BREAKING NEWS

৯ আশ্বিন  ১৪২৭  রবিবার ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

সহবাসের পর কথা রাখেনি প্রেমিক, স্বেচ্ছামৃত্যুর আবেদন অন্তঃসত্ত্বা নাবালিকার

Published by: Sangbad Pratidin Digital |    Posted: January 13, 2018 5:09 am|    Updated: January 13, 2018 5:09 am

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে দিনের পর দিন সহবাস। প্রেমিকা অন্তঃসত্ত্বা হওয়ায় পর বেঁকে বসল যুবক। এই নিয়ে থানায় অভিযোগ করায় উলটে যুবকের পরিবার ক্রমাগত হুমকি দিচ্ছে কিশোরীর পরিবারকে। এই অবস্থায় মহকুমাশাসকের কাছে স্বেচ্ছামৃত্যুর আবেদন জানাল নির্যাতিতা। হলদিয়ার সুতাহাটার এই ঘটনায় শোরগোল পড়ে গিয়েছে।

[‘ভিলেন’ সেই ঘূর্ণাবর্ত, দক্ষিণবঙ্গে কমবে শীতের দাপট]

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে প্রতিবেশী যুবকের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক ছিল ওই নাবালিকার। তাকে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে দীর্ঘদিন সহবাস করে অভিযুক্ত। এরই মধ্যে ওই কিশোরী সন্তানসম্ভবা হয়ে পড়ে। ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর কিশোরীর পরিবার ছেলেটির বাড়ির সঙ্গে কথা বলে। মেয়েটির পরিবারের তরফে প্রস্তাব দেওয়া হয় কাউকে না জানানোর। মেয়ে প্রাপ্তবয়স্ক হলে বিয়ের কথা আলোচনা হবে। কিন্তু অভিযুক্ত যুবকের পরিবার এই প্রস্তাব অস্বীকার করে। এমনকী ওই যুবক বিয়ে করবে না বলে জানিয়ে দেয়। এরপর অভিযুক্ত যুবক এবং তার পরিবার পালিয়ে যায়। এই নিয়ে স্থানীয় সুতাহাটা থানায় অভিযোগ দায়ের করে কিশোরীর পরিবার। অভিযোগ ছেলের বাড়ির লোক এরপর ফিরে এসে মামলা তুলে নেওয়ার জন্য হুমকি দিতে থাকে। বাধ্য হয়ে মহকুমাশাসকের দ্বারস্থ হয় কিশোরী। তাঁর কাছে স্বেচ্ছামৃত্যুর আবেদন জানানো হয়। মেয়েটির বাড়ির অভিযোগ পুলিশে জানানোর পরও তেমন কিছু হয়নি। উলটে মামলা তুলে নেওয়ার জন্য ক্রমাগত হুমকি, শাসানি শুনতে হচ্ছে। তবে পুলি জানিয়েছে এমন অভিযোগ তাদের কাছে এসেছে। এই নিয়ে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

[তারাপীঠে এবার ভক্তদের জন্য নিষিদ্ধ হচ্ছে স্নান দর্শন]

প্রেমের নিষ্ঠুর পরিনতি। তারপর স্বেচ্ছামৃত্যুর পথে নাবালিকা। সুতাহাটার ঘটনায় উদ্বিগ্ন সমাজকর্মীরা। তাঁদের মতে ছেলেটির পরিবার যদি বিয়ের কথা মেনে নেয় তাহলে সমস্যা শেষ হবে না। জোর করে বিয়ে দেওয়া হলেও তাঁর সুরক্ষা নিশ্চিত হবে এটা বলা সম্ভব নয়। তাকে মেরে দেওয়ার চেষ্টা হতে পারে। মেয়েটি যাতে পড়াশোনা চালিয়ে যেতে পারে তার জন্য প্রশাসনকে এগিয়ে আসার আরজি জানিয়েছেন তারা। কারণ স্বেচ্ছামৃত্যু কখনও সুস্থ সমাজের লক্ষ্মণ হতে পারে না।

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement