আকাশনীল ভট্টাচার্য, উত্তর ২৪ পরগনা: সোনার দোকানে দুঃসাহসিক ডাকাতির ঘটনা ঘটল জগদ্দলে। দোকানের চার চারটি তালা কেটে শাটার ভেঙে সোনা নিয়ে গেল দুষ্কৃতীরা। প্রায় ২০-২৫ ভরির সোনা গয়না ডাকাতি হয়েছে। ক্যাশ বাক্স ভেঙে নিয়ে গিয়েছে ৪০ হাজার টাকা। যাওয়ার আগে দোকানের ভিতরে নিরাপত্তার স্বার্থে লাগানো সিসিটিভি ক্যামেরা দুটিও ভেঙে দিয়ে গিয়েছে। এমনকি দোকান মালিকরা যাতে ঘর থেকে বেরতে না পারে সেজন্য দোকান লাগোয়া বাড়ির বাইরের গেটেও শিকল আটকে তালা ঝুলিয়ে গিয়েছে বলে অভিযোগ। ঘটনাটি ঘটেছে জগদ্দলের নেহরু মার্কেটের সামনে একটি সোনার দোকানে।
[বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে সহবাস, খুনের চেষ্টায় ধৃত ডাক্তারি ছাত্র]
ভোরবেলা স্থানীয়রাই বিষয়টি জানতে পারে। দেখা যায়, দোকানের তালা ভাঙা। প্রায় ছত্রখান গয়নার শোকেসগুলি। সঙ্গে সঙ্গে দোকান মালিককে খবর দেওয়া হয়। দোকানের সঙ্গেই বাড়ি হওয়ার দরুন মালিক বিকাশ সরকার তৎক্ষণাৎ নিচে নেমে আসেন। তবে দোতলা থেকে নামার গেটে তালা ঝুলিয়ে গিয়েছে দুষ্কৃতীরা। স্থানীয়দের চেষ্টায় বাইরে বেরিয়ে এসে দোকানের পরিস্থিতি দেখেন। খবর যায় জগদ্দল থানাতেও।
প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, স্থানীয় দুষ্কৃতীরাই ডাকাতির ঘটনাটি ঘটিয়েছে। ডাকাতি করার আগে ঘটনাস্থল ভাল করে রেইকি করে গিয়েছে। তারপর পরিকল্পনামাফিক ডাকাতির ছক কষা হয়েছে। দোকানে যে সিসিটিভি আছে তা জানত ডাকাতরা। তাই দোকানে ঢুকে নজরদারি ক্যামেরা দুটিকে ভাঙা হয়। ক্যাশবাক্স ভেঙে টাকা নেওয়া হয়েছে। ৪০ হাজার টাকা ছিল ক্যাশ বাক্সে। ২০-২৫ ভরি গয়না হাতিয়ে দোকান প্রায় খালিই করে গিয়েছে ডাকাতরা। বিকাশবাবুর দাবি, স্ত্রী ও মায়ের গয়নাও ছিল তার মধ্যে। বিয়ের মরশুম উপলক্ষে বেশকিছু অর্ডারি গয়নাও ছিল। ঘটনাস্থল পর্যবেক্ষণ করে তদন্তে নেমেছে জগদ্দল থানার পুলিশ। ডাকাতদের খোঁজে তল্লাশি শুরু হয়েছে।
[বাবা-কাকিমার পরকীয়া দেখে ফেলার ‘অপরাধ’, কাকার হাতে শ্লীলতাহানির শিকার কিশোরী]
সর্বশেষ খবর
-
আঞ্চলিক মিষ্টির জিআই ট্যাগ নিয়ে তৎপর বঙ্গ বিজেপি! ‘মিষ্টি হাব’ তৈরিরও পরিকল্পনা শমীকদের
-
এবার সপ্তাহে ৬ দিনই শান্তিনিকেতনে ‘হেরিটেজ ওয়াক’, দ্রুত টিকিট মিলবে অনলাইনেও
-
লরি চাপা পড়ে মাইকেল ক্লার্কের গাড়ি! আইপিএল শেষে বিমানবন্দর যাওয়ার পথে দুর্ঘটনা
-
নিজের নিরাপত্তা দিতে চেয়েছিলেন মমতা! এবার এনআইয়ের হাতে গ্রেপ্তার ‘মাছ চোর’ শওকত
-
সমাজকে আদর্শের আয়না দেখায় ‘গোর্কির মা’, কেমন হল? পড়ুন রিভিউ