Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Rachna Banerjee

‘আমি হাসলেও মিম!’, টক দই ‘টনিক’ নিয়ে এবার নেটপাড়ার চটুল ঠাট্টায় চটলেন রচনা

ট্রোলারদের মোক্ষম জবাব 'দিদি নম্বর ওয়ান'-এর।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২০, ২০২৪, ১৭:৪৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২০, ২০২৪, ১৭:৪৭

options
link
‘আমি হাসলেও মিম!’, টক দই ‘টনিক’ নিয়ে এবার নেটপাড়ার চটুল ঠাট্টায় চটলেন রচনা zoom

সুমন করাতি, হুগলি: ‘হুগলির উন্নয়ন’ নিয়ে রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Rachna Banerjee) মন্তব্য রীতিমতো শোরগোল ফেলে দিয়েছিল সোশাল মিডিয়ায়। তৃণমূলের তারকা প্রার্থীকে কটাক্ষের অন্ত নেই। নেটপাড়ায় ট্রোল-মিমের পাহাড়! তবে হাল ছাড়ার পাত্রী নন ‘দিদি নম্বর ওয়ান’-ও। এবার ট্রোল-মিমে ঠাসা সমাজ মাধ্য়ম নিয়ে তুখড় জবাব রচনার। বিরক্তিপ্রকাশ করে টেলিপর্দার ‘দিদি’ বলছেন, “আমি যা ই করি, তাতেই মিম!”

এদিকে ভ্যাপসা গরমে হাল বেহাল। তাপমাত্রার পারদ কমার নাম নেই! কিন্তু তাই বলে ভোটপ্রচার থামিয়ে রাখেননি রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়। নিত্যদিন গরম উপেক্ষা করে তৃণমূলের কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে জোরদার প্রচার করছেন তিনি। তবে বিরোধীদের আক্রমণের থেকেও রচনার যেন বর্তমান সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে, তাঁর বলা কথা নিয়ে মিম-ট্রোলের পাহাড়। তাতেই এবার খানিকটা বিরক্তি প্রকাশ করলেন তৃণমূলের তারকা প্রার্থী। শুরুটা হয়েছিল ‘হুগলির উন্নয়ন’ নিয়ে তাঁর মন্তব্য দিয়ে। হুগলির কলকারখানার চিমনির ধোঁয়া দেখে তৃণমূল প্রার্থী রচনা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, “কে বলে শিল্প নেই? হুগলির যেখানেই যাচ্ছি, সেখানেই ধোঁয়া দেখতে পাচ্ছি। তার মানে কলকারখানা রয়েছে।” ব্যস, এই মন্তব্যের পরই প্রবল সমালোচনা শুরু হয়।

Advertisement

বিরোধীরা বন্ধ হয়ে পড়ে থাকা ডানলপ কারখানা, কেসোরাম স্পানপাইপ, উইন্ডোগ্লাস দেখে আসতে বলেন রচনাকে। তার পর সিঙ্গুরের দই খেয়ে ‘দিদি নম্বর ওয়ান’ রচনার এতটাই ভাল লেগে যায় যে, তিনি সেখানকার গরুর প্রশংসা করেন। বর্তমানে সোশাল মিডিয়ায় রচনার এহেন নানা মন্তব্যের ভিডিও ভাইরাল। তাঁকে নিয়ে নিত্যদিন ‘মিম’ তৈরি হচ্ছে। সেই বিষয়টা কিন্তু শত ব্যস্ত শিডিউলের মাঝেও নজর এড়ায়নি রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। তৃণমূলের তারকা প্রার্থী শনিবার প্রচারে বেরিয়ে এই নিয়ে বিরক্তি প্রকাশ করলেন। রচনার কথায়, “আমি যা-ই করি, তা-ই মিম হয়! আমি সব সময় হাসি। সেটাও সাংঘাতিক একটা মিমের কারণ?”

[আরও পড়ুন: খেলা হবে! প্রচারের ফাঁকে দলের অগ্রজ অরূপের সঙ্গে ক্যারাম ডুয়েলে সায়নী ঘোষ

রচনাকে কয়েক দিন আগে প্রশ্ন করা হয়েছিল, গরমে প্রচারে বেরিয়ে তিনি সবচেয়ে বেশি কী খান? শরীর সচেতন রচনা বলেন, “সবচেয়ে বেশি দই খাই।” তারপরেই প্রচণ্ড হাসেন। আর সেই ভিডিও নিয়েও বর্তমানে নেটপাড়ায় মিমের ছড়াছড়ি। এপ্রসঙ্গে দিদি নম্বর ওয়ান-এর মন্তব্য, “রচনা কেন হাসছে, রচনা কেন খাচ্ছে, রচনা কেন হাত নাড়ছে, রচনা কেন চিৎকার করে কথা বলছে- সবেতেই মিম! আমি যা করব তা-ই মিম!”

শনিবার বলাগড়ে প্রচারে বেরিয়েছিলেন হুগলি লোকসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী রচনা। তিনি জানান, প্রচারে বেরিয়ে একটি বিয়েবাড়িতে নিমন্ত্রণ পেয়েছেন। বিরিয়ানি রান্না হচ্ছে বলে তাঁকে খেয়ে যাওয়ার আবদারও জানান এক ভোটার। কিন্তু তিনি বলেছেন, “প্রচারে যেতে হবে। তাই বসে বিরিয়ানি খেলে তাঁর হবে না।” অন্য দিকে, বলাগড়ের একতারপুর পঞ্চায়েত এলাকায় গাড়ি নিয়ে প্রচার করার সময় গ্রামের মহিলারা তাঁদের জলকষ্টের অভিযোগ জানান তাঁকে। একযোগে ওই অঞ্চলের মহিলারা রচনার কাছে জানান, পানীয় জলের অভাব রয়েছে গ্রামে। পদ্ম পাল নামে এক গ্রামবাসীর কথায়, “আমাদের গ্রামে জল নেই। আমরা জলের জন্য মরে যাচ্ছি। দিদিকে বলেছি। দিদি বললেন, ‘হবে’।” রচনা তাঁদের আশ্বস্ত করে বলেন, “সবাই ভালবাসা দিও আর আশীর্বাদ কোরো। তার পর পাঁচ বছর দেখো, আমি কী করি। সব সময় পাশে পাবে। বিশ্বাস রেখো। নিরাশ করব না কাউকে।” তৃণমূলের তারকা প্রার্থী রচনা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রচারের জন্য হুগলি লোকসভা কেন্দ্রের যেখানেই যাচ্ছেন, সেখানেই মানুষের স্বতঃস্ফূর্ততা চোখে পড়ছে।

[আরও পড়ুন: ভোটকেন্দ্রে জনতার ধাক্কায় নাজেহাল থলপতি বিজয়, নেতা-অভিনেতাকে বাঁচাতে আসরে পুলিশ

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.