাজার টাকা পার্টি ফান্ডে জমা করা হয়েছিল! পাশাপাশি বাংলার আবাস যোজনার সুবিধাভোগীদের কাছ থেকেও অর্থ সংগ্রহের কথা তাঁর মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, ওই টাকা দলীয় নেতাদের মদ্যপান ও বিভিন্ন দলীয় খরচে ব্যবহার করা হয়েছে। ওই তৃণমূল নেতাকে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। শুধু তাই নয়, কান ধরেও ওঠবস করানো হয়!

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

এদিকে, এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে সরব হয়েছেন একাংশ। তাদের অভিযোগ, এটি বিচ্ছিন্ন কোনও ঘটনা নয়, বরং গ্রাম স্তর থেকে ব্লক স্তর পর্যন্ত তৃণমূলের একাংশের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে ওঠা দুর্নীতির অভিযোগেরই প্রতিফলন। প্রশ্ন উঠছে, একজন অঞ্চল সভাপতি কি একার সিদ্ধান্তে এমন কাজ করতে পারেন? নাকি এর পিছনে রয়েছে আরও বড় কোনও রাজনৈতিক মদত? যদিও ভিডিওর সত্যতা ও বক্তব্যের পূর্ণাঙ্গ প্রেক্ষাপট স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি। তৃণমূলের তরফেও এই বিষয়ে কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.