Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Rohingya

সাজা শেষ, তবু দেশে ফেরেনি তিন রোহিঙ্গা! আদালতের রায়ে কাটতে চলেছে বন্দিদশা

আদালত সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০১৬ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি অনুপ্রবেশের অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয় তিনজনকে। তদন্ত শেষে ২০১৭ সালের ৩ মে চার্জ গঠনের সময়, আবেদনকারী ফরেনার্স অ্যাক্টের ১৪ ধারার অধীনে অপরাধ স্বীকার করে দোষী সাব্যস্ত হন।

Advertisement
গোবিন্দ রায়
গোবিন্দ রায়

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২৬, ২০২৬, ০৯:২৪

link
গোবিন্দ রায়
গোবিন্দ রায়

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২৬, ২০২৬, ০৯:২৪

options
link
সাজা শেষ, তবু দেশে ফেরেনি তিন রোহিঙ্গা! আদালতের রায়ে কাটতে চলেছে বন্দিদশা zoom
প্রতীকী ছবি

সাজার মেয়াদ পেরিয়েছে ২০১৭ সালে। কিন্তু ৮ বছর ৮ মাসেও কাটেনি বন্দিদশা। অবশেষে হাই কোর্টের নির্দেশে শাপমুক্তি হতে চলেছে দুই রোহিঙ্গার। কাটছে বন্দিদশা।

আদালত সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০১৬ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি অনুপ্রবেশের অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয় সফিকুল ইসলাম, তসলিমা আরা, ফরিদুল আলমকে। তদন্ত শেষে ২০১৭ সালের ৩ মে চার্জ গঠনের সময়, আবেদনকারী ফরেনার্স অ্যাক্টের ১৪ ধারার অধীনে অপরাধ স্বীকার করে দোষী সাব্যস্ত হন। হাওড়ার সপ্তম আদালতের জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তাঁদের এক বছর তিন মাস অর্থাৎ ৪৫৫ দিনের কারাদণ্ডের আদেশ দেন। আদালত জানায়, আবেদনকারী যদি ইতিমধ্যেই এক বছর তিন মাস কারাবাসে থাকেন তাহলে ওই সময়কালকে সাজার বিপরীতে সমন্বয় করা হবে। আদালত এও উল্লেখ করে, যেহেতু মায়ানমারের নাগরিক, তাই সাজার মেয়াদ শেষ হলেই তাঁদের দেশে ফেরত পাঠানো হবে।

Advertisement

কিন্তু অভিযোগ, এ পর্যন্ত সাজার মেয়াদ পেরোলেও দেশে ফিরতে পারেননি তাঁরা। তাঁদের বর্তমান ঠিকানা হাওড়া জেলা সংশোধনাগার। সেখান থেকেই দেশে ফিরতে চেয়ে কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন তিন রোহিঙ্গা। তাঁদের আইনজীবীদের আফরিন বেগম জানান, “মায়ানমারের সংখ্যালঘু মুসলিম রোহিঙ্গারা দীর্ঘদিন ধরে জাতিগত নিধন ও গণহত্যার শিকার হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। গণহত্যার অভিযোগ উঠেছে মায়ানমার সেনার বিরুদ্ধে। যে কারণে ঘরছাড়া হন তাঁরা। আশ্রয়ের খোঁজে পাড়ি দিয়েছিলেন এদেশে।”

এমনই অভিযোগ করে আইনজীবী আফরিন বেগমের আরও দাবি, অনুপ্রবেশকারীদের দেশে ফেরানোর জন্য নির্দিষ্ট কোনও আইন ও গাইডলাইন থাকলেও দেশে ফিরতে পারেননি আবেদনকারীরা। এর জন্য কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রককেই দায়ী করেছেন আইনজীবী। তাঁর আর্জি, আবেদনকারী তাঁর বসবাসের ঠিকানা প্রকাশ করলে এবং স্থানীয় থানায় রিপোর্ট করার অঙ্গীকার করলে তাঁকে মুক্তি দেওয়া হোক। সেই আবেদনের প্রেক্ষিতে বিচারপতি কৃষ্ণা রাও অবিলম্বে তাঁদের মুক্তি দিয়েছেন।

শর্তসাপেক্ষে আদালত জানিয়েছে, আবেদনকারীরা প্রত্যেকে দু’জন ভারতীয় নাগরিকের এক লক্ষ টাকার দুই জামিনদার শর্তে মুক্তি পেতে পারেন। পাশাপাশি, আবেদনকারীরা মুক্তি পাওয়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সংশ্লিষ্ট থানায় এবং ফরেনার্স রিজিওনাল রেজিস্ট্রেশন অফিস (এফআরআরও)-কে তাঁদের বসবাসের ঠিকানা জানাবেন। আদালত আরও জানিয়েছে, সংশোধনাগার থেকে মুক্তির আগে আবেদনকারীদের চোখের আইরিস (যদি সম্ভব হয়) এবং দশটি আঙুলের ছাপ ও ছবি সংগ্রহ করে ডেটাবেসে সংরক্ষণ করতে হবে। আবেদনকারীরা স্থানীয় থানায় সপ্তাহে একবার দেখা করবেন। ঠিকানার পরিবর্তনের বিষয়ে নির্দিষ্ট থানাকে জানাবেন। এ ছাড়াও পুলিশ সুপার (সীমান্ত) কর্তৃক এফআরআরও-কে প্রতি তিন মাস অন্তর একটি প্রতিবেদন জমা দিতে হবে। শর্ত লঙ্ঘনে আবেদনকারীদের গ্রেপ্তার করা যাবে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.