Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬

বিমানের মতো দেখতে অত্যাধুনিক রেল তৈরি হবে রাজ্যেই

মিলবে সমস্ত আধুনিক সুযোগ-সুবিধা...

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২১, ২০১৭, ০৪:২৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২১, ২০১৭, ০৪:২৭

options
link
বিমানের মতো দেখতে অত্যাধুনিক রেল তৈরি হবে রাজ্যেই zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: তিনটি বহুজাতিক সংস্থা অত্যাধুনিক রেলের কোচ তৈরির বরাত পেতে ঝাঁপিয়েছে। সব কিছু ঠিকঠাক চললে দ্রুতই এ রাজ্যেই তৈরি হবে নয়া ‘ইলেকট্রিক রেল কোচ’। কলকাতার কাছেই কাঁচরাপাড়ায় রেলের জমিতে গড়ে উঠবে নয়া কারখানা। সেখানেই তৈরি হবে এই অত্যাধুনিক কোচ। কামরার ভিতরটা দেখতে হবে অনেকটা যাত্রীবাহী বিমানের অন্দরের মতো। প্রস্তাবিত প্রকল্প সাফল্যের মুখ দেখলে এমন অত্যাধুনিক রেলের কোচ দেশে এই প্রথমবার আত্মপ্রকাশ করতে চলেছে।

[পুরুলিয়ার সুচবিদ্ধ শিশুর মৃত্যু, ফুসফুসের সংক্রমণে লড়াই শেষ]

কেমন দেখতে হবে এই নয়া কোচ? রেল সূত্রে খবর, আপাদমস্তক স্টেইনলেস স্টিলের তৈরি এই নয়া কামরায় থাকবে স্বয়ংক্রিয়ভাবে দরজা খোলা ও বন্ধ হওয়ার প্রযুক্তি। থাকবে সিসিটিভি ক্যামেরা ও এলইডি আলো। নয়া প্রযুক্তি ব্যবহার করার দরুন প্রায় ৪০ শতাংশ পর্যন্ত বিদ্যুৎ সাশ্রয় হবে রেলের। এসি কামরা হলেও যাত্রী পরিবহণ ক্ষমতা হবে বেশি। দীর্ঘমেয়াদি লাভের পরিসংখ্যান দেখিয়ে রেল জানিয়েছে, এই ধরনের কোচ বিদেশ থেকে আমদানি করতে হলে প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকা অতিরিক্ত খরচ হত।

Advertisement

coach

প্রাথমিক পর্যায়ে এই প্রকল্পের জন্য বিনিয়োগ করা হবে প্রায় ২০০০ কোটি টাকা। পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপে ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ প্রকল্পের আওতায় গড়ে উঠবে রেলের এই নয়া কারখানা। ২০১৫-র পর এই প্রথম এরকম বড় বিনিয়োগ হতে চলেছে ভারতীয় রেলে। ২০১৫-য় দুটি নয়া লোকমোটিভ কারখানা খুলতে প্রায় ৩৩০০ কোটি টাকার বিনিয়োগ আসে। ইতিমধ্যেই নয়া রেল কোচ কারখানার জন্য তিনটি সংস্থাকে বেছে নিয়েছে রেল। এই তিনের মধ্যে কোনও একটি সংস্থাই পাবে চূড়ান্ত ছাড়পত্র।

রেলের একটি সূত্রের খবর, এই প্রকল্পের জন্য কেন্দ্র ২৬ শতাংশ পর্যন্ত খরচ বহন করবে। আসন্ন ডিসেম্বরে প্রকল্পের কাজ শুরু হবে। প্রথম দফায় ১২ বছর ধরে প্রায় ৫০০০টি অত্যাধুনিক কামরা তৈরি করবে দায়িত্বপ্রাপ্ত সংস্থা। আরও ১৩ বছরের জন্য ওই বিমানের অন্দরের মতো দেখতে কামরাগুলি সংরক্ষণের দায়িত্বেও থাকবে দায়িত্বপ্রাপ্ত সংস্থা। ১২ বছর ধরে প্রায় ৫০ হাজার কোটি টাকার কামরা উৎপাদন করা হবে এই কারখানা থেকে। পরে দফায় দফায় বাড়ানো হবে উৎপাদন ক্ষমতা।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.