সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ফের কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিলেন অভয়ার বাবা-মা। “টাকার বিনিময়ে সিবিআই মামলা ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে”, বলেই অভিযোগ তাঁদের। এ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করার আর্জি জানিয়েছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুকে চিঠিও লিখেছেন তাঁরা।
আর জি কর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে নিহত তরুণী চিকিৎসকের বাবা-মা বলেন, “আমরা খবর পেয়েছি সিবিআই টাকার বিনিময়ে আসল ঘটনাকে ধামাচাপা দিতে চাইছে। মেয়ের খুনের প্রকৃত বিচারের জন্য প্রয়োজনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করব।” সন্তানহারা বাবা-মায়ের মন্তব্য নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই রাজনৈতিক মহলে ফের চর্চা শুরু হয়েছে। তৃণমূলের অন্যতম রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ বলেন, “ঘটনার পরই কলকাতা পুলিশ তদন্তে নেমে সিভিক ভলান্টিয়ারকে গ্রেপ্তার করে। তা সত্ত্বেও আদালতে দাঁড়িয়ে নির্যাতিতার পরিবারের লোকজন সিবিআই তদন্তের দাবিতে সওয়াল করেছিলেন। এখন তাঁরা যদি সিবিআইকে নিয়ে প্রশ্ন তোলে তবে তাঁদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠবেই।”
উল্লেখ্য,গত বছরের ৯ আগস্ট আর জি করে ধর্ষণ ও খুন হন কর্তব্যরত এক তরুণী চিকিৎসক। তাঁর মৃত্যুতে উত্তাল হয়ে ওঠে বাংলা। কয়েকঘণ্টার মধ্যে সঞ্জয় রায় নামে এক সিভিক ভলান্টিয়ারকে গ্রেপ্তার করে কলকাতা পুলিশ। পরবর্তীতে তদন্তভার পায় সিবিআই। এদিকে, কর্মবিরতিতে শামিল হন জুনিয়র ডাক্তারদের একাংশ। বিরোধীদের বিশেষ করে বাম-অতিবাম দলগুলোর নানা কুৎসা সত্ত্বেও পুলিশের তদন্তেই মান্যতা দেয় সিবিআই। কিন্তু এখনও ধর্ষণ ও খুনের মামলায় সঞ্জয় ছাড়া আর কেউ গ্রেপ্তার হয়নি। তবে সঞ্জয়কে দোষী সাব্যস্ত করেছে আদালত। তাকে আমৃত্যু কারাবাসের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই সাজায় আমজনতার পাশাপাশি খুশি নয় রাজ্যও। দোষীর ফাঁসির দাবি জানিয়ে হাই কোর্টে যায় রাজ্য। এই আবহে আরও একবার সিবিআইয়ের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুললেন নিহত তরুণী চিকিৎসকের পরিবারের লোকজন।
সর্বশেষ খবর
-
প্রতারণার পর্দাফাঁস করতে এবার প্রতি থানায় সাইবার ডেস্ক, নির্দেশ লালবাজারের
-
জানালা দিয়ে উড়ে আসা ডিমে ভিজল শাড়ি, কালীগঞ্জে এবার হামলার শিকার মহুয়া!
-
বারবার পশ্চাৎদেশে ক্যামেরা তাক! পাপারাজ্জিদের ‘কান মুলে’ সভ্যতার পাঠ নেহা ধুপিয়ার
-
‘চোরে চোরে ভায়রাভাই’, কুম্ভমেলার সময় সর্বাধিক চুরি রাম মন্দিরে! প্রকাশ্যে বিস্ফোরক তথ্য
-
‘গ্রেপ্তারির পরোয়া করি না’, ‘স্যাটাভাঙা মার’ মন্তব্যে পুলিশের তলব পেয়েও স্বমেজাজে হুমায়ুন