Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
লকেট চট্টোপাধ্যায়

ত্রিশূল নারীশক্তির প্রতীক, লকেটের পাশে দাঁড়িয়ে তৃণমূলকে একহাত দিলীপের

'আমরাও আইনের মাধ্যমে মোকাবিলা করব।' জানিয়ে দিলেন লকেট।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২০, ২০১৯, ১৫:২০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২০, ২০১৯, ১৫:২০

options
link
ত্রিশূল নারীশক্তির প্রতীক, লকেটের পাশে দাঁড়িয়ে তৃণমূলকে একহাত দিলীপের zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: রামপুরহাটে রাম নবমীর মিছিলে ত্রিশূল হাতে হেঁটেছিলেন বিজেপির মহিলা মোর্চার সভানেত্রী লকেট চট্টোপাধ্যায়। তাঁর বিরুদ্ধে স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে মামলা রুজু করেছে বীরভূম জেলা পুলিশ। পুলিশের অভিযোগ, প্রশাসনিক নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে বহিরাগতদের নিয়ে মিছিল করেছেন বিজেপি নেত্রী। সেই পরিপ্রেক্ষিতেই এবার নিজের প্রতিক্রিয়া দিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। লকেটের পক্ষে সওয়াল করে বিরোধীদের একহাত নেন তিনি। বলেন, লকেটকে মা দুর্গা ভেবে ভয় পেয়েছে ওরা।

[মঙ্গলবার থেকে শুরু উচ্চ মাধ্যমিক, জারি কী কী নিয়ম?]

তাঁর বিরুদ্ধে মামলা রুজু হওয়ার পর লকেট বলেন, “আমি এফআইআর-এর কপি হাতে পাইনি। ত্রিশূলকে অস্ত্র হিসাবে ধরা হয় না। ত্রিশূল নারী শক্তির প্রতীক। নারী শক্তিকে জাগিয়ে তুলতেই আমার ত্রিশূল হাতে বেরনো। পুলিশের সামনেই তো ত্রিশূল হাতে মিছিল করেছি। কই পুলিশ তখন তো কিছু বলেনি! পুলিশও বলেছে শান্তিপূর্ণ মিছিল ছিল। তাহলে কার নির্দেশে হঠাৎ করে এফআইআর করা হল? আমি মনে করি ত্রিশূল মা দুর্গার প্রতীক। সরকার এফআইআর করে নিজেরাই পরিস্থিতি অস্থির করা চেষ্টা করছে। আমি যদি বীরভূমে বহিরাগত হই, তাহলে রোহিঙ্গারা কী? আমরাও আইনের মাধ্যমে মোকাবিলা করব। আমার নামে অনেক মামলা রয়েছে। তাই ভয় পাই না। অর্জুন সিংয়ের মিছিলেও তো বন্দুক আর অস্ত্র ছিল। পারলে ব্যবস্থা নিক পুলিশ। এটা তো বৈষম্য।”

Advertisement

[রাম নবমীতে গোষ্ঠী সংঘর্ষে উত্তপ্ত রানিগঞ্জ, বোমাবাজিতে হাত উড়ল ডিসি-র]

রাম নবমীতে অস্ত্র মিছিল নিয়ে দিলীপ ঘোষও সাফ জানিয়ে দেন, সব জায়গাতে অনুমতি নিয়েই মিছিল হয়েছে। মন্দিরে ত্রিশূল থাকে। সাধুরা ত্রিশূল নিয়ে ঘুরে বেড়ান। তাই ত্রিশূল কে অস্ত্র হিসাবে দেখা হয় না। এটি শক্তির প্রতীক। তিনি বলেন, “তৃণমূলের মুখে অস্ত্রের কথা শোভা পায় না। তারাই তো বোমা, বন্দুক নিয়ে ঘুরে বেড়ায়। আজ হঠাৎ আইন চলে এলো। পিস্তল নিয়ে মিছিল আমরাও সমর্থন করি না। তাহলে আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে বেরোলে পুলিশ কেন ধরেনি? কিন্তু তরোয়াল দেবদেবীর প্রতীক। আমি তরোয়াল নিয়েছি। শিশুরা অস্ত্র খেলার জিনিস হিসাবে ব্যবহার করেছে। লব, কুশও ছোটবেলা থেকে অস্ত্র শিক্ষা নিয়েছে। এটাই দেশের পরম্পরা। আমাদের দেশে রাম, লব, কুশরাই আদর্শ।” পাশাপাশি দিলীপের দাবি, তৃণমূল রাম নিয়ে রাজনীতি করছে। মানুষই এর জবাব দেবে। বাংলার জাগরণে তৃণমূল ভয় পেয়েছে বলে মত তাঁর। বলেন, “বিশৃঙ্খলা হলে পুলিশের ব্যবস্থা নেওয়ার অধিকার আছে। গণ্ডগোল পাকিয়ে বিজেপির নাম জড়ানো হচ্ছে। বিজেপিকে এভাবে ভয় দেখানো যাবে না। এবার রামমন্দিরে বাধা থাকবে না। অযোধ্যায় বেশি সমর্থন বাংলা থেকেই যাবে।”

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.