Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ ভাদ্র ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Cockroach Janata Party

হিন্দু-মুসলমানের রাজনীতি আর কতদিন! দিল্লিতে বিক্ষোভ ককরোচ পার্টির, নিরাপত্তা দিল শাহের পুলিশ

ককরোচ পার্টির সমর্থকরা যতই নিজেদের অরাজনৈতিক বলে দাবি করুক, তাঁদের এদিনের বিক্ষোভেও লেগে গিয়েছে রাজনীতির রং। যন্তরমন্তরে দেখা গিয়েছে AISA, SFI-এর মতো বামপন্থী ছাত্র সংগঠনের সদস্যদের।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ৬, ২০২৬, ১৫:৪০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ৬, ২০২৬, ১৫:৪০

options
link
হিন্দু-মুসলমানের রাজনীতি আর কতদিন! দিল্লিতে বিক্ষোভ ককরোচ পার্টির, নিরাপত্তা দিল শাহের পুলিশ zoom
যন্তরমন্তরে বিক্ষোভ ককরোচ জনতা পার্টির। ছবি: সংগৃহীত।
Advertisement

অভিজিৎ দীপকে দেশে পা রাখলেই তাঁকে গ্রেপ্তার করা হতে পারে। আশঙ্কা করছিলেন অনেকেই। দিল্লির যন্তরমন্তরে বিক্ষোভের অনুমতি তাঁরা পাবেন কিনা তা নিয়ে সংশয় ছিল। আদৌ ‘শান্তিপূর্ণভাবে’ বিক্ষোভ দেখাতে পারবে তো দেশের যুবসমাজ-এমন হাজারো প্রশ্নের মধ্যেই দিল্লির যন্তরমন্তরের বিক্ষোভ থেকে কেন্দ্রের মোদি সরকারের মুন্ডপাত করলেন ককরোচ জনতা পার্টির প্রধান অভিজিৎ দীপকে।

অভিজিতের সাফ কথা, “দেশের যুব প্রজন্ম আর ভয় পাচ্ছে না। আর ভয় পাবে না। প্রায় একমাস ধরে আমরা শান্তিপূর্ণভাবে দাবি করে আসছি শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানকে ইস্তফা দিতে হবে! এই নির্লজ্জরা সেই লক্ষ্যে কোনও পদক্ষেপ না করে আমাদের সোশাল মিডিয়ায় ব্যান করা, আমাদের পোস্ট নিষিদ্ধ করা, এসব করছেন।” অভিজিতের প্রশ্ন, “আর কতদিন হিন্দু-মুসলিমের রাজনীতি করবেন। আপনারা আমাদের পোস্ট ডিলিট করতে পারেন, কিন্তু আমাদের মুছে ফেলতে পারবেন না।”

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

সব মিলিয়ে পাঁচটি দাবি করেছে ককরোচ জনতা পার্টি।  ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফা ছাড়াও তাঁদের দাবি, গোটা শিক্ষা ব্যবস্থার ডিজিটালাইজেশন, মণিপুরে স্বাভাবিক শিক্ষাব্যবস্থা চালু করা, শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে নজর দেওয়া এবং সব প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় স্বচ্ছতা ও দায়বদ্ধতা।  

দিল্লিতে বিক্ষোভ ককরোচ পার্টির।

এদিন খানিক অপ্রত্যাশিতভাবেই সিজেপির বিক্ষোভের অনুমতি দেয় দিল্লি পুলিশ। শুধু অনুমতি দেওয়া নয়, কোনওরকমভাবে কোনও অশান্তির পরিবেশ যাতে তৈরি না হয়, সেটা নিশ্চিত করতে কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়। অভিজিৎ দীপকেকে গ্রেপ্তার করা তো দূর, উলটে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের নিয়ন্ত্রণাধীন দিল্লি পুলিশ তাঁকে বিশেষ নিরাপত্তা দিয়েছেন। কিন্তু কেন সরকারের এই মনবদল? আসলে খাতায়কলমে কোনও রাজনৈতিক দল না হলেও জনপ্রিয়তার নিরিখে দেশের বড় দলগুলিকে পিছনে ফেলে দিয়েছে এই ‘পার্টি’। তাছাড়া নিট, সিবিএসই-সহ একাধিক ইস্যুতে সরকার এমনিতেই চাপে। তার উপর ককরোচ পার্টির বিক্ষোভে কোনও অশান্তি হলে, সেটার দায়ও সরকারের উপর পড়ত। সেকারণেই শান্তিপূর্ণভাবে যাতে বিক্ষোভপর্ব মিটে যায় সেটা নিশ্চিত করতে চায় কেন্দ্র। তাছাড়া এভাবে শুধু জেন জি-র বিক্ষোভ দেশে প্রথম। তাই সরকার চাইছিল না এমন পরিস্থিতি তৈরি হোক, যাতে জেন জির ক্ষোভ আরও বাড়ে।

Cockroach Janata Party Protest in Jantar Mantar
ককরোচ পার্টির বিক্ষোভে এসএফআই। ফাইল ছবি।

তবে এই ককরোচ পার্টির সমর্থকরা যতই নিজেদের অরাজনৈতিক বলে দাবি করুক, তাঁদের এদিনের বিক্ষোভেও লেগে গিয়েছে রাজনীতির রং। যন্তরমন্তরে দেখা গিয়েছে AISA, SFI-এর মতো বামপন্থী ছাত্র সংগঠনের সদস্যদের। আপ সদস্যদের একাংশও সম্ভবত বিক্ষোভে ছিল। গিয়েছিলেন সমাজকর্মী সোনম ওয়াংচুক। বিক্ষোভকে নৈতিক সমর্থন দিয়েছেন কংগ্রেস নেতা শশী থারুরও।  

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.