BREAKING NEWS

১২ আশ্বিন  ১৪২৭  মঙ্গলবার ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

রাজগঞ্জের ২ বোনের মেডিক্যাল রিপোর্টে নেই গণধর্ষণের উল্লেখ, ধামাচাপার অভিযোগ বিজেপির

Published by: Sayani Sen |    Posted: September 13, 2020 7:02 pm|    Updated: September 13, 2020 9:13 pm

An Images

ছবি: প্রতীকী

শান্তনু কর, জলপাইগুড়ি: গণধর্ষিতা হয়নি রাজগঞ্জের (Rajganj) দুই নাবালিকা, মেডিক্যাল রিপোর্ট উল্লেখ করে এমনটাই দাবি চাইল্ড রাইট কমিশনের চেয়ারপার্সন অনন্যা চক্রবর্তীর। এদিকে বিজেপির পালটা দাবি গোটা ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছে সরকার।

গত ৪ সেপ্টেম্বর বাড়ি থেকে বেরিয়ে নিখোঁজ হয়ে যায় রাজগঞ্জের সন্ন্যাসীকাটা গ্রাম পঞ্চায়েতের নবগ্রামের বাসিন্দা নাবালিকা দুই বোন।৬ সেপ্টেম্বর বাড়ি ফিরে এসে কীটনাশক খায় তারা। সেদিনই বড় বোনের মৃত্যু হয়। ছোট বোন চিকিৎসাধীন অবস্থায় গণধর্ষণ এবং আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগ করে পরিবার।নির্যাতিতার পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে পাঁচ অভিযুক্তকে ইতিমধ্যেই গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।  এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতেই রবিবার সকালে জলপাইগুড়িতে আসেন চাইল্ড রাইট কমিশনের (Child Right Commission)  চেয়ারপার্সন অনন্যা চক্রবর্তীর নেতৃত্বে মোট তিন সদস্যের প্রতিনিধি দল। জলপাইগুড়ি পৌঁছে প্রথমে তাঁরা চলে যান সুপার স্পেশ্যালিটি হাসপাতালে। সেখানে গিয়ে চিকিৎসাধীন নাবালিকার সঙ্গে কথা বলে তার শারীরিক অবস্থার খোঁজ নেন। এরপর তাঁরা জলপাইগুড়ি সার্কিট হাউসে যান। জেলা পুলিশ এবং প্রশাসনের পদস্থ আধিকারিকদের সঙ্গে দীর্ঘক্ষণ বৈঠকও করেন।

[আরও পড়ুন: টাকার বিনিময়ে পাশ করানোর টোপ! শিলিগুড়ি কলেজের অধ্যাপকের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা]

বৈঠক শেষে অনন্যা চক্রবর্তী জানান, মেয়েটির সঙ্গে কথা বলেছেন। পরে পুলিশ প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলে গোটা ঘটনার খোঁজখবরও নিয়েছেন। তিনি জানান পুলিশ তাঁকে জানিয়েছে, শারীরিক পরীক্ষা এবং ময়নাতদন্তের রিপোর্টে গণধর্ষণের প্রমান পাওয়া যায়নি। শরীরে তেমন কোন আঘাতের চিহ্নও পাওয়া যায়নি। তবে তদন্ত এখনও শেষ হয়নি। অনেক তথ্যই উঠে আসছে। ঘটনার প্রকৃত কারণ জানতে আরও কিছুটা সময় অপেক্ষা করতে হবে বলেও মনে করেন তিনি। পরে রাজগঞ্জে নির্যাতিতার এবং অভিযুক্তদের বাড়ি গিয়ে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন  চাইল্ড রাইট কমিশনের চেয়ারপার্সন।

এদিকে, চাইল্ড রাইট কমিশনের চেয়ারপার্সনের এই দাবিকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা চলছে বলে অভিযোগ বিজেপির। রবিবার রাজগঞ্জ থানায় বিক্ষোভও দেখান বিজেপির মহিলা এবং যুব মোর্চার নেতা, কর্মীরা। যুব মোর্চার জলপাইগুড়ি জেলা সভাপতি পলেন ঘোষের অভিযোগ, রাজগঞ্জে একের পর এক ধর্ষণ এবং খুনের ঘটনা ঘটছে। এর আগে এক স্কুলছাত্রীকে গণধর্ষণ করে খুন করা হয়েছে। এরপর দুই আদিবাসী বোন নির্যাতনের শিকার। পুলিশ দোষীদের শাস্তির ব্যবস্থা না করে আড়াল করার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। এদিন থানার ভিতর মিছিল করে ঢুকতে গেলে ব্যারিকেড দিয়ে আটকে দেয় পুলিশ। পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি শুরু হয়ে যায় বিজেপির মহিলা এবং যুব মোর্চার কর্মীদের। পরে রাজগঞ্জ থানার সামনে বসে বিক্ষোভ দেখান তাঁরা।

[আরও পড়ুন: ‘বাংলায় খুনের সিরিজ চলছে’, গোঘাট কাণ্ডে শাসকদলকে তোপ দিলীপের]

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement