৫ মাঘ  ১৪২৫  রবিবার ২০ জানুয়ারি ২০১৯ 

Menu Logo মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও ফিরে দেখা ২০১৮ ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

কিংশুক প্রামাণিক, রানাঘাট: কলোনির উদ্বাস্তুদের হাতে এবার জমির স্বত্ব তুলে দেবে রাজ্য সরকার। দীর্ঘদিন ধরে রাজ্য সরকারের জমিতে যে সমস্ত উদ্বাস্তু রয়েছেন তাঁরা অনেকে লিজের কাগজ হাতে পেয়েছেন, কিন্তু দলিল পাননি। আবার অনেকে কয়েক দশক ধরে কলোনিতে বসবাস করলেও তাঁদের বাসস্থানের কোনও বৈধ নথি নেই। এমন সমস্যা দূর করতে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

[বিশ্ববঙ্গ বাণিজ্য মঞ্চে এবার শামিল জেলার ক্ষুদ্র শিল্পপতিরা, উদ্যোগ প্রশাসনের]

বুধবার রানাঘাটের হবিবপুরে প্রশাসনিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “প্রতিটি জেলার জেলাশাসককে জমি ও উদ্বাস্তুদের তালিকা তৈরির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ভূমি ও ভূমি সংস্কারের পাশাপাশি উদ্বাস্তু ও পুনর্বাসন দপ্তরকেও দ্রুত তালিকা চূড়ান্ত করে ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।” খাস কলকাতাতেই একটা বড় অংশের মানুষ পূর্ববঙ্গ থেকে উদ্বাস্তু হয়ে এসে শহরের বিভিন্ন কলোনিতে বংশ পরম্পরায় বসবাস করছেন। অনেকে সেই জমিতে বহুতল তুললেও ফ্ল্যাটের মালিকদের কারওরই দলিল নেই। বৈধ নথি না থাকায় পুরকর যেমন দিতে হয় না, তেমনই অনেক সরকারি সুযোগ সুবিধাও থেকেও বঞ্চিত হন তাঁরা। মুখ্যমন্ত্রীর স্বত্ব দেওয়ার ঘোষণায় সেই সংকট মিটবে বলে আশা কলোনিবাসীদের। শুধু উদ্বাস্তুদের জমির স্বত্ব দেওয়াই নয়, ১০০ দিনের প্রকল্পে জব কার্ড নিয়ে কারচুপি বন্ধে কড়া নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

বুধবার রানাঘাটে নদিয়া জেলার প্রশাসনিক বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী। রাজ্য ও জেলা প্রশাসনের আধিকারিকদের কড়া নির্দেশ দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘একজনের জব কার্ড অন্যজন যেন না নেয়। কার্ড নিয়ে কোনওরকম কারচুপি যেন না হয়। বিষয়টি নজর রাখতে হবে বিডিওদের।’ ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়কের সংস্কার নিয়ে কেন্দ্রের বিরুদ্ধে ফের সরব হয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন, বারবার বলা সত্ত্বেও কেন্দ্র ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়ক সংস্কারের কাজ করছে না। কোনটা রাজ্য সড়ক আর কোনটা জাতীয় সড়ক, তা জেলা প্রশাসনকে ফ্লেক্সে লিখে দেওয়ার নির্দেশও দিয়েছেন।

[ ঝক্কি কমাতে নতুন শিক্ষাবর্ষে কলেজে ভরতি অনলাইনে, সিদ্ধান্ত শিক্ষামন্ত্রীর]

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং