৪ কার্তিক  ১৪২৬  মঙ্গলবার ২২ অক্টোবর ২০১৯ 

Menu Logo পুজো ২০১৯ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: দলের সঙ্গে দূরত্ব বেড়েছে অনেকদিনই৷ এনিয়ে জলঘোলা, কাদা ছোঁড়াছুঁড়িও কম হয়নি৷ কাজেই মুখ্যমন্ত্রীর বৈঠকে তাঁকে দেখতে পাওয়া যাবে না, এই দৃশ্যই কাম্য ছিল না৷ তবু রাজনৈতিক মহলের সমস্ত হিসেবনিকেশ ওলটপালট করে দিয়ে তিনি এলেন উত্তর ২৪ পরগনায় মুখ্যমন্ত্রীর প্রশাসনিক বৈঠকে৷ এলেন, অভিযোগও তুললেন, প্রশাসনিক প্রধানের কাছে আবেদন জানালেন যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়ার৷

[আরও পড়ুন: ‘চাইলেই সব মিলবে না, সরকারের টাকার অবস্থা ভাল নয়’, কড়া মন্তব্য মমতার]

শুক্রবার মধ্যমগ্রামে জেলার প্রশাসনিক বৈঠকে বিধাননগর পুরসভার সদ্যপ্রাক্তন মেয়র তথা তৃণমূলের অন্যতম বিতর্কিত নেতা সব্যসাচী দত্তর উপস্থিতি এভাবেই সমীকরণ বদলে দিল৷ এদিন বৈঠকের মধ্যভাগে সব্যসাচী দত্ত উঠে দাঁড়িয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে বলেন, রাজারহাট-নিউটাউন এলাকায় জলাজমি ভরাটের সমস্যা হচ্ছে৷ এনিয়ে জেলাশাসকের দৃষ্টি আকর্ষণ করেও, কোনও লাভ হয়নি বলে অভিযোগ করলেন৷ এনিয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার আরজিও জানান৷ সূত্রের খবর, সব্যসাচী নাকি এও বলেন, ওই সমস্যা সমাধান করতে চেয়েও তিনি পারেননি৷ আর সেই ব্যর্থতার দায় নিয়ে তিনি মেয়রের পদ ছেড়েছেন৷ যে অভিযোগ তিনি পদত্যাগের দিনও করেছিলেন৷ এক কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে এমন বেআইনি কাজের অভিযোগ তুলেছিলেন সব্যসাচী দত্ত৷

সূত্রের খবর, এদিনের বৈঠকে সব্যসাচীকে দেখে মুখ্যমন্ত্রী নিজেও কিছুটা অবাক হয়েছেন৷ তাঁর বক্তব্য বিশেষ আমল না দিয়ে তিনি সকলের উদ্দেশে বলেন, জলাজমি, পুকুর যাতে বেআইনিভাবে ভরাট না হয়, সেদিকে সকলকেই সমানভাবে নজর রাখতে হবে৷ আর সব্যসাচীকে তিনি বলেন, মিউনিসিপ্যালিটি তো তাঁরাই চালিয়েছে৷ তাই তাঁদের জানার কথা এধরনের সমস্যায় কী করতে হয়৷ ফলে সব্যসাচী দত্তর অভিযোগকে আদৌ কতটা গুরুত্ব দিয়ে দেখবেন মুখ্যমন্ত্রী, সে বিষয়ে কোনও ইঙ্গিত অন্তত এই বৈঠকে পাওয়া গেল না৷

[আরও পড়ুন:সাফাইকর্মীর আত্মহত্যা, কর্তৃপক্ষকে দায়ী করে কর্মবিরতিতে কৃষ্ণনগর পুরসভার কর্মীরা]

তবে এদিনের জেলা প্রশাসনিক বৈঠকে সব্যসাচীর উপস্থিতিই যে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে চলে এল, তা বলাই বাহুল্য৷ এমনিতেই লোকসভা ভোটের পর থেকে সব্যসাচী দত্তর ভূমিকা নিয়ে বিস্তর বিতর্ক, গুঞ্জন চলেছে৷ তাঁর প্রতি তৃণমূলত্যাগী বিজেপি নেতা মুকুল রায়ের ‘অভিভাবকসুলভ’ আচরণ এসবই চূড়ান্ত জল্পনার জন্ম দিয়েছে৷ বিধাননগরের প্রাক্তন মেয়রের বিজেপিতে যোগদান সময়ের অপেক্ষামাত্র, সেটাও মনে করছিলেন অনেকে৷ এমনকী এই বৈঠকের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত সব্যসাচী আসবেন বলে কোনও খবর ছিল না৷ কিন্তু শুক্রবারের ঘটনা ফের নতুন করে নানা সম্ভাবনার জন্ম দিচ্ছে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ৷

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং