BREAKING NEWS

১৪ জ্যৈষ্ঠ  ১৪২৭  বৃহস্পতিবার ২৮ মে ২০২০ 

Advertisement

রজ্জুপথে মসৃণ পাহাড়ের পর্যটন ভাগ্য, রোজের যাতায়াতেও রোপওয়ের ভাবনা

Published by: Sucheta Sengupta |    Posted: January 9, 2019 4:07 pm|    Updated: January 9, 2019 4:07 pm

An Images

সংগ্রাম সিংহরায়, শিলিগুড়ি: খরস্রোতা নদীর বাঁকে বাঁকে একফালি নৌকা আর দাঁড় নিয়ে এগিয়ে চলার যেমন আনন্দ, তেমনই রোমাঞ্চ হাজার ফিট খাদকে নিচে রেখে দড়ি বেয়ে নেমে আসা। এই জোড়া অ্যাডভেঞ্চারের টানেই পাহাড়ি এলাকায় পর্যটকদের ভিড়। কিন্তু যাঁরা ততটা অ্যাডভেঞ্চারপ্রেমী নন, তাঁরা কি আর রোমাঞ্চ থেকে বঞ্চিত হবেন? মোটেই না। তাঁদের জন্যও সুখবর। শৈলশহর শিলিগুড়িতে দড়ির পথ ধরে যাতায়াতও নেহাত কম রোমাঞ্চের নয়। এই মরশুমে তা চালু হতেই হু হু করে বেড়েছে পর্যটকের সংখ্যা। পার্বত্য পর্যটনের মরা গাঙে ফের জোয়ার এসেছে।       

দুর্ঘটনার কবলে পড়ে কয়েক মাস ধরে বন্ধ অ্যাডভেঞ্চার স্পোর্টসের অন্যতম আকর্ষণ ওয়াটার র‌্যাফটিং। মাসখানেক আগে অসচেতনতার জেরে এক পর্যটকের মৃত্যুর পর থমকে গিয়েছে প্যারাগ্লাইডিংও। ফলে আগ্রহী পর্যটকদের অনেকেই মুহ্যমান হয়ে পড়েছিলেন। শিলিগুড়ি, দার্জিলিং এড়িয়ে অন্যান্য পাহাড়ি পথের দিকে চলে যাচ্ছিলেন। কিন্তু রোপওয়ে চালু হওয়ায় অনেকেই ফের পাহাড়মুখী হয়েছেন। পর্যটন দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, মাত্র তিন দিনেই দারুণ ব্যবসা করেছে রোপওয়ে। হিমালয়ান হসপিটালিটি অ্যান্ড ট্র্যাভেল অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক সম্রাট সান্যাল জানান, রোপওয়ে বরাবরই পর্যটকদের অগ্রাধিকারের তালিকায় থাকে। যাঁরা অ্যাডভেঞ্চার প্রিয়, তাঁদের সূচিতে বাড়তি থাকে ট্রেকিং, প্যারাগ্লাইডিং, ওয়াটার র‌্যাফটিং। প্যারাগ্লাইডিং আর ওয়াটার র‌্যাফটিং বন্ধ থাকায় আগ্রহী পর্যটকদের ফিরিয়ে দিতে হচ্ছিল। এবার অন্তত রোপওয়ে চালু হয়ে যাওয়ার অনেকটাই স্বস্তি ফিরেছে। চারটি কেবিন আপাতত চালু হয়েছে। জন প্রতি দু’শো টাকা করে নেওয়া হচ্ছে।

                                [বিতর্কিত জেলাশাসক নিখিল নির্মলের পাশে ডুয়ার্সের চা-শ্রমিকরা]

রোপওয়ে নিয়ে পর্যটকদের বাড়তি আকর্ষণের কথা মাথায় রেখে এবার পরিবহণ ব্যবস্থায় যুক্ত করার কথা ভাবা হচ্ছে প্রশাসনের তরফে। পর্যটনমন্ত্রী গৌতম দেবের কথায়, ‘দড়িপথে ভ্রমণ সবসময়ই রোমাঞ্চকর। আমরা তাই ভাবছি, রজ্জুপথকে পরিবহণ হিসেবে ব্যবহার করা যায় কি না। তাতে সময় যেমন কম লাগবে, তেমনই বাড়তি আকর্ষণ হিসেবে এই এলাকার মানচিত্রে একটি নতুন পালক যোগ হতে পারে। আর স্বাভাবিকভাবেই পাহাড় অর্থনীতির ক্ষেত্রেও বাড়তি মাত্রা যোগ করবে।’ বলাই যায়, ‘দড়ি` ধরেই আপাতত হৃত গৌরব পুনরুদ্ধারের পথে পাহাড়।

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement