Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
RG Kar Victim

‘পুরোপুরি আস্থা রাখতে পারছি না’, আর জি কর মামলার সুপ্রিম শুনানি নিয়ে ‘হতাশ’ নির্যাতিতার পরিবার

প্রধান বিচারপতির সুয়োমোটো মামলা গ্রহণ-সহ মনিটরিং নিয়েও একাধিক প্রশ্ন তোলেন তাঁরা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ৬, ২০২৪, ২১:২৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ৬, ২০২৪, ২১:২৬

options
link
‘পুরোপুরি আস্থা রাখতে পারছি না’, আর জি কর মামলার সুপ্রিম শুনানি নিয়ে ‘হতাশ’ নির্যাতিতার পরিবার zoom
ফাইল ছবি।

অর্ণব দাস, বারাকপুর: ‘বিচার ব্যবস্থার উপর আমরা পুরোপুরি আস্থা রাখতে পারছি না’। দ্বিতীয় দিনেও সুপ্রিম কোর্টে মেয়ের মামলা না ওঠায় বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন আর জি করে নিহত তরুণী চিকিৎসকের মা-বাবা। একইসঙ্গে দেশের প্রধান বিচারপতির স্বতঃপ্রণোদিত মামলা গ্রহণ নিয়েও প্রশ্ন তুললেন তাঁরা।

বুধবার বিকেল পর্যন্ত অপেক্ষা করেও দ্বিতীয় দিনে মামলা না ওঠায় সন্ধের পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে নির্যাতিতার বাবা। বলেন, “গতদিন প্রধান বিচারপতি নিজে বলেছিলেন এদিন প্রথমেই আরজিকর মামলার শুনানি হবে। এদিন দেখা গেল, কেসটি ৩৪ নম্বরে চলে গেল। তার পরেও মামলা শোনা হল না। কী করে এটা হল? প্রধান বিচারপতি কেন বলেছিলেন আর জি কর মামলা প্রথমে উঠবে? এই কারণেই তো স্বাভাবিকভাবে আমাদের বিচার ব্যবস্থার উপর আস্থা হারিয়ে যাচ্ছে। যেখানে দেশের প্রধান বিচারপতির কথারই কোন মর্যাদা নেই।”

Advertisement

প্রধান বিচারপতির সুয়োমোটো মামলা গ্রহণ-সহ মনিটরিং নিয়েও একাধিক প্রশ্ন তোলেন তাঁরা। নির্যাতিতার বাবা বলেন, “সুপ্রিম কোর্ট ‘আর জি কর রেপ অ্যান্ড মার্ডার’ সুয়োমোটো মামলা নিয়েছিল। সেটা এখন ‘আর জি কর মামলায়’ পরিণত হয়ে গেল কেন?” মায়ের প্রশ্ন, “আমরা সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি প্রতি আশাহত হয়েছি। ওঁর যদি শোনার সময় না থাকে উনি সুয়োমোটো কেস নিতে গেলেন কেন?” সঙ্গে তাঁর সংযোজন, “শেষদিন আমাদের কেস দুমিনিট শোনা হয়েছিল। এর তিন সপ্তাহ পর গত মঙ্গলবার তারিখ পড়েছিল। কিন্তু কেস ওঠেনি, হতাশ হয়েছিলাম। তার পরেও এদিন সকাল থেকে অপেক্ষা করে ফের বিকালে হতাশ হলাম। রাজ্য প্রশাসনের ভূমিকা সহ সুপ্রিম কোর্টে যা দেখছি, মনে হচ্ছে মেয়েকে নিয়ে ছেলেখেলা শুরু হয়েছে।” শেষে দৃঢ় কন্ঠে সন্তান হারার মা-বাবা বক্তব্য, “আমরা বিচার ব্যবস্থার উপর হতাশ হলেও মনে জোর আছে। আগে আমাদের কথা বলতে গেলে চোখে জল আসত, কিন্তু এখন আর আসবে না। এখন লড়াই করে বিচার ছিনিয়ে আনার সময়। রাস্তায় নেমে আমরা লড়াই করব। বিচার পেতে হলে আন্দোলনই এখন একমাত্র ভরসা।”

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.