সুব্রত বিশ্বাস: আরও বাড়তে চলেছে যাত্রীবাহী ট্রেনের সংখ্যা। এজন্য যাবতীয় প্রস্তুতি সেরে ফেলেছে রেল। ট্রেন বাড়ার অর্থ যাত্রীদের সংখ্যাও পাল্লা দিয়ে বাড়বে। এই অবস্থায় অতিমারী করোনার আক্রমণ থেকে যাতে যাত্রীরা সুরক্ষিত থাকতে পারেন তারই প্রস্তুতি শুরু করেছে রেল। রাজ্যে হাওড়া, শিয়ালদহর মতো গুরুত্বপূর্ণ স্টেশন থেকেও বেশি ট্রেন চলবে এটা নিশ্চিত। হাওড়ার ডিআরএম ইশাক খান জানান, ট্রেনের সংখ্যা বাড়ানো নিয়ে কথা চলছে। তবে নিশ্চিত সিদ্ধান্ত ঘোষণা না হওয়ায় কোন ট্রেন কখন বা কতগুলি চলবে তা এখনই বলা সম্ভব নয়।
[আরও পড়ুন: করোনার মারে ৩.২ শতাংশ সংকুচিত হতে পারে ভারতের অর্থনীতি: বিশ্ব ব্যাংক]

রেল বোর্ডের প্যাসেঞ্জার ট্রান্সপোর্টেশন তদারকি বিভাগ সূত্রে জানা গিয়েছে, কেন্দ্রের স্বাস্থ্যবিধি মেনে অধিক সংখ্যক যাত্রী চলাচলের উপযুক্ত পরিবেশ তৈরি করা হচ্ছে স্টেশন ও ট্রেনের মধ্যে। ট্রেন যাত্রায় মাস্ক ও স্যানিটাইজার একেবারে অত্যাবশ্যকীয় হওয়ায় রেল তা জোগানের ব্যবস্থা করেছে। বিভিন্ন স্টেশনে মাস্ক ও স্যানিটাইজার সহজলভ্য করতে ভেন্ডিং মেশিন বসাচ্ছে রেল। ইতিমধ্যে পাটনা স্টেশনে এই মেশিন বসানো হয়েছে। হাওড়া, শিয়ালদহতেও মেশিনগুলি বসানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। সেখানে পয়সা ফেললেই বেরিয়ে আসবে মাস্ক ও স্যানিটাইজার। আধিকারিকদের কথায়, যাত্রার সময় কেই ওই দুটি জিনিস ভুল করে না আনলে বা হারিয়ে গেলে তা ভেন্ডিং মেশিন থেকে সংগ্রহ করতে পারবেন। ডিআরএম ইশাক খান বলেন, “হাতে বিশেষ সময় না থাকায় থার্ড পার্টির দিকে তাকিয়ে না থেকে হাওড়া স্টেশনে স্বয়ংক্রিয় স্যানিটাইজার মেশিন বসানো হয়েছে। বসানো হয়েছে স্বয়ংক্রিয় থার্মাল টেম্পারেচার স্ক্রিনিং সিস্টেম। এই মুহূর্তে যাত্রী চলাচলের জন্য পুরনো স্টেশনের ক্যাব রোডটি ব্যবহার হচ্ছে, ফলে মেশিনগুলো সেখানেই বসানো হয়েছে। সানিটাইজার মেশিনে পা দিয়ে চাপলেই নল দিয়ে বেরিয়ে আসছে স্যানিটাইজার। থার্মাল স্ক্রিনিং সিস্টেমের জন্য বসানো হয়েছে থার্মোগ্রাফিক বুলেট ক্যামেরা। চল্লিশ মিটার দূর থেকে যাত্রীর তাপমাত্রা নিতে সক্ষম। ৩০ থেকে ৪০ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড তাপমাত্রা নিখুঁত ভাবে সংগ্রহ করতে পারদর্শী। ইনফ্রায়েড রেডিয়েশন থার্মাল ইমেজ গ্রহণ করবে ক্যামেরা। সন্দেহজনক হলে অডিও ভিজুয়াল এলার্ম বাজবে। হবে রেকর্ড।
যাত্রী অতিরিক্ত সংখ্যায় বাড়লে বুকিং কাউন্টারে নির্ধারিত দূরত্ব রাখার জন্য মার্কিং থেকে বসবার আসনগুলিতে দূরত্ব বজায় রাখতে নিষেধাজ্ঞার চিহ্ন আঁকা হচ্ছে। মোবাইলের মাধ্যমে ও অনলাইনে টিকিট বিক্রি বাড়িয়ে কাউন্টারে ভিড় এড়ানোর পন্থাও ঘোষণা করা হবে। যাত্রীবাহী ট্রেন বাড়ানোর পরিকল্পনা নেওয়া হলেও লোকাল ট্রেন চালানোর কোনও পরিকল্পনা নেয়নি রেলবোর্ড। যদিও কোনও কোনও মহল এই ট্রেন চালানোর দাবি তুলে কিছু পরিকল্পনা দিয়েছে। যেমন স্টপেজ কমানো, যাত্রা এবং গন্তুব্যের নাধ্যে থ্রু ট্রেন চালানো ইত্যাদি।
[আরও পড়ুন: দেশের রাষ্ট্রপতি নাম কী? জানেনই না উত্তরপ্রদেশের ‘টপার’ এই শিক্ষক]
সর্বশেষ খবর
-
ঋতব্রতর ‘বিরোধী’ দলনেতা নির্বাচনকে চ্যালেঞ্জ করবে কালীঘাট? কল্যাণ বলছেন, ‘আদালতে প্রমাণ হবে’
-
নিজের রাজ্যের লিগেই অবিক্রীত রাহুল, আইপিএলে দারুণ ফর্ম সত্ত্বেও কেন এই অবস্থা?
-
প্রেমে প্রত্যাখ্যানের বদলা! অফিসে সহকর্মীদের সামনে তরুণীকে কুপিয়ে ‘খুন’ প্রাক্তন প্রেমিকের, প্রকাশ্যে ভিডিও
-
শুভেন্দুর পূর্ব মেদিনীপুর থেকে শুরু, প্রথম জেলা পরিষদ হাতছাড়া তৃণমূলের, পদ ছাড়লেন সভাধিপতি
-
সরকারি শিক্ষকরা প্রাইভেট টিউশন বন্ধ না করলে কড়া শাস্তি, নির্দেশিকা জারি শুভেন্দু সরকারের