বিধ্বংসী আগুনে পুড়ে ছাই বাড়িঘর। আগুন গিলেছে ভোটার কার্ড। দ্বিতীয় দফার ভোটের মুখে চিন্তায় মহেশতলার সন্তোষপুর ১৬ বিঘা বসতির বাসিন্দারা। প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, ৩৩ ও ৩৪ নম্বর অংশের ভোটার কার্ড পুড়ে যাওয়া ভোটার এমন ৬৫ জনকে চিহ্নিত করা হয়েছে।
মহেশতলা পুরসভার ১১ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর দীপিকা দত্ত বলেন, “বিষয়টি নজরে আসায় প্রশাসনের কাছে ওই সমস্ত ভোটারদের জন্য দরবার করা হয়েছে।” ঠাকুরপুকুর-মহেশতলা ব্লকের বিডিও সুবর্ণা মজুমদার জানান, বিষয়টি তাঁদেরও নজরে এসেছে। ইতিমধ্যেই দমকল অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার রিপোর্ট দিয়েছে। কাদের ভোটার কার্ড নষ্ট হয়ে গিয়েছে সে ব্যাপারে অনুসন্ধান করে পুলিশকেও জানাতে বলা হয়েছে। ভোটার কার্ড হারানো ভোটারদের গণ দরখাস্ত জমা দিতে বলা হয়েছে। তাঁরা যাতে ভোট দিতে পারেন তার জন্য ই-ভোটার কার্ডের ব্যবস্থা করা হতে পারে বলে প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে।
আরও পড়ুন:

শনিবার দুপুরে প্রথমে বসতির একাংশে আগুনের লেলিহান শিখা দেখা যায়। এরপর অল্প সময়ের মধ্যেই আগুন চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে। আতঙ্কে ঘরবাড়ি ছেড়ে বেরিয়ে আসেন বাসিন্দারা। বহু মানুষ কোনওমতে প্রাণে বাঁচলেও তাঁদের সর্বস্ব পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছে বলে অভিযোগ। অগ্নিকাণ্ডের জেরে বড়সড় প্রভাব পড়েছে রেল পরিষেবায়। বস্তির পাশ দিয়েই গিয়েছে বজবজ-শিয়ালদহ শাখার রেললাইন। আগুন ছড়িয়ে পড়ে রেললাইনের দিকেও এবং পুড়ে যায় ওভারহেড বিদ্যুতের তার। এর ফলে নিরাপত্তার কারণে অবিলম্বে ওই শাখায় ট্রেন চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়। প্রায় আটঘণ্টা পর ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হয়।
খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দমকলের তিনটি ইঞ্জিন দীর্ঘক্ষণের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। অগ্নিকাণ্ডের সঠিক কারণ এখনও স্পষ্ট নয়। তবে প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে শর্ট সার্কিট থেকেই এই আগুনের সূত্রপাত। বসতির ভিতরে অসংখ্য বৈদ্যুতিক সংযোগ ও অপরিকল্পিত তারের জট থাকার কারণে এমন ঘটনা ঘটতে পারে বলে অনুমান দমকলের।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
রচনা আউট, স্বস্তিকা ইন! ‘দিদি নম্বর ওয়ান’-এর নতুন সঞ্চালক নিয়ে সরগরম টেলিপাড়া
-
‘মরতে মরতে বেঁচে ফিরেছি’, কেদার-বদ্রীর পৌরাণিক পুরোহিত পথ জিতে নজির হিমালয়ান উইজার্ডের
-
যোগীরাজ্যে নজরে মাদ্রাসা, এবার বাধ্যতামূলক আধার-ভিত্তিক বায়োমেট্রিক হাজিরা!
-
ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত! এবার ‘বোরখা’ মন্তব্যে মহুয়ার বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের
-
ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে কড়াকড়ি, ঘুরপথে নেপাল হয়ে বাংলায় অনুপ্রবেশ! চলছে নজরদারি